জাতীয়
ভরা মৌসুমেও মেঘনায় ইলিশের দেখা নেই
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে আশা নিয়ে নদীতে নেমে ইলিশ পাচ্ছেন না লক্ষ্মীপুরের মেঘনার জেলেরা। মেঘনা নদীতে নাব্যতা সংকট ও ডুবোচরের কারণে সাগর থেকে ইলিশ আসতে বাধার মুখে পড়ছে। তবে মাস শেষে ইলিশ ধরা পড়ার আশা মৎস্য বিভাগের।
মৎস্য বিভাগ ও জেলেদের মতে, মেঘনা নদীতে ব্যাপক নাব্যতা সংকট ও ডুবোচরের কারণে সাগর থেকে ইলিশ নদীতে আসার পথে বাধার মুখে পড়ছে। এ কারণে ইলিশ গভীর সমুদ্র থেকে নদীর মোহনায় আসতে পারছে না। ফলে নদীতে জাল ফেলেও তেলের খরচ উঠছে না। জেলার ছোট-বড় প্রায় ৩০টি মাছ ঘাটে বর্তমানে কোনো কর্মতৎপরতা নেই। বাজারে মাছের সরবরাহ না থাকায় দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। মজু চৌধুরীর হাটে মাছ কিনতে আসা ক্রেতারা জানান, বাজারে হাতেগোনা কয়েকটা ইলিশ পাওয়া গেলেও এক কেজি ওজনের মাছের দাম চাওয়া হচ্ছে দুই হাজার টাকার বেশি। আকাশছোঁয়া দামের কারণে সাধারণ ক্রেতারা খালি হাতে বাড়ি ফিরছেন।
জেলায় নিবন্ধিত প্রায় ৫২ হাজার জেলে রয়েছেন যারা মেঘনার ওপর নির্ভরশীল। মার্চ-এপ্রিল দুই মাস মাছ ধরা বন্ধ থাকায় তারা এমনিতেই ধার-দেনার মধ্যে ছিলেন। ৩০ এপ্রিল নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর তারা নতুন করে নদীতে নামেন। কিন্তু জালে মাছ না পড়া এবং জ্বালানি তেলের সংকটে তারা এখন দিশেহারা। অনেক জেলে দাদনের টাকা কীভাবে শোধ করবেন তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসাইন জানান, নদীতে ডুবোচর ও নাব্যতা সংকটের কারণে ইলিশ চলাচলে বাধার সৃষ্টি হয়। প্রচুর বৃষ্টিপাত ও নদীতে পানি বাড়লে ইলিশ ধরা পড়বে। নদীর মোহনা থেকে এখন গভীর সমুদ্র চলে গেছে ইলিশ। মৌসুমের শুরুতে ধরা না পড়লেও আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ইলিশ ধরা পড়বে বলে আশা করেন এই মৎস্য কর্মকর্তা। তবে এবার ইলিশের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে ২৮ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন।
মৎস্য বিভাগ ও জেলেদের মতে, মেঘনা নদীতে ব্যাপক নাব্যতা সংকট ও ডুবোচরের কারণে সাগর থেকে ইলিশ নদীতে আসার পথে বাধার মুখে পড়ছে। এ কারণে ইলিশ গভীর সমুদ্র থেকে নদীর মোহনায় আসতে পারছে না। ফলে নদীতে জাল ফেলেও তেলের খরচ উঠছে না। জেলার ছোট-বড় প্রায় ৩০টি মাছ ঘাটে বর্তমানে কোনো কর্মতৎপরতা নেই। বাজারে মাছের সরবরাহ না থাকায় দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। মজু চৌধুরীর হাটে মাছ কিনতে আসা ক্রেতারা জানান, বাজারে হাতেগোনা কয়েকটা ইলিশ পাওয়া গেলেও এক কেজি ওজনের মাছের দাম চাওয়া হচ্ছে দুই হাজার টাকার বেশি। আকাশছোঁয়া দামের কারণে সাধারণ ক্রেতারা খালি হাতে বাড়ি ফিরছেন।
জেলায় নিবন্ধিত প্রায় ৫২ হাজার জেলে রয়েছেন যারা মেঘনার ওপর নির্ভরশীল। মার্চ-এপ্রিল দুই মাস মাছ ধরা বন্ধ থাকায় তারা এমনিতেই ধার-দেনার মধ্যে ছিলেন। ৩০ এপ্রিল নিষেধাজ্ঞা শেষ হওয়ার পর তারা নতুন করে নদীতে নামেন। কিন্তু জালে মাছ না পড়া এবং জ্বালানি তেলের সংকটে তারা এখন দিশেহারা। অনেক জেলে দাদনের টাকা কীভাবে শোধ করবেন তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছেন।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসাইন জানান, নদীতে ডুবোচর ও নাব্যতা সংকটের কারণে ইলিশ চলাচলে বাধার সৃষ্টি হয়। প্রচুর বৃষ্টিপাত ও নদীতে পানি বাড়লে ইলিশ ধরা পড়বে। নদীর মোহনা থেকে এখন গভীর সমুদ্র চলে গেছে ইলিশ। মৌসুমের শুরুতে ধরা না পড়লেও আগামী কয়েকদিনের মধ্যে ইলিশ ধরা পড়বে বলে আশা করেন এই মৎস্য কর্মকর্তা। তবে এবার ইলিশের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয়েছে ২৮ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন।
লোড হচ্ছে...