আন্তর্জাতিক
হরমুজে ইরানের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে চুক্তি চূড়ান্তের পথে
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
ইরান ও ওমানের মধ্যে হরমুজ প্রণালি নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। চুক্তিটি বাস্তবায়িত হলে উপসাগরে প্রবেশকারী জাহাজের নিয়ন্ত্রণ তেহরানের হাতে যেতে পারে, যা আঞ্চলিক ক্ষমতার ভারসাম্যে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
রয়টার্সকে এক জ্যেষ্ঠ ইরানি সূত্র ও দুজন আঞ্চলিক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা অনেক দূর এগিয়েছে। তবে এখনও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অমীমাংসিত রয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ পুনরায় খোলার চুক্তি আসন্ন বলে ইঙ্গিত দিলেও মার্কিন কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথের নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।
ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএকে বলেন, বাণিজ্যিক জাহাজের যাওয়া-আসা ইরানি জলসীমার মধ্য দিয়ে পরিচালনার বিষয়ে ওমানের সঙ্গে মৌলিক সমঝোতা হয়েছে এবং আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
সূত্রগুলোর দাবি, উপসাগরমুখী জাহাজের নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে থাকবে কি না, সে বিষয়েই মূল আলোচনা চলছে। বিপরীতমুখী জাহাজের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে।
ফি নির্ধারণ নিয়েও মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে। ইরান কার্গোর মূল্যের ৫ থেকে ৭ শতাংশ ফি চাইলেও ওমান তা ৩ শতাংশে সীমিত রাখতে চায়। যুক্তরাষ্ট্র কোনো ধরনের ফি আরোপের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
আঞ্চলিক আলোচকেরা জানিয়েছেন, জাহাজ তদারকিতে উপসাগরীয় দেশগুলোর ভূমিকা রাখার প্রস্তাবও আলোচনায় রয়েছে এবং যেকোনো ফি স্বেচ্ছাসেবামূলক হওয়া উচিত বলে তারা মত দিয়েছেন।
বিশ্বের তেল ও বাণিজ্য পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সম্ভাব্য নিয়ন্ত্রণ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
রয়টার্সকে এক জ্যেষ্ঠ ইরানি সূত্র ও দুজন আঞ্চলিক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা অনেক দূর এগিয়েছে। তবে এখনও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অমীমাংসিত রয়েছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ পুনরায় খোলার চুক্তি আসন্ন বলে ইঙ্গিত দিলেও মার্কিন কর্মকর্তারা দাবি করেছেন, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যপথের নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।
ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আইআরএনএকে বলেন, বাণিজ্যিক জাহাজের যাওয়া-আসা ইরানি জলসীমার মধ্য দিয়ে পরিচালনার বিষয়ে ওমানের সঙ্গে মৌলিক সমঝোতা হয়েছে এবং আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
সূত্রগুলোর দাবি, উপসাগরমুখী জাহাজের নিয়ন্ত্রণ ইরানের হাতে থাকবে কি না, সে বিষয়েই মূল আলোচনা চলছে। বিপরীতমুখী জাহাজের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে।
ফি নির্ধারণ নিয়েও মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে। ইরান কার্গোর মূল্যের ৫ থেকে ৭ শতাংশ ফি চাইলেও ওমান তা ৩ শতাংশে সীমিত রাখতে চায়। যুক্তরাষ্ট্র কোনো ধরনের ফি আরোপের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
আঞ্চলিক আলোচকেরা জানিয়েছেন, জাহাজ তদারকিতে উপসাগরীয় দেশগুলোর ভূমিকা রাখার প্রস্তাবও আলোচনায় রয়েছে এবং যেকোনো ফি স্বেচ্ছাসেবামূলক হওয়া উচিত বলে তারা মত দিয়েছেন।
বিশ্বের তেল ও বাণিজ্য পরিবহনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সম্ভাব্য নিয়ন্ত্রণ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
লোড হচ্ছে...