নারায়ণগঞ্জআড়াইহাজার
অসুস্থ বাবার বদলে মিশুক চালাতে গিয়ে খুন, রহস্য উদঘাটনে পিবিআই
NewsView5
.png)
নিউজভিউ ডেস্ক
রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলা কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মিশুকচালক ওয়ালি উল্লাহ (২০) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ছিনতাই হওয়া মিশুক ও নিহতের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
পিবিআই জানায়, গত ৫ জুলাই অসুস্থ বাবার পরিবর্তে মিশুক চালাতে বের হন ওয়ালি উল্লাহ। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরদিন পরিবারের সদস্যরা সোনারগাঁ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। একই দিন আড়াইহাজার উপজেলার উচিতপুরা ইউনিয়নের গ্রুপদী এলাকার একটি নির্জন স্থান থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা হারুন রশিদ আড়াইহাজার থানায় অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি, সিসিটিভি ফুটেজ ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে গত ২ আগস্ট সোনারগাঁ থেকে আওলাদ হোসেন (২৬) ও শাহিন (৩১) নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শাহিনের বাড়ি থেকে নিহতের ব্যবহৃত স্যামসাং মোবাইল ফোন ও একটি বাংলালিংক সিম উদ্ধার করা হয়। পরদিন মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ার ভবেরচর এলাকা থেকে ছিনতাই হওয়া মিশুকটি উদ্ধার করে পিবিআই।
সংস্থাটি আরও জানায়, গ্রেপ্তার দুজনসহ ৪ থেকে ৫ সদস্যের একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে বারদী অটোস্ট্যান্ড থেকে মিশুক ভাড়া করে আড়াইহাজারে যায়। ফেরার পথে গ্রুপদী গ্রামের নির্জন স্থানে ওয়ালি উল্লাহকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে তাঁর মিশুক ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। পরে মিশুকটি ভবেরচর এলাকায় বিক্রি করে দেওয়া হয়।
পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে গত ৮ আগস্ট আদালতে হাজির করা হলে শাহিন ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
পিবিআই সূত্র জানায়, সংঘবদ্ধ ছিনতাই চক্রটির আরও সদস্য জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধার করা আলামত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহের মাধ্যমে মামলার তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
পিবিআই জানায়, গত ৫ জুলাই অসুস্থ বাবার পরিবর্তে মিশুক চালাতে বের হন ওয়ালি উল্লাহ। এরপর থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। পরদিন পরিবারের সদস্যরা সোনারগাঁ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। একই দিন আড়াইহাজার উপজেলার উচিতপুরা ইউনিয়নের গ্রুপদী এলাকার একটি নির্জন স্থান থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শরীরে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়।
এ ঘটনায় নিহতের বাবা হারুন রশিদ আড়াইহাজার থানায় অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
তদন্তে তথ্যপ্রযুক্তি, সিসিটিভি ফুটেজ ও গোয়েন্দা তথ্য বিশ্লেষণ করে গত ২ আগস্ট সোনারগাঁ থেকে আওলাদ হোসেন (২৬) ও শাহিন (৩১) নামে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শাহিনের বাড়ি থেকে নিহতের ব্যবহৃত স্যামসাং মোবাইল ফোন ও একটি বাংলালিংক সিম উদ্ধার করা হয়। পরদিন মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ার ভবেরচর এলাকা থেকে ছিনতাই হওয়া মিশুকটি উদ্ধার করে পিবিআই।
সংস্থাটি আরও জানায়, গ্রেপ্তার দুজনসহ ৪ থেকে ৫ সদস্যের একটি চক্র পরিকল্পিতভাবে বারদী অটোস্ট্যান্ড থেকে মিশুক ভাড়া করে আড়াইহাজারে যায়। ফেরার পথে গ্রুপদী গ্রামের নির্জন স্থানে ওয়ালি উল্লাহকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে তাঁর মিশুক ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। পরে মিশুকটি ভবেরচর এলাকায় বিক্রি করে দেওয়া হয়।
পাঁচ দিনের রিমান্ড শেষে গত ৮ আগস্ট আদালতে হাজির করা হলে শাহিন ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।
পিবিআই সূত্র জানায়, সংঘবদ্ধ ছিনতাই চক্রটির আরও সদস্য জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে। তাদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উদ্ধার করা আলামত পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও সাক্ষ্যপ্রমাণ সংগ্রহের মাধ্যমে মামলার তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
লোড হচ্ছে...