নারায়ণগঞ্জসদর
রেডিকেল ডিজাইনের কারখানা বন্ধের প্রতিবাদে শ্রমিকদের বিক্ষোভ
NHP NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় রেডিকেল ডিজাইন লিমিটেড নামের একটি পোশাক কারখানার গার্মেন্টস বিভাগ অবৈধভাবে বন্ধ ঘোষণার প্রতিবাদে রাজপথে নেমেছেন কয়েকশ বিক্ষুব্ধ শ্রমিক। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে বিক্ষোভ মিছিল শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এক বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মালিকপক্ষের হঠকারী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং ১১ দফা দাবি আদায়ে শ্রমিকরা এই কর্মসূচি পালন করেন।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়াই বাংলাদেশ শ্রম আইনের ১৩ (১) ধারার অপব্যবহার করে গত ৭ এপ্রিল কারখানা বন্ধের নোটিশ দেওয়া হয়, যা ৮ এপ্রিল থেকে কার্যকর করা হয়েছে। শ্রমিক নেতৃবৃন্দ এই সিদ্ধান্তকে বেআইনি ও শ্রমিকদের জীবিকার ওপর নগ্ন আঘাত হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাদের দাবি, মালিকপক্ষ পরিকল্পিতভাবে শ্রমিকদের হয়রানি করতে অহেতুক সাময়িক বরখাস্ত ও কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করে কারখানার ভেতরে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে।
শ্রমিক সোলাইমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি সেলিম মাহমুদ। তিনি বলেন, "শ্রমিকদের পেটে লাথি মেরে কারখানা বন্ধ রাখা চলবে না। অবিলম্বে বেআইনি বন্ধ ঘোষণা প্রত্যাহার করে কারখানা চালু করতে হবে।" সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শরীফ বলেন, শ্রমিকদের হাজিরা বোনাস বৃদ্ধি এবং শ্রম আইন অনুযায়ী সকল অধিকার নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।
সমাবেশ থেকে শ্রমিকরা ১১ দফা দাবি উত্থাপন করেন। যার মধ্যে প্রধান দাবিগুলো হলো—অবিলম্বে কারখানা চালু করা, বরখাস্তকৃত শ্রমিকদের কাজে পুনর্বহাল, নিয়মিত বেতন পরিশোধ এবং শ্রমিকদের সঙ্গে কর্মকর্তাদের অসদাচরণ বন্ধ করা। শ্রমিকরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব দাবি মেনে নেওয়া না হলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
বিক্ষোভ সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ-সভাপতি হাসনাত কবির এবং সিদ্ধিরগঞ্জ থানা শাখার সভাপতি রুহুল আমিন সোহাগসহ স্থানীয় শ্রমিক নেতৃবৃন্দ। সমাবেশ শেষে শ্রমিকরা একটি শান্তিপূর্ণ মৌন মিছিলের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ করলেও কারখানা এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় রেডিকেল ডিজাইন লিমিটেড নামের একটি পোশাক কারখানার গার্মেন্টস বিভাগ অবৈধভাবে বন্ধ ঘোষণার প্রতিবাদে রাজপথে নেমেছেন কয়েকশ বিক্ষুব্ধ শ্রমিক। বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে বিক্ষোভ মিছিল শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে এক বিশাল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মালিকপক্ষের হঠকারী সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং ১১ দফা দাবি আদায়ে শ্রমিকরা এই কর্মসূচি পালন করেন।
সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, কোনো যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়াই বাংলাদেশ শ্রম আইনের ১৩ (১) ধারার অপব্যবহার করে গত ৭ এপ্রিল কারখানা বন্ধের নোটিশ দেওয়া হয়, যা ৮ এপ্রিল থেকে কার্যকর করা হয়েছে। শ্রমিক নেতৃবৃন্দ এই সিদ্ধান্তকে বেআইনি ও শ্রমিকদের জীবিকার ওপর নগ্ন আঘাত হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাদের দাবি, মালিকপক্ষ পরিকল্পিতভাবে শ্রমিকদের হয়রানি করতে অহেতুক সাময়িক বরখাস্ত ও কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করে কারখানার ভেতরে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে।
শ্রমিক সোলাইমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি সেলিম মাহমুদ। তিনি বলেন, "শ্রমিকদের পেটে লাথি মেরে কারখানা বন্ধ রাখা চলবে না। অবিলম্বে বেআইনি বন্ধ ঘোষণা প্রত্যাহার করে কারখানা চালু করতে হবে।" সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শরীফ বলেন, শ্রমিকদের হাজিরা বোনাস বৃদ্ধি এবং শ্রম আইন অনুযায়ী সকল অধিকার নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।
সমাবেশ থেকে শ্রমিকরা ১১ দফা দাবি উত্থাপন করেন। যার মধ্যে প্রধান দাবিগুলো হলো—অবিলম্বে কারখানা চালু করা, বরখাস্তকৃত শ্রমিকদের কাজে পুনর্বহাল, নিয়মিত বেতন পরিশোধ এবং শ্রমিকদের সঙ্গে কর্মকর্তাদের অসদাচরণ বন্ধ করা। শ্রমিকরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে এসব দাবি মেনে নেওয়া না হলে আগামীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
বিক্ষোভ সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ-সভাপতি হাসনাত কবির এবং সিদ্ধিরগঞ্জ থানা শাখার সভাপতি রুহুল আমিন সোহাগসহ স্থানীয় শ্রমিক নেতৃবৃন্দ। সমাবেশ শেষে শ্রমিকরা একটি শান্তিপূর্ণ মৌন মিছিলের মাধ্যমে কর্মসূচি শেষ করলেও কারখানা এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
লোড হচ্ছে...