নারায়ণগঞ্জসদর
মুন্সিগঞ্জে জোড়া খুন: প্রধান আসামি 'অহিদ' না.গঞ্জে আটক
NewsView

মুন্সিগঞ্জের মোল্লাকান্দি ইউনিয়নের চরডুমুরিয়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত জোড়া খুনের ঘটনায় এজাহারনামীয় প্রধান আসামি অহিদ (৩৫)-কে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থেকে আটক করেছে র্যাব-১১। নৃশংস এই ঘটনায় প্রকাশ্যে গুলি ও ককটেল ব্যবহার করে দুই ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়েছিল।
এজাহার সূত্রে র্যাব জানায়, গত ১০ নভেম্বর সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে আটক অহিদসহ ১০০ থেকে ১২০ জন সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোকজনের একটি দল চরডুমুরিয়া গ্রামে আধিপত্য বিস্তার এবং পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বেআইনিভাবে সংঘবদ্ধ হয়। তারা ধারালো চাপাতি, বন্দুক, পিস্তল, চাইনিজ কুড়াল, ককটেলসহ বিভিন্ন মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পূর্ব পরিকল্পনা মাফিক আরিফ মীরের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়।
প্রথম হত্যাকাণ্ড: আরিফ মীর ঘর থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আসামিরা তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে। গুলি তাঁর বুকের বামপাশে লাগলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
দ্বিতীয় হত্যাকাণ্ড: এরপর আসামিরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটাতে ঘটাতে রায়হান খা-এর বাড়িতে হামলা করে। রায়হান খাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালালে তিনি গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন। মুমূর্ষু অবস্থায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁরও মৃত্যু হয়।
এই নৃশংস ঘটনাটি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হলে মুন্সিগঞ্জ এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
জোড়া খুনের এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে তৎপর হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এরই প্রেক্ষিতে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ একটি আভিযানিক দল শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) ভোর রাতে সিদ্ধিরগঞ্জ পাঠানটুলি এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান শেষে এজাহারনামীয় আসামি অহিদকে (পিতা: নূর মোহাম্মদ চৌধুরী, গ্রাম: বড় মোল্লাকান্দি, মুন্সিগঞ্জ সদর) আটক করতে সক্ষম হয়।
র্যাব-১১ জানিয়েছে, আটককৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেলার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এজাহার সূত্রে র্যাব জানায়, গত ১০ নভেম্বর সকাল আনুমানিক ৬টার দিকে আটক অহিদসহ ১০০ থেকে ১২০ জন সন্ত্রাসী প্রকৃতির লোকজনের একটি দল চরডুমুরিয়া গ্রামে আধিপত্য বিস্তার এবং পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বেআইনিভাবে সংঘবদ্ধ হয়। তারা ধারালো চাপাতি, বন্দুক, পিস্তল, চাইনিজ কুড়াল, ককটেলসহ বিভিন্ন মারাত্মক অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পূর্ব পরিকল্পনা মাফিক আরিফ মীরের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায়।
প্রথম হত্যাকাণ্ড: আরিফ মীর ঘর থেকে বের হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই আসামিরা তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলি করে। গুলি তাঁর বুকের বামপাশে লাগলে তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।
দ্বিতীয় হত্যাকাণ্ড: এরপর আসামিরা ককটেল বিস্ফোরণ ঘটাতে ঘটাতে রায়হান খা-এর বাড়িতে হামলা করে। রায়হান খাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালালে তিনি গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন। মুমূর্ষু অবস্থায় তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁরও মৃত্যু হয়।
এই নৃশংস ঘটনাটি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত হলে মুন্সিগঞ্জ এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
জোড়া খুনের এই চাঞ্চল্যকর ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে তৎপর হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এরই প্রেক্ষিতে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-১১ একটি আভিযানিক দল শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) ভোর রাতে সিদ্ধিরগঞ্জ পাঠানটুলি এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান শেষে এজাহারনামীয় আসামি অহিদকে (পিতা: নূর মোহাম্মদ চৌধুরী, গ্রাম: বড় মোল্লাকান্দি, মুন্সিগঞ্জ সদর) আটক করতে সক্ষম হয়।
র্যাব-১১ জানিয়েছে, আটককৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মুন্সিগঞ্জ জেলার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের আটকের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
লোড হচ্ছে...