নারায়ণগঞ্জসদর
ফতুল্লায় বাউল শিল্পী স্ত্রীর পরকীয়া জেরে খুন, স্ত্রীসহ আটক ৬
NewsView

নিউজ ভিউ, নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এক বেকার যুবককে কুপিয়ে হত্যার রহস্য উন্মোচন করেছে পুলিশ। তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, নিহতের বাউল শিল্পী স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমের জেরেই সুমন খলিফা (৩৫) নামের ওই যুবককে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনায় নিহতের স্ত্রীসহ মোট ছয়জনকে আটক করেছে পুলিশ। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) বিকেলে জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী তাঁর নিজ কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেন।
লিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী সংবাদ সম্মেলনে জানান, হত্যাকাণ্ডের শিকার সুমন খলিফা বেকার ছিলেন। তাঁর স্ত্রী বাউল শিল্পী সোনিয়া আক্তার (২২) বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গান গেয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। প্রায় দুই মাস আগে এক গানের অনুষ্ঠানে সোনিয়ার সঙ্গে আটককৃত প্রধান অভিযুক্ত মেহেদী হাসান ওরফে ইউসুফের (৪২) প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোনিয়া বিভিন্ন সময় মেহেদীর কাছ থেকে টাকা ধার নিতেন এবং নিয়মিত তাঁদের মধ্যে মোবাইল ফোনে কথা হতো। তাঁদের এই প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি সুমন খলিফা জেনে গেলে সংসারে তীব্র কলহের সৃষ্টি হয়। আর এর জের ধরেই আসামিরা সুমনকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।
জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৩০ নভেম্বর রাতে সুমন ও সোনিয়া বাসা থেকে বেরিয়ে পঞ্চবটি এলাকায় একটি গানের অনুষ্ঠানে যান। রাত আনুমানিক ১১টার দিকে স্ত্রীকে অনুষ্ঠানে রেখে সুমন বেরিয়ে যান।
এসপি জানান, ঘটনার রাতে টাকা ধার দেওয়ার কথা বলে প্রধান অভিযুক্ত মেহেদী হাসান সুমনকে পঞ্চবটি এলাকা থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নেন। পরে তাঁকে মধ্য নরসিংহপুর এলাকার একটি পরিত্যক্ত জায়গায় নিয়ে গিয়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে খুন করা হয়। গত ১ ডিসেম্বর সকালে মধ্য নরসিংহপুর এলাকার সড়কের ওপর থেকে সুমনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাঁর শরীরে একাধিক ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল।
হত্যাকাণ্ডের পর নিহত সুমনের বাবা মন্টু খলিফা ফতুল্লা মডেল থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্তে নিহতের স্ত্রী সোনিয়া আক্তার ও তাঁর পরকীয়া প্রেমিক মেহেদী হাসানের জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়ে প্রথমে তাঁদের আটক করে। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্যমতে, মঙ্গলবার রাতে আরও চারজন অভিযুক্তকে আটক করা হয়।
আটককৃত বাকি অভিযুক্তরা হলেন: মেহেদীর শ্যালক আব্দুর রহমান (২৮), সহযোগী বিল্লাল হোসেন (৫৮), আলমগীর হাওলাদার (৪৫) ও নান্নু মিয়া (৫৫)। তবে মো. মামুন নামে আরও একজন অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশ অভিযুক্তদের দেখানো তথ্য অনুযায়ী ঘটনাস্থল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি চাপাতি ও একটি সুইচ গিয়ার চাকুও উদ্ধার করেছে।
এদিকে, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ইয়াসিন আরাফাত জানান, এটি একটি ক্লু-লেস হত্যা মামলা ছিল। তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় তারা রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হন। বুধবার দুপুরে আটককৃত অভিযুক্ত মেহেদী ও তাঁর শ্যালক আব্দুর রহমান আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
লিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী সংবাদ সম্মেলনে জানান, হত্যাকাণ্ডের শিকার সুমন খলিফা বেকার ছিলেন। তাঁর স্ত্রী বাউল শিল্পী সোনিয়া আক্তার (২২) বিভিন্ন অনুষ্ঠানে গান গেয়ে জীবিকা নির্বাহ করতেন। প্রায় দুই মাস আগে এক গানের অনুষ্ঠানে সোনিয়ার সঙ্গে আটককৃত প্রধান অভিযুক্ত মেহেদী হাসান ওরফে ইউসুফের (৪২) প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সোনিয়া বিভিন্ন সময় মেহেদীর কাছ থেকে টাকা ধার নিতেন এবং নিয়মিত তাঁদের মধ্যে মোবাইল ফোনে কথা হতো। তাঁদের এই প্রেমের সম্পর্কের বিষয়টি সুমন খলিফা জেনে গেলে সংসারে তীব্র কলহের সৃষ্টি হয়। আর এর জের ধরেই আসামিরা সুমনকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।
জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ৩০ নভেম্বর রাতে সুমন ও সোনিয়া বাসা থেকে বেরিয়ে পঞ্চবটি এলাকায় একটি গানের অনুষ্ঠানে যান। রাত আনুমানিক ১১টার দিকে স্ত্রীকে অনুষ্ঠানে রেখে সুমন বেরিয়ে যান।
এসপি জানান, ঘটনার রাতে টাকা ধার দেওয়ার কথা বলে প্রধান অভিযুক্ত মেহেদী হাসান সুমনকে পঞ্চবটি এলাকা থেকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নেন। পরে তাঁকে মধ্য নরসিংহপুর এলাকার একটি পরিত্যক্ত জায়গায় নিয়ে গিয়ে ধারালো অস্ত্রের আঘাতে খুন করা হয়। গত ১ ডিসেম্বর সকালে মধ্য নরসিংহপুর এলাকার সড়কের ওপর থেকে সুমনের রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাঁর শরীরে একাধিক ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন ছিল।
হত্যাকাণ্ডের পর নিহত সুমনের বাবা মন্টু খলিফা ফতুল্লা মডেল থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ তদন্তে নিহতের স্ত্রী সোনিয়া আক্তার ও তাঁর পরকীয়া প্রেমিক মেহেদী হাসানের জড়িত থাকার প্রমাণ পেয়ে প্রথমে তাঁদের আটক করে। পরে তাঁদের দেওয়া তথ্যমতে, মঙ্গলবার রাতে আরও চারজন অভিযুক্তকে আটক করা হয়।
আটককৃত বাকি অভিযুক্তরা হলেন: মেহেদীর শ্যালক আব্দুর রহমান (২৮), সহযোগী বিল্লাল হোসেন (৫৮), আলমগীর হাওলাদার (৪৫) ও নান্নু মিয়া (৫৫)। তবে মো. মামুন নামে আরও একজন অভিযুক্ত পলাতক রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পুলিশ অভিযুক্তদের দেখানো তথ্য অনুযায়ী ঘটনাস্থল থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি চাপাতি ও একটি সুইচ গিয়ার চাকুও উদ্ধার করেছে।
এদিকে, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ইয়াসিন আরাফাত জানান, এটি একটি ক্লু-লেস হত্যা মামলা ছিল। তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় তারা রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হন। বুধবার দুপুরে আটককৃত অভিযুক্ত মেহেদী ও তাঁর শ্যালক আব্দুর রহমান আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
লোড হচ্ছে...