জাতীয়
আইভীর ‘চুনকা কুটিরে’ ভিড় করছেন তাঁর কর্মী-সমর্থকরা
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
সাবেক সিটি মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীর নিজ বাড়ি ‘চুনকা কুটিরে’ ভিড় করছেন তাঁর কর্মী-সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা। বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকাল থেকে শহরের দেওভোগ এলাকার বাসভবন ‘চুনকা কুটিরে’ তাঁকে দেখতে ভিড় করেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।
বুধবার ( ৩ জুন) রাত সোয়া ১০টার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে মুক্তি পান আইভী। পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনি নিজ বাসভবনে পৌঁছান।
আইভীর পরিবারের সদস্যরা জানান, নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক বিষয় বিবেচনায় দর্শনার্থীদের সংখ্যা সীমিত রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতা-কর্মী, সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁর খোঁজখবর নিতে আসছেন।
মুক্তির খবর পেয়ে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া থেকে শারীরিক প্রতিবন্ধী হান্নান মিয়াও তাঁকে দেখতে আসেন। দুপুরে তিনি ফুলের মালা দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। হান্নান বলেন, মানুষের জন্য কাজ করার কারণেই আইভী সাধারণ মানুষের ভালোবাসা অর্জন করেছেন।
এ সময় আইভীর স্বজনদের মধ্যে তাঁর ভগ্নিপতি আবদুল কাদির ও সাবেক কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান মনির উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে আইভীর বাসভবনের সামনে ও আশপাশের এলাকায় পুলিশ সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাজেদুর রহমান জানান, নিরাপত্তা ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের স্বার্থেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৯ মে ভোরে নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার হন সেলিনা হায়াৎ আইভী। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সংঘটিত হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলাসহ মোট ১২টি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বিভিন্ন মামলায় জামিন পাওয়ার পর সর্বশেষ গত ৩০ এপ্রিল সিদ্ধিরগঞ্জ থানার দুটি হত্যা মামলায় হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন লাভ করলে তাঁর মুক্তির পথ সুগম হয়।
সেলিনা হায়াৎ আইভী ২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন গঠনের পর টানা তিনবার মেয়র নির্বাচিত হন।
বুধবার ( ৩ জুন) রাত সোয়া ১০টার দিকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগার থেকে মুক্তি পান আইভী। পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে তিনি নিজ বাসভবনে পৌঁছান।
আইভীর পরিবারের সদস্যরা জানান, নিরাপত্তা ও প্রশাসনিক বিষয় বিবেচনায় দর্শনার্থীদের সংখ্যা সীমিত রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে বিভিন্ন এলাকা থেকে নেতা-কর্মী, সমর্থক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁর খোঁজখবর নিতে আসছেন।
মুক্তির খবর পেয়ে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া থেকে শারীরিক প্রতিবন্ধী হান্নান মিয়াও তাঁকে দেখতে আসেন। দুপুরে তিনি ফুলের মালা দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। হান্নান বলেন, মানুষের জন্য কাজ করার কারণেই আইভী সাধারণ মানুষের ভালোবাসা অর্জন করেছেন।
এ সময় আইভীর স্বজনদের মধ্যে তাঁর ভগ্নিপতি আবদুল কাদির ও সাবেক কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান মনির উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে আইভীর বাসভবনের সামনে ও আশপাশের এলাকায় পুলিশ সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাজেদুর রহমান জানান, নিরাপত্তা ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের স্বার্থেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৯ মে ভোরে নিজ বাসা থেকে গ্রেপ্তার হন সেলিনা হায়াৎ আইভী। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় সংঘটিত হত্যা ও হত্যাচেষ্টা মামলাসহ মোট ১২টি মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বিভিন্ন মামলায় জামিন পাওয়ার পর সর্বশেষ গত ৩০ এপ্রিল সিদ্ধিরগঞ্জ থানার দুটি হত্যা মামলায় হাইকোর্ট থেকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন লাভ করলে তাঁর মুক্তির পথ সুগম হয়।
সেলিনা হায়াৎ আইভী ২০০৩ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত নারায়ণগঞ্জ পৌরসভার মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন গঠনের পর টানা তিনবার মেয়র নির্বাচিত হন।
লোড হচ্ছে...