সারা দেশ
ভেঙে গেছে একমাত্র কাঠের সাঁকো
গফরগাঁওয়ে দড়ি টানা কলার ভেলায় নদী পারাপার
NewsView6

কলাগাছের ভেলায় চরে নদী পার হচ্ছে স্কুলের শিশুসহ স্থানীয়রা
নিউজভিউ ডেস্ক
ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের শীলা নদীর ওপর বাঁশের সাঁকোটি গত ৩০ এপ্রিল ভেঙে গেছে। এরপর সাঁকোটি আর মেরামত না হওয়ায় কলাগাছের ভেলা করে এলাকার লোকজনকে নদী পারাপার করতে হচ্ছে। এতে রসুলপুর ইউনয়নের সান্দিয়াইন, পাড়া সান্দিয়াইন, ছয়ানি রসুলপুরসহসহ আশেপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামের ৭/৮ হাজার মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গফরগাঁও উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দূরে রসুলপুর ইউনিয়নের সান্দিয়াইন ও পাড়া সান্দিয়াইন গ্রাম। এই দুই গ্রামের মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে শীলা নদী। নদীর দুই পাড়ের হাজারো মানুষের যোগাযোগে এ নদীই বাঁধা। শত বছর ধরে এই এলাকার মানুষ বাঁশের সাঁকো দিয়ে শীলা নদী পারাপার হচ্ছেন।
এলাকাবাসীর আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০১৩/১৪ অর্থ বছরে স্থানীয় সরকার বিভাগের লোকাল গর্ভন্যান্স সার্পোট প্রজেক্টের (এলজিএসপি) আওতায় রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদ ১৯০ ফুট দীর্ঘ ও ৮ ফুট প্রস্থ একটি কাঠের সেতু নির্মাণ করে দেয়। বছর খানেক পরেই বাঁশের সাঁকোটি দুর্বল ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠে। ৫ বছর যেতে না যেতেই ২০১৯ সালে সেটি ভেঙে যায়। পরে গ্রামবাসী নিজেদের উদ্যোগে সেখানে একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেন। এটিই ছিল নদীর পারাপারে দুই পাড়ের মানুষের ভরসা। কিন্তু গত এপ্রিল মাসের শেষ সপ্তাহে অতিবৃষ্টিতে নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় স্রোতের তোড়ে এবং কচুরিপানা আটকে সাঁকোটি ভেঙে নদীতে পড়ে যায়।
বর্তমানে এই এলাকার মানুষের সান্দিয়াইন গ্রামের শনিরঘাট দিয়ে শীলা নদী পারাপারের একমাত্র মাধ্যম হয়ে উঠেছে কলাগাছের ভেলা। এতে দুর্ভোগে পড়েছে দুই পাড়ের বাসিন্দারা। বিশেষ করে মাদ্রাসা ও স্কুলগামী শিশুরা। স্থানীয়রা জানান, নদী পারাপার হতে গিয়ে চার বছরে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
সরজমিনে জানা যায়, এই অঞ্চলের লোকজন শীলা নদী পারপার না করে বিকল্প হিসেবে তিন কিলোমিটার দুরের নয়াপাড়া ব্রীজ হয়ে উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করতে পারে। এতে তাদের প্রায় ৭ কিলোমিটার রাস্তা বেশি ঘুরতে হয়। আবার পাড়া সান্দিয়াইন গ্রাম থেকে নয়াপাড়া ব্রীজের মোড় পর্যন্ত পায়ে হাঁটার পথ ছাড়া আর কোন রাস্তা নেই। সেই বর্ষায় চলাচলের অনুপযোগি থাকে। তাই বাধ্য হয়েই রসুলপুর ইউনিয়নের তিন/চার গ্রামের ছয় থেকে সাত হাজার লোককে কলাগাছের ভেলা দিয়ে নদী পারাপার করতে হচ্ছে।
সান্দিয়াইন নতুন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আরিফুর রহমান সজিব জানায়, ভেলায় চড়ে নদী পার হয়ে স্কুলে যেতে ভয় লাগে। সান্দিয়াইন গ্রামের লাল মিয়া (৭০) বলেন, বাপ-দাদার আমল থেকে শত বছর ধরে এলাকাবাসী বাঁশের সাঁকো দিয়ে এই শীলা নদী পারাপার হচ্ছে। এখন সেতুটি ভেঙে পড়ায় কলাগাছের ভেলা দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভয়ে ভয়ে নদী পারাপার করতে হয়।
রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো. নাসির উদ্দিন বলেন, বিষয়টি নজরে এসেছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। উপজেলা প্রকৌশলী মো. আবু বকর সিদ্দিক বলেন, এখানে একটি পাকা ব্রিজ নির্মাণের প্রস্তাব আছে। সাঁকো ভেঙে যাওয়ায় সৃষ্ট জনদুর্ভোগ লাগবে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়নের শীলা নদীর ওপর বাঁশের সাঁকোটি গত ৩০ এপ্রিল ভেঙে গেছে। এরপর সাঁকোটি আর মেরামত না হওয়ায় কলাগাছের ভেলা করে এলাকার লোকজনকে নদী পারাপার করতে হচ্ছে। এতে রসুলপুর ইউনয়নের সান্দিয়াইন, পাড়া সান্দিয়াইন, ছয়ানি রসুলপুরসহসহ আশেপাশের বেশ কয়েকটি গ্রামের ৭/৮ হাজার মানুষকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গফরগাঁও উপজেলা সদর থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দূরে রসুলপুর ইউনিয়নের সান্দিয়াইন ও পাড়া সান্দিয়াইন গ্রাম। এই দুই গ্রামের মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে শীলা নদী। নদীর দুই পাড়ের হাজারো মানুষের যোগাযোগে এ নদীই বাঁধা। শত বছর ধরে এই এলাকার মানুষ বাঁশের সাঁকো দিয়ে শীলা নদী পারাপার হচ্ছেন।
এলাকাবাসীর আবেদনের প্রেক্ষিতে ২০১৩/১৪ অর্থ বছরে স্থানীয় সরকার বিভাগের লোকাল গর্ভন্যান্স সার্পোট প্রজেক্টের (এলজিএসপি) আওতায় রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদ ১৯০ ফুট দীর্ঘ ও ৮ ফুট প্রস্থ একটি কাঠের সেতু নির্মাণ করে দেয়। বছর খানেক পরেই বাঁশের সাঁকোটি দুর্বল ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠে। ৫ বছর যেতে না যেতেই ২০১৯ সালে সেটি ভেঙে যায়। পরে গ্রামবাসী নিজেদের উদ্যোগে সেখানে একটি বাঁশের সাঁকো নির্মাণ করেন। এটিই ছিল নদীর পারাপারে দুই পাড়ের মানুষের ভরসা। কিন্তু গত এপ্রিল মাসের শেষ সপ্তাহে অতিবৃষ্টিতে নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় স্রোতের তোড়ে এবং কচুরিপানা আটকে সাঁকোটি ভেঙে নদীতে পড়ে যায়।
বর্তমানে এই এলাকার মানুষের সান্দিয়াইন গ্রামের শনিরঘাট দিয়ে শীলা নদী পারাপারের একমাত্র মাধ্যম হয়ে উঠেছে কলাগাছের ভেলা। এতে দুর্ভোগে পড়েছে দুই পাড়ের বাসিন্দারা। বিশেষ করে মাদ্রাসা ও স্কুলগামী শিশুরা। স্থানীয়রা জানান, নদী পারাপার হতে গিয়ে চার বছরে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
সরজমিনে জানা যায়, এই অঞ্চলের লোকজন শীলা নদী পারপার না করে বিকল্প হিসেবে তিন কিলোমিটার দুরের নয়াপাড়া ব্রীজ হয়ে উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াত করতে পারে। এতে তাদের প্রায় ৭ কিলোমিটার রাস্তা বেশি ঘুরতে হয়। আবার পাড়া সান্দিয়াইন গ্রাম থেকে নয়াপাড়া ব্রীজের মোড় পর্যন্ত পায়ে হাঁটার পথ ছাড়া আর কোন রাস্তা নেই। সেই বর্ষায় চলাচলের অনুপযোগি থাকে। তাই বাধ্য হয়েই রসুলপুর ইউনিয়নের তিন/চার গ্রামের ছয় থেকে সাত হাজার লোককে কলাগাছের ভেলা দিয়ে নদী পারাপার করতে হচ্ছে।
সান্দিয়াইন নতুন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণীর শিক্ষার্থী আরিফুর রহমান সজিব জানায়, ভেলায় চড়ে নদী পার হয়ে স্কুলে যেতে ভয় লাগে। সান্দিয়াইন গ্রামের লাল মিয়া (৭০) বলেন, বাপ-দাদার আমল থেকে শত বছর ধরে এলাকাবাসী বাঁশের সাঁকো দিয়ে এই শীলা নদী পারাপার হচ্ছে। এখন সেতুটি ভেঙে পড়ায় কলাগাছের ভেলা দিয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ভয়ে ভয়ে নদী পারাপার করতে হয়।
রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক মো. নাসির উদ্দিন বলেন, বিষয়টি নজরে এসেছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হবে। উপজেলা প্রকৌশলী মো. আবু বকর সিদ্দিক বলেন, এখানে একটি পাকা ব্রিজ নির্মাণের প্রস্তাব আছে। সাঁকো ভেঙে যাওয়ায় সৃষ্ট জনদুর্ভোগ লাগবে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
লোড হচ্ছে...