বিনোদন
তামিলনাড়ুর ‘দ্রাবিড় রাজনীতির’ দুর্গে থালাপাতির ‘বিজয়’ যেভাবে
NHP NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
দশকের পর দশক ধরে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে ডিএমকে ও এআইএডিএমকে-র যে দ্বি-দলীয় আধিপত্য ছিল, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সুপারস্টার জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখরের (থালাপথি বিজয়) দল 'তামিলগা ভেত্রি কাজগম' (টিভিকে) সেই দুর্গে বড় ধরনের ভাঙন ধরিয়েছে। ২০২৪ সালে রাজনীতিতে নামার ঘোষণার পর মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে বিজয়ের এই উত্থান দক্ষিণ ভারতের রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে।
বিজয়ের এই রাজনৈতিক যাত্রা হুট করে শুরু হয়নি; বরং ২০০৯ সাল থেকে ‘বিজয় মক্কাল ইয়াক্কাম’ সংগঠনের মাধ্যমে তিনি মাঠ পর্যায়ে নিজের ভিত্তি মজবুত করেন। তার অভিনীত ‘সরকার’, ‘মার্শাল’ ও ‘কাথি’র মতো চলচ্চিত্রগুলোতে স্বাস্থ্যখাত, কৃষি সংকট ও করপোরেট আধিপত্যের বিরুদ্ধে দেওয়া বার্তাগুলো তাকে সাধারণ মানুষের কাছে ‘জনগণের নায়ক’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এই ইমেজকে পুঁজি করেই তিনি ২০২২ সালের স্থানীয় নির্বাচনে তার ভক্তদের মাধ্যমে ১১৫টি কাউন্সিলর পদে জয়লাভ করে নিজের শক্তির জানান দেন।
২০২৬ সালের নির্বাচনে কোনো জোটে না গিয়ে এককভাবে লড়াইয়ের সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজয়। তিনি ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) ‘আদর্শগত শত্রু’ এবং ক্ষমতাসীন ডিএমকে-কে ‘রাজনৈতিক শত্রু’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। রাজনীতির জন্য অভিনয় ছাড়ার ঘোষণা এবং ‘রাজনীতি কোনো পেশা নয়, বরং জনসেবা’—তার এমন বক্তব্য সাধারণ ভোটারদের, বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এমনকি ২০২৫ সালের কারুর স্ট্যাম্পিড-সংক্রান্ত তদন্তের মতো চ্যালেঞ্জও তার জনপ্রিয়তায় ভাটা ফেলতে পারেনি।
নির্বাচনের প্রাথমিক গণনা অনুযায়ী, টিভিকে অনেকগুলো আসনে শক্ত অবস্থানে রয়েছে, যা তামিলনাড়ুর প্রথাগত দ্বিমুখী লড়াইকে ত্রিমুখী প্রতিযোগিতায় রূপান্তর করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, বিজয়ের এই উত্থান কেবল একজন তারকার রাজনীতিতে প্রবেশ নয়, বরং দুর্নীতির বিরুদ্ধে এবং নতুন প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। চূড়ান্ত ফলাফল যাই হোক না কেন, তামিলনাড়ুর ‘দ্রাবিড় দুর্গে’ যে পরিবর্তনের হাওয়া লেগেছে, বিজয় তার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন।
দশকের পর দশক ধরে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে ডিএমকে ও এআইএডিএমকে-র যে দ্বি-দলীয় আধিপত্য ছিল, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সুপারস্টার জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখরের (থালাপথি বিজয়) দল 'তামিলগা ভেত্রি কাজগম' (টিভিকে) সেই দুর্গে বড় ধরনের ভাঙন ধরিয়েছে। ২০২৪ সালে রাজনীতিতে নামার ঘোষণার পর মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে বিজয়ের এই উত্থান দক্ষিণ ভারতের রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণ তৈরি করেছে।
বিজয়ের এই রাজনৈতিক যাত্রা হুট করে শুরু হয়নি; বরং ২০০৯ সাল থেকে ‘বিজয় মক্কাল ইয়াক্কাম’ সংগঠনের মাধ্যমে তিনি মাঠ পর্যায়ে নিজের ভিত্তি মজবুত করেন। তার অভিনীত ‘সরকার’, ‘মার্শাল’ ও ‘কাথি’র মতো চলচ্চিত্রগুলোতে স্বাস্থ্যখাত, কৃষি সংকট ও করপোরেট আধিপত্যের বিরুদ্ধে দেওয়া বার্তাগুলো তাকে সাধারণ মানুষের কাছে ‘জনগণের নায়ক’ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এই ইমেজকে পুঁজি করেই তিনি ২০২২ সালের স্থানীয় নির্বাচনে তার ভক্তদের মাধ্যমে ১১৫টি কাউন্সিলর পদে জয়লাভ করে নিজের শক্তির জানান দেন।
২০২৬ সালের নির্বাচনে কোনো জোটে না গিয়ে এককভাবে লড়াইয়ের সাহসী সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বিজয়। তিনি ভারতীয় জনতা পার্টিকে (বিজেপি) ‘আদর্শগত শত্রু’ এবং ক্ষমতাসীন ডিএমকে-কে ‘রাজনৈতিক শত্রু’ হিসেবে ঘোষণা করেছেন। রাজনীতির জন্য অভিনয় ছাড়ার ঘোষণা এবং ‘রাজনীতি কোনো পেশা নয়, বরং জনসেবা’—তার এমন বক্তব্য সাধারণ ভোটারদের, বিশেষ করে নতুন প্রজন্মের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এমনকি ২০২৫ সালের কারুর স্ট্যাম্পিড-সংক্রান্ত তদন্তের মতো চ্যালেঞ্জও তার জনপ্রিয়তায় ভাটা ফেলতে পারেনি।
নির্বাচনের প্রাথমিক গণনা অনুযায়ী, টিভিকে অনেকগুলো আসনে শক্ত অবস্থানে রয়েছে, যা তামিলনাড়ুর প্রথাগত দ্বিমুখী লড়াইকে ত্রিমুখী প্রতিযোগিতায় রূপান্তর করেছে। বিশ্লেষকদের মতে, বিজয়ের এই উত্থান কেবল একজন তারকার রাজনীতিতে প্রবেশ নয়, বরং দুর্নীতির বিরুদ্ধে এবং নতুন প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন। চূড়ান্ত ফলাফল যাই হোক না কেন, তামিলনাড়ুর ‘দ্রাবিড় দুর্গে’ যে পরিবর্তনের হাওয়া লেগেছে, বিজয় তার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন।
লোড হচ্ছে...