জাতীয়
দামের সঙ্গে সঙ্গে বাড়ল জ্বালানি সরবরাহ
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
দাম বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই জ্বালানি তেলের মজুদ বাড়িয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। লিটারে ১৫ থেকে ২০ টাকা বাড়ার পরেও ডিজেল,অকটেন,পেট্রল ও কেরোসিনের ভোগান্তি শেষ হয়নি। রবিবারও (১৯ এপ্রিল) ঘণ্টার পর ঘন্টা বিশাল লাইন অতিক্রম করে তেল সংগ্রহ করতে হয় চালকদের।
ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানাবিধ প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে, দাম বাড়ানোর পর কি সরবরাহ বাড়বে? বিপিসি জানিয়েছে,জ্বালানি তেলের মজুত মোটামুটি ভালো। সরবরাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিপিসি আওতাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে অকটেনের সরবরাহ ২০ শতাংশ এবং পেট্রোল ও ডিজেলের সরবরাহ ১০ শতাংশ করে বাড়ানোর কথা বলা হয়ছে। রবিবার রাতে এ সিদ্ধান্ত জানিয়ে তেল সরবরাহ কোম্পানি পদ্মা,মেঘনা ও যমুনাকে চিঠি পাঠানো হয়। ফিলিং স্টেশনগুলো সোমবার থেকেই বাড়তি পরিমাণে তেল পাবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে আক্রমণ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। তার পর থেকে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের ঘাটতি দেখা দেয়। দামও বাড়তে থাকে। সরকার মার্চে তেলের দাম বাড়ায়নি। সরকারের পক্ষ থেকে দাম না বাড়ানোর কথা বলা হয়েছিল।
১৬ এপ্রিল রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘বিশ্বের সব দেশে তেল-ডিজেলের দাম বাড়ানো হলেও আমরা জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে এখন পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত নিইনি। এ খাতে প্রতিদিন শত শত কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে হলেও সরকার চেষ্টা করছে আন্তরিকভাবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে।’
বিশ্ববাজারের সঙ্গে মিল রেখেই প্রতি মাসের শুরুতে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হয়। অথচ মাস শেষ হওয়ার আগেই সরকার গত শনিবার রাতে ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা নির্ধারণ করে। অকটেনের দাম ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৪০ টাকা, পেট্রল ১৯ টাকা বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিনের দাম লিটারে ১৮ টাকা বাড়িয়ে ১৩০ টাকা করা হয়।
বিশ্ববাজারে দাম বাড়ার ফলে দেশেও সরকার দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। রবিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, ‘এটা করতে বাধ্য হয়েছি আমরা; কারণ এটা বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে কিনতে হয়। তাই দাম কিছুটা বাড়িয়ে যাতে সহনীয় জায়গায় থাকতে পারি, সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে।’
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার ২০২২ সালের আগস্টে জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে লিটারে ৩৪ থেকে ৪৬ টাকা বাড়িয়েছিল। তখন দ্রব্যমূল্য অনেকটা বেড়ে যায়।
দেশে জ্বালানি তেল আমদানি ও বিক্রির কাজটি করে সরকার। আমদানির সময় বিভিন্ন ধরনের শুল্ক-কর নেয় সরকার, যার হার ২০ থেকে ২৫ শতাংশ। বিক্রির সময়ও কর নেওয়া হয়। সব থেকে প্রতিবছর মিলিয়ে জ্বালানি তেল ১৩ থেকে ১৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব পায় সরকার। তেল বিক্রির মুনাফা থেকে লভ্যাংশ নেয় সরকার। বিপিসি এবং সংস্থাটির অধীনে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা নামে তিনটি কোম্পানি ডিলারদের মাধ্যমে তেল বিক্রি করে। এ তিনটি কোম্পানিও নিয়মিত মুনাফা করে।
জ্বালানি তেল বিক্রি করে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিপিসি নিট মুনাফা করেছে ৩ হাজার ৯৪৩ কোটি টাকা। ওই অর্থবছরের মার্চ থেকে বিশ্ববাজারের সঙ্গে মিল রেখে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় শুরু হয়। বাজার দামে তেল বিক্রির এ প্রক্রিয়া চালুর পরও কমেনি মুনাফা। গত অর্থবছরে (২০২৪-২৫) ৪ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে মুনাফা। এক দশকের মধ্যে ৯ বছরই মুনাফা করেছে বিপিসি। এর মধ্যে শুধু ২০২১-২২ অর্থবছরে তারা লোকসান করে ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।
বিপিসি সূত্র বলছে, এ বছরের প্রথম ৮ মাসেও ১ হাজার কোটি টাকার বেশি মুনাফা করেছে বিপিসি। যুদ্ধ শুরুর পর মার্চে তাদের ২ হাজার ২০০ কোটি টাকার মতো লোকসান হয়েছে। এপ্রিলে লোকসান আরও বাড়তে পারে। তাই ঘাটতি কমাতে দাম সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন দামে বিপিসির মাসে বাড়তি আয় হতে পারে প্রায় ৭৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ডিজেল থেকে আসবে ৬০০ কোটি টাকার মতো।
দাম বাড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই জ্বালানি তেলের মজুদ বাড়িয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। লিটারে ১৫ থেকে ২০ টাকা বাড়ার পরেও ডিজেল,অকটেন,পেট্রল ও কেরোসিনের ভোগান্তি শেষ হয়নি। রবিবারও (১৯ এপ্রিল) ঘণ্টার পর ঘন্টা বিশাল লাইন অতিক্রম করে তেল সংগ্রহ করতে হয় চালকদের।
ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে নানাবিধ প্রশ্ন তৈরি হচ্ছে, দাম বাড়ানোর পর কি সরবরাহ বাড়বে? বিপিসি জানিয়েছে,জ্বালানি তেলের মজুত মোটামুটি ভালো। সরবরাহ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে। বিপিসি আওতাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে অকটেনের সরবরাহ ২০ শতাংশ এবং পেট্রোল ও ডিজেলের সরবরাহ ১০ শতাংশ করে বাড়ানোর কথা বলা হয়ছে। রবিবার রাতে এ সিদ্ধান্ত জানিয়ে তেল সরবরাহ কোম্পানি পদ্মা,মেঘনা ও যমুনাকে চিঠি পাঠানো হয়। ফিলিং স্টেশনগুলো সোমবার থেকেই বাড়তি পরিমাণে তেল পাবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে আক্রমণ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। তার পর থেকে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের ঘাটতি দেখা দেয়। দামও বাড়তে থাকে। সরকার মার্চে তেলের দাম বাড়ায়নি। সরকারের পক্ষ থেকে দাম না বাড়ানোর কথা বলা হয়েছিল।
১৬ এপ্রিল রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬ প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘বিশ্বের সব দেশে তেল-ডিজেলের দাম বাড়ানো হলেও আমরা জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে এখন পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত নিইনি। এ খাতে প্রতিদিন শত শত কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে হলেও সরকার চেষ্টা করছে আন্তরিকভাবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে।’
বিশ্ববাজারের সঙ্গে মিল রেখেই প্রতি মাসের শুরুতে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় করা হয়। অথচ মাস শেষ হওয়ার আগেই সরকার গত শনিবার রাতে ডিজেলের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা নির্ধারণ করে। অকটেনের দাম ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৪০ টাকা, পেট্রল ১৯ টাকা বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা এবং কেরোসিনের দাম লিটারে ১৮ টাকা বাড়িয়ে ১৩০ টাকা করা হয়।
বিশ্ববাজারে দাম বাড়ার ফলে দেশেও সরকার দাম বাড়াতে বাধ্য হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। রবিবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, ‘এটা করতে বাধ্য হয়েছি আমরা; কারণ এটা বৈদেশিক মুদ্রা দিয়ে কিনতে হয়। তাই দাম কিছুটা বাড়িয়ে যাতে সহনীয় জায়গায় থাকতে পারি, সেই ব্যবস্থা করা হয়েছে।’
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার ২০২২ সালের আগস্টে জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে লিটারে ৩৪ থেকে ৪৬ টাকা বাড়িয়েছিল। তখন দ্রব্যমূল্য অনেকটা বেড়ে যায়।
দেশে জ্বালানি তেল আমদানি ও বিক্রির কাজটি করে সরকার। আমদানির সময় বিভিন্ন ধরনের শুল্ক-কর নেয় সরকার, যার হার ২০ থেকে ২৫ শতাংশ। বিক্রির সময়ও কর নেওয়া হয়। সব থেকে প্রতিবছর মিলিয়ে জ্বালানি তেল ১৩ থেকে ১৪ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব পায় সরকার। তেল বিক্রির মুনাফা থেকে লভ্যাংশ নেয় সরকার। বিপিসি এবং সংস্থাটির অধীনে পদ্মা, মেঘনা ও যমুনা নামে তিনটি কোম্পানি ডিলারদের মাধ্যমে তেল বিক্রি করে। এ তিনটি কোম্পানিও নিয়মিত মুনাফা করে।
জ্বালানি তেল বিক্রি করে ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বিপিসি নিট মুনাফা করেছে ৩ হাজার ৯৪৩ কোটি টাকা। ওই অর্থবছরের মার্চ থেকে বিশ্ববাজারের সঙ্গে মিল রেখে জ্বালানি তেলের দাম সমন্বয় শুরু হয়। বাজার দামে তেল বিক্রির এ প্রক্রিয়া চালুর পরও কমেনি মুনাফা। গত অর্থবছরে (২০২৪-২৫) ৪ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়েছে মুনাফা। এক দশকের মধ্যে ৯ বছরই মুনাফা করেছে বিপিসি। এর মধ্যে শুধু ২০২১-২২ অর্থবছরে তারা লোকসান করে ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকা।
বিপিসি সূত্র বলছে, এ বছরের প্রথম ৮ মাসেও ১ হাজার কোটি টাকার বেশি মুনাফা করেছে বিপিসি। যুদ্ধ শুরুর পর মার্চে তাদের ২ হাজার ২০০ কোটি টাকার মতো লোকসান হয়েছে। এপ্রিলে লোকসান আরও বাড়তে পারে। তাই ঘাটতি কমাতে দাম সমন্বয় করা হয়েছে। নতুন দামে বিপিসির মাসে বাড়তি আয় হতে পারে প্রায় ৭৫০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ডিজেল থেকে আসবে ৬০০ কোটি টাকার মতো।
লোড হচ্ছে...