আদালত
বিপুল জনসমর্থনে ‘হ্যাঁ’ জয়ের পর এবার গণভোটের ফলাফল বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট
NewsView

নিউজভিউ
সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে দেশের সাধারণ মানুষের বিপুল ভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ার মাধ্যমে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নের পথ প্রশস্ত হয়েছে। ৪ কোটি ৮২ লাখেরও বেশি ভোটারের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থনে যেখানে সাংবিধানিক সংস্কারের পক্ষে রায় এসেছে, সেই গণভোটের বৈধতা ও ফলাফলের গেজেট চ্যালেঞ্জ করে এবার হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। ৪ কোটি ৮০ লাখের বেশি ‘হ্যাঁ’ ভোটের বিপরীতে ‘না’ ভোট পড়েছে ২ কোটি ২০ লাখের মতো, অর্থাৎ প্রায় দ্বিগুণেরও বেশি ব্যবধানে দেশের সাধারণ মানুষ প্রস্তাবিত সংস্কারের পক্ষে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।
জনগণের এই বিশাল রায়ের বিপরীতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ বি এম আতাউল মজিদ তৌহিদ গণভোট পরিচালনা ও ফলাফলের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে আবেদনটি দায়ের করেন। মঙ্গলবার বিকেলে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় করা এই রিটে গণভোট-২০২৬ এর ফলাফল বাস্তবায়ন থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। রিটকারী আইনজীবী জানান, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোট এবং ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত ফলাফলের গেজেট স্থগিত ও বাতিল করাই এই আবেদনের মূল লক্ষ্য। বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আগামী সপ্তাহে এই রিটের শুনানি হতে পারে।
রিট আবেদনে সাংবিধানিক স্বচ্ছতা, গণতান্ত্রিক বৈধতা এবং আইনের শাসনের প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকার কোনো সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ বা গণপরিষদ নয়, বরং একটি সাংবিধানিক ট্রাস্টি মাত্র। রিটে উল্লেখ করা হয় যে, বিস্তৃত গণভোট আইন বা বিধিমালার অভাব এবং ভোটারদের পুরোপুরি অবহিত না করেই এই ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে, সাংবিধানিক অনুমোদন ছাড়া ক্ষমতার চর্চা নিয়মবিরুদ্ধ এবং প্রয়োজন বা রাজনৈতিক উত্তরণের দোহাই দিয়ে সংবিধান লঙ্ঘন করা যায় না।
রিট আবেদনে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোট কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা নিয়ে রুল জারির প্রার্থনা করা হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যেকোনো গণভোট আয়োজনের আগে একটি স্পষ্ট সাংবিধানিক ও আইনগত কাঠামো তৈরির নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। এই রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, আইন সচিব ও নির্বাচন কমিশন সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই জাতীয় সনদের প্রস্তাবনাগুলো নিয়ে সাধারণ মানুষের মতামত নিতে এই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলাফল অনুযায়ী, ৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৬০ জন মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে প্রস্তাবিত সংস্কারের প্রতি পূর্ণ আস্থা জানিয়েছেন। বিপরীতে ‘না’ ভোট দিয়েছেন ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬ জন। দেশজুড়ে বিশাল এই জনরায়ের পরেও আইনি এই চ্যালেঞ্জের ফলে এখন সবার নজর উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তের দিকে।
সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে দেশের সাধারণ মানুষের বিপুল ভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ার মাধ্যমে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নের পথ প্রশস্ত হয়েছে। ৪ কোটি ৮২ লাখেরও বেশি ভোটারের স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থনে যেখানে সাংবিধানিক সংস্কারের পক্ষে রায় এসেছে, সেই গণভোটের বৈধতা ও ফলাফলের গেজেট চ্যালেঞ্জ করে এবার হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়েছে। ৪ কোটি ৮০ লাখের বেশি ‘হ্যাঁ’ ভোটের বিপরীতে ‘না’ ভোট পড়েছে ২ কোটি ২০ লাখের মতো, অর্থাৎ প্রায় দ্বিগুণেরও বেশি ব্যবধানে দেশের সাধারণ মানুষ প্রস্তাবিত সংস্কারের পক্ষে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন।
জনগণের এই বিশাল রায়ের বিপরীতে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ বি এম আতাউল মজিদ তৌহিদ গণভোট পরিচালনা ও ফলাফলের বৈধতা নিয়ে হাইকোর্টে আবেদনটি দায়ের করেন। মঙ্গলবার বিকেলে হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় করা এই রিটে গণভোট-২০২৬ এর ফলাফল বাস্তবায়ন থেকে বিরত থাকার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। রিটকারী আইনজীবী জানান, ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোট এবং ১৩ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত ফলাফলের গেজেট স্থগিত ও বাতিল করাই এই আবেদনের মূল লক্ষ্য। বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে আগামী সপ্তাহে এই রিটের শুনানি হতে পারে।
রিট আবেদনে সাংবিধানিক স্বচ্ছতা, গণতান্ত্রিক বৈধতা এবং আইনের শাসনের প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকার কোনো সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ বা গণপরিষদ নয়, বরং একটি সাংবিধানিক ট্রাস্টি মাত্র। রিটে উল্লেখ করা হয় যে, বিস্তৃত গণভোট আইন বা বিধিমালার অভাব এবং ভোটারদের পুরোপুরি অবহিত না করেই এই ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে, সাংবিধানিক অনুমোদন ছাড়া ক্ষমতার চর্চা নিয়মবিরুদ্ধ এবং প্রয়োজন বা রাজনৈতিক উত্তরণের দোহাই দিয়ে সংবিধান লঙ্ঘন করা যায় না।
রিট আবেদনে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোট কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, তা নিয়ে রুল জারির প্রার্থনা করা হয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে যেকোনো গণভোট আয়োজনের আগে একটি স্পষ্ট সাংবিধানিক ও আইনগত কাঠামো তৈরির নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে। এই রিটে মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, আইন সচিব ও নির্বাচন কমিশন সচিবকে বিবাদী করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি জুলাই জাতীয় সনদের প্রস্তাবনাগুলো নিয়ে সাধারণ মানুষের মতামত নিতে এই গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত চূড়ান্ত ফলাফল অনুযায়ী, ৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৬০ জন মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে প্রস্তাবিত সংস্কারের প্রতি পূর্ণ আস্থা জানিয়েছেন। বিপরীতে ‘না’ ভোট দিয়েছেন ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬ জন। দেশজুড়ে বিশাল এই জনরায়ের পরেও আইনি এই চ্যালেঞ্জের ফলে এখন সবার নজর উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তের দিকে।
লোড হচ্ছে...