খেলা
আঘাত পেয়েও পারেদেসের পাশে গাভি
NewsView5

নিউজভিউ ডেস্ক
বিশ্বকাপ ফাইনালের পর মাঠে ঘটে যাওয়া সংঘর্ষের ঘটনায় ফিফার তদন্তের মুখে থাকা আর্জেন্টাইন মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেসকে নিষিদ্ধ না করার আহ্বান জানিয়েছেন স্পেনের তারকা মিডফিল্ডার গাভি। যে খেলোয়াড়ের মুখে পারেদেসের আঘাত লেগেছিল, তিনিই তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিরোধিতা করায় ঘটনাটি নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
ফাইনালের শেষ বাঁশি বাজার পর এরিক গার্সিয়ার সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন পারেদেস। একপর্যায়ে গার্সিয়াকে ঘুষি মারার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। পরিস্থিতি শান্ত করতে স্পেনের খেলোয়াড়রা এগিয়ে এলে উত্তেজনা আরও ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় থিয়াগো আলমাদা গাভিকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। পরে পারেদেস গাভির মুখেও আঘাত করেন। আঘাতে গাভি মাঠে লুটিয়ে পড়েন এবং সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার পর ম্যাচ-পরবর্তী অসদাচরণের অভিযোগে তদন্ত শুরু করে ফিফা। তদন্তের আওতায় রয়েছেন আর্জেন্টিনার একাধিক ফুটবলার। তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে স্পেনের শিরোপা উদ্যাপনের সময় রেডিও স্টেশন ‘এল পার্তিদাজো দে কোপে’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গাভি বলেন, ‘আমি মনে করি না পারেদেসকে নিষিদ্ধ করা উচিত। ঘটনাটি অবশ্যই সুন্দর ছিল না। কিন্তু ফুটবলে এমন উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্ত দেখা যায়। ম্যাচ চলাকালে লাল কার্ড দেখানো হলে সেটিই যথেষ্ট শাস্তি হতো। এসব কখনো কখনো খেলারই অংশ।’
গাভির এমন মন্তব্যের পরও আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের আচরণের সমালোচনা থামেনি। আইটিভিতে সাবেক ইংল্যান্ড ডিফেন্ডার গ্যারি নেভিল পুরো ঘটনাকে ‘লজ্জাজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন। আর ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক অ্যালান শিয়ারারের মতে, ফাইনালের পর আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের আচরণ ছিল ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’।
এদিকে দেশে ফিরে বোকা জুনিয়র্সে যোগ দিয়েছেন পারেদেস। ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বিশ্বকাপ জিততে না পারার হতাশা প্রকাশ করে লেখেন, ‘আমরা দেশের মানুষকে যে আনন্দ দিতে চেয়েছিলাম, তা দিতে পারিনি। কিন্তু শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সর্বস্ব দিয়ে লড়েছি এবং আর্জেন্টিনার জার্সির মর্যাদা রক্ষার চেষ্টা করেছি।’
তবে ফাইনালের পর সংঘর্ষ কিংবা নিজের বিতর্কিত আচরণ নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি আর্জেন্টিনার এই মিডফিল্ডার।
ফাইনালের শেষ বাঁশি বাজার পর এরিক গার্সিয়ার সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন পারেদেস। একপর্যায়ে গার্সিয়াকে ঘুষি মারার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। পরিস্থিতি শান্ত করতে স্পেনের খেলোয়াড়রা এগিয়ে এলে উত্তেজনা আরও ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় থিয়াগো আলমাদা গাভিকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। পরে পারেদেস গাভির মুখেও আঘাত করেন। আঘাতে গাভি মাঠে লুটিয়ে পড়েন এবং সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার পর ম্যাচ-পরবর্তী অসদাচরণের অভিযোগে তদন্ত শুরু করে ফিফা। তদন্তের আওতায় রয়েছেন আর্জেন্টিনার একাধিক ফুটবলার। তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তবে স্পেনের শিরোপা উদ্যাপনের সময় রেডিও স্টেশন ‘এল পার্তিদাজো দে কোপে’-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গাভি বলেন, ‘আমি মনে করি না পারেদেসকে নিষিদ্ধ করা উচিত। ঘটনাটি অবশ্যই সুন্দর ছিল না। কিন্তু ফুটবলে এমন উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্ত দেখা যায়। ম্যাচ চলাকালে লাল কার্ড দেখানো হলে সেটিই যথেষ্ট শাস্তি হতো। এসব কখনো কখনো খেলারই অংশ।’
গাভির এমন মন্তব্যের পরও আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের আচরণের সমালোচনা থামেনি। আইটিভিতে সাবেক ইংল্যান্ড ডিফেন্ডার গ্যারি নেভিল পুরো ঘটনাকে ‘লজ্জাজনক’ বলে মন্তব্য করেছেন। আর ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক অ্যালান শিয়ারারের মতে, ফাইনালের পর আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়দের আচরণ ছিল ‘একেবারেই অগ্রহণযোগ্য’।
এদিকে দেশে ফিরে বোকা জুনিয়র্সে যোগ দিয়েছেন পারেদেস। ইনস্টাগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বিশ্বকাপ জিততে না পারার হতাশা প্রকাশ করে লেখেন, ‘আমরা দেশের মানুষকে যে আনন্দ দিতে চেয়েছিলাম, তা দিতে পারিনি। কিন্তু শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সর্বস্ব দিয়ে লড়েছি এবং আর্জেন্টিনার জার্সির মর্যাদা রক্ষার চেষ্টা করেছি।’
তবে ফাইনালের পর সংঘর্ষ কিংবা নিজের বিতর্কিত আচরণ নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি আর্জেন্টিনার এই মিডফিল্ডার।
লোড হচ্ছে...