নারায়ণগঞ্জসদর
রাজনীতি কেবল আমানত, টাকা কামানোর হাতিয়ার নয়: এবিএম সিরাজুল মামুন
NewsView

নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী ও খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব এবিএম সিরাজুল মামুন রাজনীতির বাণিজ্যিকীকরণ নিয়ে কঠোর মন্তব্য করেছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ইসলামে নেতৃত্বকে ক্ষমতা বা অর্থ উপার্জনের মাধ্যম হিসেবে দেখা হয় না; বরং এটি জনগণের প্রতি দেওয়া একটি পবিত্র আমানত।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) বাদ আসর নাসিক ১২ নং ওয়ার্ডের ইসদাইর এলাকায় আয়োজিত গণসংযোগ ও সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এবিএম সিরাজুল মামুন বলেন, "ইসলাম নেতৃত্বকে আমানত মনে করে, এটা ক্ষমতার দম্ভ দেখানোর জিনিস নয়, এটা টাকা কামানোর হাতিয়ার নয়।"
তিনি আফসোস প্রকাশ করে বলেন, "আজকে রাজনীতির দূরভাগ্যে হলো ৫৪ বছরে এ জাতির কল্যানে [যোগ্য নেতৃত্ব] এজন্য আসেনি, যারা রাজনীতি করে তারা এটাকে টাকা কামানোর বিজনেস মনে করে।"
নির্বাচনী সময়ে কিছু নেতার আচরণ পরিবর্তনের বিষয়ে তিনি ইঙ্গিত করে বলেন, "নির্বাচানের মাঠে নতুন নতুন টুপিওয়ালা মুসল্লি দেখবেন। নির্বাচান গেলে তাদের টুপি নেই।"
ব্যক্তিগত সততার প্রশ্নে তিনি বলেন, "চারোদিকে টাকার ছড়াছড়ি, আমি এখনো পর্যন্ত এক টাকাও খরচ করিনি। তবে আমি আপনাদের আমানত খেয়ানত করবোনা কথা দিচ্ছি।"
সমাবেশ শেষে একটি গণসংযোগ ইসদাইর বাজার, পৌর স্টোডিয়াম হয়ে অক্টো অফিস এসে শেষ হয়। এই গণসংযোগে সাধারণ ভোটারদের ব্যাপক সারা পাওয়া যায়।
মহানগর খেলাফত মজলিসের সহ-সাধারণ সম্পাদক মুফতী শেখ শাব্বীর আহমাদ-এর সঞ্চালনায় এই সমাবেশ ও গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন, জেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা আহমদ আলী, মহানগর সভাপতি হাফেজ কবির হোসেন, সহ-সভাপতি অধ্যাপক শাহ আলম, ডাক্তার শামীম ভূঁইয়া, সদর থানা সভাপতি মুফতী আব্দুল কাইয়ূম, ফতুল্লা থানা সভাপতি কামরুল হাসান পায়েল, মহানগর সহ-সাধারণ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ খান, মুহাম্মদ শরীফ মিয়াজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আব্দুল ওয়াদুদ, সদর থানা সাধারণ সম্পাদক খন্দকার হাফেজ আওলাদ ও ইসলামী যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক মাইদুল ইসলাম প্রমুখ।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) বাদ আসর নাসিক ১২ নং ওয়ার্ডের ইসদাইর এলাকায় আয়োজিত গণসংযোগ ও সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এবিএম সিরাজুল মামুন বলেন, "ইসলাম নেতৃত্বকে আমানত মনে করে, এটা ক্ষমতার দম্ভ দেখানোর জিনিস নয়, এটা টাকা কামানোর হাতিয়ার নয়।"
তিনি আফসোস প্রকাশ করে বলেন, "আজকে রাজনীতির দূরভাগ্যে হলো ৫৪ বছরে এ জাতির কল্যানে [যোগ্য নেতৃত্ব] এজন্য আসেনি, যারা রাজনীতি করে তারা এটাকে টাকা কামানোর বিজনেস মনে করে।"
নির্বাচনী সময়ে কিছু নেতার আচরণ পরিবর্তনের বিষয়ে তিনি ইঙ্গিত করে বলেন, "নির্বাচানের মাঠে নতুন নতুন টুপিওয়ালা মুসল্লি দেখবেন। নির্বাচান গেলে তাদের টুপি নেই।"
ব্যক্তিগত সততার প্রশ্নে তিনি বলেন, "চারোদিকে টাকার ছড়াছড়ি, আমি এখনো পর্যন্ত এক টাকাও খরচ করিনি। তবে আমি আপনাদের আমানত খেয়ানত করবোনা কথা দিচ্ছি।"
সমাবেশ শেষে একটি গণসংযোগ ইসদাইর বাজার, পৌর স্টোডিয়াম হয়ে অক্টো অফিস এসে শেষ হয়। এই গণসংযোগে সাধারণ ভোটারদের ব্যাপক সারা পাওয়া যায়।
মহানগর খেলাফত মজলিসের সহ-সাধারণ সম্পাদক মুফতী শেখ শাব্বীর আহমাদ-এর সঞ্চালনায় এই সমাবেশ ও গণসংযোগে উপস্থিত ছিলেন, জেলা সভাপতি হাফেজ মাওলানা আহমদ আলী, মহানগর সভাপতি হাফেজ কবির হোসেন, সহ-সভাপতি অধ্যাপক শাহ আলম, ডাক্তার শামীম ভূঁইয়া, সদর থানা সভাপতি মুফতী আব্দুল কাইয়ূম, ফতুল্লা থানা সভাপতি কামরুল হাসান পায়েল, মহানগর সহ-সাধারণ সম্পাদক নুর মোহাম্মদ খান, মুহাম্মদ শরীফ মিয়াজী, সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আব্দুল ওয়াদুদ, সদর থানা সাধারণ সম্পাদক খন্দকার হাফেজ আওলাদ ও ইসলামী যুব মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক মাইদুল ইসলাম প্রমুখ।
লোড হচ্ছে...