শিল্প-সাহিত্য-সংস্কৃতি
সুরের রেশ রেখে শেষ হলো লক্ষ্যাপারের সংগীত সম্মিলন
NewsView

নিউজভিউ
সুরের রেশ রেখে শেষ হলো লক্ষ্যাপারের সংগীত সম্মিলন। এবার প্রতিবাদ্য ছিল ‘লোকসংগীত শাস্ত্রীয় সংগীতের অন্যতম উৎসধারা’। পঞ্চদশ এই বার্ষিক শাস্ত্রীয় সংগীত সম্মিলন ২০২৬ এর দুই দিনব্যাপী আয়োজন শেষ হয়েছে গত ৩০ জানুয়ারি রাতে। এ সময় সুর-তাল-লয়ের গভীর মূর্ছনায় মন্ত্রমুগ্ধ শ্রোতারা। এবারের সম্মিলনটি উৎসর্গ করা হয় কালজয়ী বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিমের স্মৃতির উদ্দেশ্যে।

সম্মিলনের প্রথম অধিবেশন গত ২৯ জানুয়ারি বিকেলে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে উন্মুক্ত পরিবেশে শুরু হয়। দ্বিতীয় ও সমাপনী অধিবেশনটি গত শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) শহরের আলী আহাম্মদ চুনকা নগর পাঠাগার ও মিলনায়তনের পরীক্ষণ থিয়েটার হলে অনুষ্ঠিত হয়।
দ্বিতীয় অধিবেশনের শুরুতেই নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রায় ৪০ জন শিক্ষার্থীর সম্মিলিত লোক ও শাস্ত্রীয় সংগীতের পরিবেশনা এক স্নিগ্ধ আবহ তৈরি করে। চা বিরতির পর মঞ্চে আসেন ‘লক্ষ্যাপার পরম্পরা’র শিক্ষার্থীরা। তাদের কণ্ঠে ‘রাগ ভীমপলশ্রী’র সম্মেলক পরিবেশনা মিলনায়তনের ভেতর এক গভীর ও ধ্রুপদী পরিবেশ তৈরি করে।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ফাহমিদা নাজনীন ও নুসরাত ই জাহান খুশবুর দ্বৈত তবলা লহর। দুই নারী তবলাবাদকের ছন্দময় সংলাপ ও তালের নিখুঁত আদান-প্রদান শ্রোতাদের শাস্ত্রীয় সংগীতের শুদ্ধ ব্যাকরণ ও সাধনার পরিচয় দেয়। এরপর আশিকুল ইসলাম আবীর এস্রাজে ‘রাগ কিরওয়ানী’ পরিবেশন করেন। এস্রাজের দীর্ঘ ও নির্মল ধ্বনি শ্রোতাদের মনে এক বিষণ্ন অথচ প্রশান্ত আবেশ জাগিয়ে তোলে।
কণ্ঠসংগীতে শ্রাবন্তী ধর ‘রাগ মূলতানী’র গাম্ভীর্য ও বৈরাগ্য ফুটিয়ে তোলেন। অন্যদিকে, রিফাত আহমেদ ইমন ‘রাগ বেহাগ’ পরিবেশনের মাধ্যমে রাতের প্রশান্তি ও রাগের কোমল রূপটি চমৎকারভাবে তুলে ধরেন। বাঁশিতে রণধীর দাসের ‘রাগ আভোগী কানাড়া’র সুর যেন প্রকৃতির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে।
শাস্ত্রীয় সংগীতের প্রাচীন শেকড়ের সন্ধানে ধ্রুপদ শৈলীতে ‘রাগ ভূপালী’ পরিবেশন করেন সৌমিতা বোস। তাঁর কণ্ঠের আধ্যাত্মিকতা ও বিশুদ্ধতা শ্রোতাদের নিঃশব্দ শ্রবণে একাগ্র করে রাখে। সবশেষে সেতার হাতে মঞ্চে আসেন গুণী শিল্পী নিশিত দে। তাঁর আঙুলের ছোঁয়ায় সেতারের তারে তারে ‘রাগ কৌশি কানাড়া’ হয়ে ওঠে রাতের ভাষা। সেতারের প্রতিটি মীড় ও ঝংকার রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে শ্রোতাদের এক অপূর্ব ভোরের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যায়।

লক্ষ্যাপারের এই পঞ্চদশ আয়োজনটি কেবল একটি সংগীতানুষ্ঠান নয়, বরং এটি ছিল সুরের মাধ্যমে অন্তরের গভীর অনুসন্ধানের এক সার্থক যাত্রা। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলা এই সম্মিলন শেষেও সুরের রেশ থেকে যায় শ্রোতাদের হৃদয়ে।
সুরের রেশ রেখে শেষ হলো লক্ষ্যাপারের সংগীত সম্মিলন। এবার প্রতিবাদ্য ছিল ‘লোকসংগীত শাস্ত্রীয় সংগীতের অন্যতম উৎসধারা’। পঞ্চদশ এই বার্ষিক শাস্ত্রীয় সংগীত সম্মিলন ২০২৬ এর দুই দিনব্যাপী আয়োজন শেষ হয়েছে গত ৩০ জানুয়ারি রাতে। এ সময় সুর-তাল-লয়ের গভীর মূর্ছনায় মন্ত্রমুগ্ধ শ্রোতারা। এবারের সম্মিলনটি উৎসর্গ করা হয় কালজয়ী বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিমের স্মৃতির উদ্দেশ্যে।

সম্মিলনের প্রথম অধিবেশন গত ২৯ জানুয়ারি বিকেলে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে উন্মুক্ত পরিবেশে শুরু হয়। দ্বিতীয় ও সমাপনী অধিবেশনটি গত শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) শহরের আলী আহাম্মদ চুনকা নগর পাঠাগার ও মিলনায়তনের পরীক্ষণ থিয়েটার হলে অনুষ্ঠিত হয়।
দ্বিতীয় অধিবেশনের শুরুতেই নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রায় ৪০ জন শিক্ষার্থীর সম্মিলিত লোক ও শাস্ত্রীয় সংগীতের পরিবেশনা এক স্নিগ্ধ আবহ তৈরি করে। চা বিরতির পর মঞ্চে আসেন ‘লক্ষ্যাপার পরম্পরা’র শিক্ষার্থীরা। তাদের কণ্ঠে ‘রাগ ভীমপলশ্রী’র সম্মেলক পরিবেশনা মিলনায়তনের ভেতর এক গভীর ও ধ্রুপদী পরিবেশ তৈরি করে।
অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ফাহমিদা নাজনীন ও নুসরাত ই জাহান খুশবুর দ্বৈত তবলা লহর। দুই নারী তবলাবাদকের ছন্দময় সংলাপ ও তালের নিখুঁত আদান-প্রদান শ্রোতাদের শাস্ত্রীয় সংগীতের শুদ্ধ ব্যাকরণ ও সাধনার পরিচয় দেয়। এরপর আশিকুল ইসলাম আবীর এস্রাজে ‘রাগ কিরওয়ানী’ পরিবেশন করেন। এস্রাজের দীর্ঘ ও নির্মল ধ্বনি শ্রোতাদের মনে এক বিষণ্ন অথচ প্রশান্ত আবেশ জাগিয়ে তোলে।
কণ্ঠসংগীতে শ্রাবন্তী ধর ‘রাগ মূলতানী’র গাম্ভীর্য ও বৈরাগ্য ফুটিয়ে তোলেন। অন্যদিকে, রিফাত আহমেদ ইমন ‘রাগ বেহাগ’ পরিবেশনের মাধ্যমে রাতের প্রশান্তি ও রাগের কোমল রূপটি চমৎকারভাবে তুলে ধরেন। বাঁশিতে রণধীর দাসের ‘রাগ আভোগী কানাড়া’র সুর যেন প্রকৃতির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে।
শাস্ত্রীয় সংগীতের প্রাচীন শেকড়ের সন্ধানে ধ্রুপদ শৈলীতে ‘রাগ ভূপালী’ পরিবেশন করেন সৌমিতা বোস। তাঁর কণ্ঠের আধ্যাত্মিকতা ও বিশুদ্ধতা শ্রোতাদের নিঃশব্দ শ্রবণে একাগ্র করে রাখে। সবশেষে সেতার হাতে মঞ্চে আসেন গুণী শিল্পী নিশিত দে। তাঁর আঙুলের ছোঁয়ায় সেতারের তারে তারে ‘রাগ কৌশি কানাড়া’ হয়ে ওঠে রাতের ভাষা। সেতারের প্রতিটি মীড় ও ঝংকার রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে শ্রোতাদের এক অপূর্ব ভোরের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যায়।

লক্ষ্যাপারের এই পঞ্চদশ আয়োজনটি কেবল একটি সংগীতানুষ্ঠান নয়, বরং এটি ছিল সুরের মাধ্যমে অন্তরের গভীর অনুসন্ধানের এক সার্থক যাত্রা। দীর্ঘক্ষণ ধরে চলা এই সম্মিলন শেষেও সুরের রেশ থেকে যায় শ্রোতাদের হৃদয়ে।
লোড হচ্ছে...