রাজনীতিসদর
নারায়ণগঞ্জ অর্থনীতির কেন্দ্র হলেও উন্নয়ন নেই: প্রতিমন্ত্রী নুর
NHP NewsView

নিউজভিউ
জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে রাজনৈতিক বিভাজন ও সংঘাতের পথ পরিহার করে মেধা ও যুক্তির ভিত্তিতে পরিকল্পিত নগর গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। বুধবার (১১ মার্চ) বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে গণঅধিকার পরিষদ আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী নুর নারায়ণগঞ্জের সাথে তাঁর দীর্ঘদিনের সংগ্রামের স্মৃতিচারণ করে বলেন, "কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু করে জুলাই অভ্যুত্থান পর্যন্ত প্রতিটি লড়াইয়ে নারায়ণগঞ্জের ছাত্র-জনতা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, দেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র হওয়া সত্ত্বেও গত দুই দশকে এই শহরটিকে নিয়ে কোনো পরিকল্পিত মহাপরিকল্পনা নেওয়া হয়নি।"
শহরের পরিবেশগত বিপর্যয় নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, "বুড়িগঙ্গা আগেই শেষ হয়ে গিয়েছে, শীতলক্ষ্যাও এখন মৃতপ্রায়। এখন আমাদের পানির জন্য মেঘনার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। যদি মেঘনার পানিও দূষিত হয়ে যায়, তবে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের মানুষকে বঙ্গোপসাগর থেকে পানি এনে খেতে হবে। এই ভয়াবহ সংকট এড়াতে নদী দখল ও দূষণমুক্ত করতে সংসদ সদস্যদের জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে।" এছাড়াও যানজট নিরসন ও সরকারি জমি-খাল দখলমুক্ত রাখতে সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মীদের পাহারাদারের ভূমিকা পালনের অনুরোধ জানান তিনি।
রাজনীতির ভবিষ্যৎ গতিপথ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "রাজপথের লড়াই শেষ হয়েছে, এখন লড়াই মেধার। নতুন বাংলাদেশে সংসদ হবে গঠনমূলক রাষ্ট্র সংস্কার ও পলিসি ডিবেটের জায়গা। সরকার বা বিরোধী দলের মৌলিক চিন্তা এখন কাছাকাছি। তাই অযথা বিদ্বেষ জিইয়ে রেখে সংঘাতের রাজনীতিতে আর ফেরা যাবে না। আমাদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।"
গণঅধিকার পরিষদের জেলা সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার নাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অঙ্গনের এক ব্যতিক্রমী মেলবন্ধন দেখা যায়। উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী।
এছাড়াও সংহতি প্রকাশ করে অনুষ্ঠানে যোগ দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, যুগ্ম আহ্বায়ক মাশুকুল ইসলাম রাজীব, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু, বিকেএমইএ’র সহসভাপতি মোর্শেদ সারোয়ার সোহেল এবং চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক আহমেদুর রহমান তনু। আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের মুফতি মাছুম বিল্লাহ, গণসংহতি আন্দোলনের তারিকুল ইসলাম সুজন, সুজনের ধীমান সাহা জুয়েল, এনসিপি সংগঠক শওকত আলী, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের হাফেজ আব্দুল মোমিন এবং ছাত্রশক্তির আমিনুল ইসলামসহ বিভিন্ন সংগঠনের শীর্ষ নেতারা।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী নতুন বাংলাদেশে রাজনৈতিক বিভাজন ও সংঘাতের পথ পরিহার করে মেধা ও যুক্তির ভিত্তিতে পরিকল্পিত নগর গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুর। বুধবার (১১ মার্চ) বিকেলে জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে গণঅধিকার পরিষদ আয়োজিত ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী নুর নারায়ণগঞ্জের সাথে তাঁর দীর্ঘদিনের সংগ্রামের স্মৃতিচারণ করে বলেন, "কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু করে জুলাই অভ্যুত্থান পর্যন্ত প্রতিটি লড়াইয়ে নারায়ণগঞ্জের ছাত্র-জনতা সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয়, দেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র হওয়া সত্ত্বেও গত দুই দশকে এই শহরটিকে নিয়ে কোনো পরিকল্পিত মহাপরিকল্পনা নেওয়া হয়নি।"
শহরের পরিবেশগত বিপর্যয় নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, "বুড়িগঙ্গা আগেই শেষ হয়ে গিয়েছে, শীতলক্ষ্যাও এখন মৃতপ্রায়। এখন আমাদের পানির জন্য মেঘনার ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। যদি মেঘনার পানিও দূষিত হয়ে যায়, তবে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের মানুষকে বঙ্গোপসাগর থেকে পানি এনে খেতে হবে। এই ভয়াবহ সংকট এড়াতে নদী দখল ও দূষণমুক্ত করতে সংসদ সদস্যদের জোরালো ভূমিকা রাখতে হবে।" এছাড়াও যানজট নিরসন ও সরকারি জমি-খাল দখলমুক্ত রাখতে সামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মীদের পাহারাদারের ভূমিকা পালনের অনুরোধ জানান তিনি।
রাজনীতির ভবিষ্যৎ গতিপথ নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, "রাজপথের লড়াই শেষ হয়েছে, এখন লড়াই মেধার। নতুন বাংলাদেশে সংসদ হবে গঠনমূলক রাষ্ট্র সংস্কার ও পলিসি ডিবেটের জায়গা। সরকার বা বিরোধী দলের মৌলিক চিন্তা এখন কাছাকাছি। তাই অযথা বিদ্বেষ জিইয়ে রেখে সংঘাতের রাজনীতিতে আর ফেরা যাবে না। আমাদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।"
গণঅধিকার পরিষদের জেলা সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার নাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে নারায়ণগঞ্জের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক অঙ্গনের এক ব্যতিক্রমী মেলবন্ধন দেখা যায়। উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, সিটি করপোরেশনের প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন খান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী।
এছাড়াও সংহতি প্রকাশ করে অনুষ্ঠানে যোগ দেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ, যুগ্ম আহ্বায়ক মাশুকুল ইসলাম রাজীব, মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু, বিকেএমইএ’র সহসভাপতি মোর্শেদ সারোয়ার সোহেল এবং চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক আহমেদুর রহমান তনু। আরও উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের মুফতি মাছুম বিল্লাহ, গণসংহতি আন্দোলনের তারিকুল ইসলাম সুজন, সুজনের ধীমান সাহা জুয়েল, এনসিপি সংগঠক শওকত আলী, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের হাফেজ আব্দুল মোমিন এবং ছাত্রশক্তির আমিনুল ইসলামসহ বিভিন্ন সংগঠনের শীর্ষ নেতারা।
লোড হচ্ছে...