নারায়ণগঞ্জসদর
নারায়ণগঞ্জে তরুণদের ব্যতিক্রমি সমাবেশ
‘আনন্দ হোক নিরাপদ, কোনো প্রাণের বিনিময়ে নয়’
NewsView

নিউজভিউ
ঘড়ির কাঁটা ১২টা ছুঁলেই মেতে উঠবে আকাশ—আলোর ঝলকানি আর কানফাটা শব্দে বরণ করে নেওয়া হবে নতুন বছরকে। কিন্তু এই আনন্দ যখন অন্যের জন্য আতঙ্কে রূপ নেয়, তখন তা আর উৎসব থাকে না। থার্টি ফার্স্ট নাইটে আতশবাজির শব্দে পাখির মৃত্যু, হৃদরোগী ও শিশুদের আতঙ্ক এবং ফানুসের আগুনে জানমালের ঝুঁকি বন্ধের দাবিতে সোচ্চার হয়েছে নারায়ণগঞ্জের একঝাঁক স্বপ্নবাজ তরুণ।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের চাষাড়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে 'কথন সামাজিক-সাংস্কৃতিক কেন্দ্র'-এর উদ্যোগে এক সচেতনতামূলক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। একঝাঁক সৃজনশীল ও প্রাণবন্ত তরুণের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে দাবি তোলা হয়—আতশবাজি ও ফানুসমুক্ত নিরাপদ এবং মানবিক নতুন বছর উদযাপনের।
সমাবেশে বক্তারা অত্যন্ত আবেগ ও যুক্তিনির্ভর কণ্ঠে বলেন, "নতুন বছর আমাদের জীবনে আনন্দ, মানবিকতা ও দায়িত্বশীলতার আলো বয়ে আনুক। তবে এই আনন্দ উদযাপনের সময় যেন কোনো প্রাণের জন্য তা ভয় বা বিপদের কারণ না হয়ে ওঠে—সেদিকে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। রাষ্ট্রকেও সেই নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি করার আইনি বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করতে হবে।"
কথন-এর তরুণ কর্মীরা তাঁদের বক্তব্যে প্রতি বছরের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন, গত কয়েক বছরে দেখা গেছে আতশবাজির তীব্র শব্দে অসংখ্য নিরীহ পাখি ও প্রাণীর মৃত্যু ঘটে, অনেক প্রাণী আতঙ্কে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়। এছাড়া ফানুসের আগুনের ফুলকি মানুষের জীবন ও সম্পদের জন্য গুরুতর ঝুঁকি সৃষ্টি করে, যা বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। পরিবেশের এই অপূরণীয় ক্ষতি রোধ করা এখন সময়ের দাবি।
সমাবেশ থেকে সমাজের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বলেন, "নতুন বছর হওয়া উচিত জীবনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার প্রতিজ্ঞার সময়। শব্দদূষণ ও আগুনের ঝুঁকি এড়িয়ে পরিবেশবান্ধব, নিরাপদ ও মানবিক উপায়ে নতুন বছর উদযাপন করাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।"
বক্তারা আরও যোগ করেন, "আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়া হোক—কিন্তু কোনো প্রাণের বিনিময়ে নয়। দায়িত্বশীল আচরণের মধ্য দিয়ে এমন একটি নতুন বছরের সূচনা করতে হবে, যেখানে মানুষ, প্রকৃতি ও সকল জীব নিরাপদ থাকবে।"
শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে তরুণদের এই সুশৃঙ্খল এবং সচেতনতামূলক অবস্থান সাধারণ মানুষের নজর কাড়ে। অনেকেই এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলছেন, সুস্থ সমাজ গড়তে একঝাঁক তরুণের এমন মানবিক ও পরিবেশবাদী কার্যক্রম সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।
ঘড়ির কাঁটা ১২টা ছুঁলেই মেতে উঠবে আকাশ—আলোর ঝলকানি আর কানফাটা শব্দে বরণ করে নেওয়া হবে নতুন বছরকে। কিন্তু এই আনন্দ যখন অন্যের জন্য আতঙ্কে রূপ নেয়, তখন তা আর উৎসব থাকে না। থার্টি ফার্স্ট নাইটে আতশবাজির শব্দে পাখির মৃত্যু, হৃদরোগী ও শিশুদের আতঙ্ক এবং ফানুসের আগুনে জানমালের ঝুঁকি বন্ধের দাবিতে সোচ্চার হয়েছে নারায়ণগঞ্জের একঝাঁক স্বপ্নবাজ তরুণ।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের চাষাড়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে 'কথন সামাজিক-সাংস্কৃতিক কেন্দ্র'-এর উদ্যোগে এক সচেতনতামূলক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। একঝাঁক সৃজনশীল ও প্রাণবন্ত তরুণের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে দাবি তোলা হয়—আতশবাজি ও ফানুসমুক্ত নিরাপদ এবং মানবিক নতুন বছর উদযাপনের।
সমাবেশে বক্তারা অত্যন্ত আবেগ ও যুক্তিনির্ভর কণ্ঠে বলেন, "নতুন বছর আমাদের জীবনে আনন্দ, মানবিকতা ও দায়িত্বশীলতার আলো বয়ে আনুক। তবে এই আনন্দ উদযাপনের সময় যেন কোনো প্রাণের জন্য তা ভয় বা বিপদের কারণ না হয়ে ওঠে—সেদিকে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। রাষ্ট্রকেও সেই নিরাপদ পরিবেশ সৃষ্টি করার আইনি বাধ্যবাধকতা নিশ্চিত করতে হবে।"
কথন-এর তরুণ কর্মীরা তাঁদের বক্তব্যে প্রতি বছরের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে বলেন, গত কয়েক বছরে দেখা গেছে আতশবাজির তীব্র শব্দে অসংখ্য নিরীহ পাখি ও প্রাণীর মৃত্যু ঘটে, অনেক প্রাণী আতঙ্কে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়। এছাড়া ফানুসের আগুনের ফুলকি মানুষের জীবন ও সম্পদের জন্য গুরুতর ঝুঁকি সৃষ্টি করে, যা বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ডের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। পরিবেশের এই অপূরণীয় ক্ষতি রোধ করা এখন সময়ের দাবি।
সমাবেশ থেকে সমাজের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বলেন, "নতুন বছর হওয়া উচিত জীবনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার প্রতিজ্ঞার সময়। শব্দদূষণ ও আগুনের ঝুঁকি এড়িয়ে পরিবেশবান্ধব, নিরাপদ ও মানবিক উপায়ে নতুন বছর উদযাপন করাই হোক আমাদের অঙ্গীকার।"
বক্তারা আরও যোগ করেন, "আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়া হোক—কিন্তু কোনো প্রাণের বিনিময়ে নয়। দায়িত্বশীল আচরণের মধ্য দিয়ে এমন একটি নতুন বছরের সূচনা করতে হবে, যেখানে মানুষ, প্রকৃতি ও সকল জীব নিরাপদ থাকবে।"
শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে তরুণদের এই সুশৃঙ্খল এবং সচেতনতামূলক অবস্থান সাধারণ মানুষের নজর কাড়ে। অনেকেই এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়ে বলছেন, সুস্থ সমাজ গড়তে একঝাঁক তরুণের এমন মানবিক ও পরিবেশবাদী কার্যক্রম সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।
লোড হচ্ছে...