জাতীয়
তাসনিম জারার ইশতেহার ঘোষণা, সমস্যার সঙ্গে তুলে ধরেছেন সমাধান
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ (খিলগাঁও, সবুজবাগ ও মুগদা) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নিজের বিশদ নির্বাচনী ইশতেহার ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন জনপ্রিয় চিকিৎসক ডা. তাসনিম জারা। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ‘ফুটবল’ প্রতীকের এই প্রার্থী এলাকার পুঞ্জীভূত সমস্যা ও তার বিজ্ঞানসম্মত সমাধানের একটি পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, তাঁর এই ইশতেহার কোনো গতানুগতিক ‘ফাঁকা বুলি’ নয়, বরং এটি এলাকাবাসীর সঙ্গে তাঁর একটি অলিখিত সামাজিক চুক্তি।
ইশতেহারে ডা. তাসনিম জারা খিলগাঁও-বাসাবো এলাকার দীর্ঘদিনের গ্যাস সংকট ও রাস্তার দুরবস্থাকে প্রধান গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, প্রতি মাসে বিল পরিশোধ করলেও চুলা জ্বালালে গ্যাস পাওয়া যায় না, যা এক ধরনের নাগরিক প্রতারণা। নির্বাচিত হলে সংসদে তাঁর প্রথম কাজ হবে ‘সেবা না দিলে বিল নেই’ (No Service, No Bill) নীতি প্রবর্তন করা। তিতাস গ্যাস দিতে ব্যর্থ হলে বিল মওকুফ এবং সিন্ডিকেট ভেঙে ভর্তুকি মূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং রাস্তা সংস্কারের কাজে নির্দিষ্ট ‘ডেডলাইন’ নিশ্চিত করার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হলে ঠিকাদারকে জরিমানা গুনতে হবে।
স্বাস্থ্যসেবায় বিপ্লব ও ডেঙ্গু নির্মূলে স্থায়ী পরিকল্পনা
একজন পেশাদার চিকিৎসক হিসেবে স্বাস্থ্য খাতকে আমূল বদলে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছেন তাসনিম জারা। ঢাকা-৯ এলাকার বিশাল জনগোষ্টীর বিপরীতে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে তিনি এই হাসপাতালকে একটি আদর্শ সেবাকেন্দ্রে রূপান্তরের প্রতিশ্রুতি দেন। পাড়ার ছোট ক্লিনিকগুলোকে আধুনিকায়নের মাধ্যমে ‘মিনি-হাসপাতাল’ করার পাশাপাশি তিনি সারা বছর মশা নিধনে একটি ‘স্থায়ী ডেঙ্গু টাস্কফোর্স’ গঠনের কথা বলেন। তাঁর পরিকল্পনা অনুযায়ী, বর্ষার অপেক্ষা না করে সারা বছর ড্রেন পরিষ্কার ও লার্ভা নিধনের কাজ চলবে যাতে প্রিয়জনদের ডেঙ্গুতে হারাতে না হয়।
নিরাপদ জনপদ ও মাদক মুক্ত সমাজ
এলাকার অলিগলিতে মাদক সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য এবং সন্ধ্যার পর নারী ও শিশুদের চলাচলের নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এই প্রার্থী। তিনি স্কুল-কলেজ ও গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলোতে সিসি ক্যামেরা এবং উচ্চ-ক্ষমতার ল্যাম্পপোস্ট বসিয়ে ‘নিরাপদ করিডোর’ তৈরির ঘোষণা দেন। মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ এবং আসক্তদের সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা তাঁর ইশতেহারে রয়েছে। এছাড়া গণপরিবহনে নারীদের জন্য নিরাপদ যাতায়াত ও সংরক্ষিত আসন নিশ্চিত করতে কাজ করার কথা জানান তিনি।
শিক্ষা ও আগামীর স্মার্ট প্রজন্ম
শিক্ষা ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তনের অঙ্গীকার করে ডা. জারা বলেন, স্কুল ভর্তিতে ‘এমপি কোটা’ বা কোনো ধরনের সুপারিশ ও বাণিজ্য তিনি বরদাশত করবেন না। মেধা ও স্বচ্ছতাই হবে ভর্তির একমাত্র যোগ্যতা। স্কুলগুলোতে আধুনিক সায়েন্স ল্যাব, ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) ও কোডিং শেখানোর ব্যবস্থা করার মাধ্যমে আগামী প্রজন্মকে বিশ্ববাজারের উপযোগী করে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেন তিনি। শিক্ষকদের মর্যাদা বৃদ্ধি এবং স্কুলগুলোতে বুলিং বা হয়রানি বন্ধে কঠোর নজরদারির কথাও ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও এমপির জবাবদিহিতা
তরুণ উদ্যোক্তাদের সহায়তায় ‘স্টার্ট-আপ ঢাকা-৯’ ফান্ড গঠন এবং জামানতবিহীন ঋণের জন্য ব্যাংকের সাথে লড়াই করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তাসনিম জারা। কর্মজীবী মায়েদের সুবিধার্থে প্রতিটি ওয়ার্ডে ‘কমিউনিটি ডে-কেয়ার সেন্টার’ চালুর পরিকল্পনাও তাঁর রয়েছে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংস্কৃতি বদলে দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচিত হওয়ার এক মাসের মধ্যে এলাকায় স্থায়ী কার্যালয় খোলা হবে যেখানে সাধারণ মানুষ সরাসরি এমপির সাথে কথা বলতে পারবেন। অভিযোগের অগ্রগতি ট্র্যাক করার জন্য একটি ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড চালু করার অনন্য পরিকল্পনাও পেশ করেছেন তিনি।
বক্তব্যের শেষে ডা. তাসনিম জারা আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, “আমি আপনাদেরই ঘরের সন্তান। অনেক নেতা দেখেছেন, এবার একজন ডাক্তারকে সুযোগ দিন যে জানে রোগ কোথায় আর ওষুধ কোনটা। আপনাদের মাথা আমি কক্ষনো নত হতে দেব না।”
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ (খিলগাঁও, সবুজবাগ ও মুগদা) আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নিজের বিশদ নির্বাচনী ইশতেহার ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ঘোষণা করেছেন জনপ্রিয় চিকিৎসক ডা. তাসনিম জারা। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ‘ফুটবল’ প্রতীকের এই প্রার্থী এলাকার পুঞ্জীভূত সমস্যা ও তার বিজ্ঞানসম্মত সমাধানের একটি পূর্ণাঙ্গ রূপরেখা তুলে ধরেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান যে, তাঁর এই ইশতেহার কোনো গতানুগতিক ‘ফাঁকা বুলি’ নয়, বরং এটি এলাকাবাসীর সঙ্গে তাঁর একটি অলিখিত সামাজিক চুক্তি।
ইশতেহারে ডা. তাসনিম জারা খিলগাঁও-বাসাবো এলাকার দীর্ঘদিনের গ্যাস সংকট ও রাস্তার দুরবস্থাকে প্রধান গুরুত্ব দিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেন যে, প্রতি মাসে বিল পরিশোধ করলেও চুলা জ্বালালে গ্যাস পাওয়া যায় না, যা এক ধরনের নাগরিক প্রতারণা। নির্বাচিত হলে সংসদে তাঁর প্রথম কাজ হবে ‘সেবা না দিলে বিল নেই’ (No Service, No Bill) নীতি প্রবর্তন করা। তিতাস গ্যাস দিতে ব্যর্থ হলে বিল মওকুফ এবং সিন্ডিকেট ভেঙে ভর্তুকি মূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। জলাবদ্ধতা নিরসনে ড্রেনেজ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং রাস্তা সংস্কারের কাজে নির্দিষ্ট ‘ডেডলাইন’ নিশ্চিত করার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ে কাজ শেষ না হলে ঠিকাদারকে জরিমানা গুনতে হবে।
স্বাস্থ্যসেবায় বিপ্লব ও ডেঙ্গু নির্মূলে স্থায়ী পরিকল্পনা
একজন পেশাদার চিকিৎসক হিসেবে স্বাস্থ্য খাতকে আমূল বদলে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছেন তাসনিম জারা। ঢাকা-৯ এলাকার বিশাল জনগোষ্টীর বিপরীতে মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে তিনি এই হাসপাতালকে একটি আদর্শ সেবাকেন্দ্রে রূপান্তরের প্রতিশ্রুতি দেন। পাড়ার ছোট ক্লিনিকগুলোকে আধুনিকায়নের মাধ্যমে ‘মিনি-হাসপাতাল’ করার পাশাপাশি তিনি সারা বছর মশা নিধনে একটি ‘স্থায়ী ডেঙ্গু টাস্কফোর্স’ গঠনের কথা বলেন। তাঁর পরিকল্পনা অনুযায়ী, বর্ষার অপেক্ষা না করে সারা বছর ড্রেন পরিষ্কার ও লার্ভা নিধনের কাজ চলবে যাতে প্রিয়জনদের ডেঙ্গুতে হারাতে না হয়।
নিরাপদ জনপদ ও মাদক মুক্ত সমাজ
এলাকার অলিগলিতে মাদক সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য এবং সন্ধ্যার পর নারী ও শিশুদের চলাচলের নিরাপত্তাহীনতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন এই প্রার্থী। তিনি স্কুল-কলেজ ও গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলোতে সিসি ক্যামেরা এবং উচ্চ-ক্ষমতার ল্যাম্পপোস্ট বসিয়ে ‘নিরাপদ করিডোর’ তৈরির ঘোষণা দেন। মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ এবং আসক্তদের সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা তাঁর ইশতেহারে রয়েছে। এছাড়া গণপরিবহনে নারীদের জন্য নিরাপদ যাতায়াত ও সংরক্ষিত আসন নিশ্চিত করতে কাজ করার কথা জানান তিনি।
শিক্ষা ও আগামীর স্মার্ট প্রজন্ম
শিক্ষা ক্ষেত্রে আমূল পরিবর্তনের অঙ্গীকার করে ডা. জারা বলেন, স্কুল ভর্তিতে ‘এমপি কোটা’ বা কোনো ধরনের সুপারিশ ও বাণিজ্য তিনি বরদাশত করবেন না। মেধা ও স্বচ্ছতাই হবে ভর্তির একমাত্র যোগ্যতা। স্কুলগুলোতে আধুনিক সায়েন্স ল্যাব, ল্যাঙ্গুয়েজ ক্লাব এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) ও কোডিং শেখানোর ব্যবস্থা করার মাধ্যমে আগামী প্রজন্মকে বিশ্ববাজারের উপযোগী করে গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেন তিনি। শিক্ষকদের মর্যাদা বৃদ্ধি এবং স্কুলগুলোতে বুলিং বা হয়রানি বন্ধে কঠোর নজরদারির কথাও ইশতেহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
অর্থনীতি, কর্মসংস্থান ও এমপির জবাবদিহিতা
তরুণ উদ্যোক্তাদের সহায়তায় ‘স্টার্ট-আপ ঢাকা-৯’ ফান্ড গঠন এবং জামানতবিহীন ঋণের জন্য ব্যাংকের সাথে লড়াই করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তাসনিম জারা। কর্মজীবী মায়েদের সুবিধার্থে প্রতিটি ওয়ার্ডে ‘কমিউনিটি ডে-কেয়ার সেন্টার’ চালুর পরিকল্পনাও তাঁর রয়েছে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংস্কৃতি বদলে দেওয়ার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচিত হওয়ার এক মাসের মধ্যে এলাকায় স্থায়ী কার্যালয় খোলা হবে যেখানে সাধারণ মানুষ সরাসরি এমপির সাথে কথা বলতে পারবেন। অভিযোগের অগ্রগতি ট্র্যাক করার জন্য একটি ডিজিটাল ড্যাশবোর্ড চালু করার অনন্য পরিকল্পনাও পেশ করেছেন তিনি।
বক্তব্যের শেষে ডা. তাসনিম জারা আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, “আমি আপনাদেরই ঘরের সন্তান। অনেক নেতা দেখেছেন, এবার একজন ডাক্তারকে সুযোগ দিন যে জানে রোগ কোথায় আর ওষুধ কোনটা। আপনাদের মাথা আমি কক্ষনো নত হতে দেব না।”
লোড হচ্ছে...