সারা দেশ
বগুড়া পুলিশ লাইনসে এএসআইয়ের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার
NewsView6

প্রতীকী ছবি
নিউজভিউ ডেস্ক
বগুড়ার পুলিশ লাইনসে বেতার শাখার (ওয়্যালেস) এক সহকারী উপপরিদর্শকের (এএসআই) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের নাম আরিফুল ইসলাম (৪০)। তিনি পুলিশ লাইনসের বেতার শাখায় সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
শুক্রবার সকালে পুলিশ লাইনসের একটি কক্ষ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। আরিফুল ইসলাম নাটোর জেলার নলডাঙ্গা উপজেলার পদ্মবিল ঘরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আশরাফ আলীর ছেলে।
জানা গেছে, বেতার শাখা ভবনের দোতলায় অন্য সদস্যদের সঙ্গে থাকতেন আরিফুল। বৃহস্পতিবার রাতেও তাকে স্বাভাবিক অবস্থায় দেখা যায়। শুক্রবার সকালে দীর্ঘ সময় তাকে না দেখে সহকর্মীরা খোঁজ শুরু করেন। এক পর্যায়ে পাশের একটি ওয়ার্কশপ কক্ষের দরজা ভেতর থেকে আটকানো দেখতে পেয়ে সন্দেহ হয়। পরে জানালা দিয়ে তাকিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে দেখা যায়। খবর পেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
বগুড়ার পুলিশ সুপার মীর্জা সায়েম মাহমুদ বলেন, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে কোনো পারিবারিক কলহের তথ্য পাওয়া যায়নি। কি কারণে এ ঘটনা ঘটেছে তা তদন্ত করে জানা যাবে।
বগুড়ার পুলিশ লাইনসে বেতার শাখার (ওয়্যালেস) এক সহকারী উপপরিদর্শকের (এএসআই) ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের নাম আরিফুল ইসলাম (৪০)। তিনি পুলিশ লাইনসের বেতার শাখায় সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
শুক্রবার সকালে পুলিশ লাইনসের একটি কক্ষ থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। আরিফুল ইসলাম নাটোর জেলার নলডাঙ্গা উপজেলার পদ্মবিল ঘরিয়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি আশরাফ আলীর ছেলে।
জানা গেছে, বেতার শাখা ভবনের দোতলায় অন্য সদস্যদের সঙ্গে থাকতেন আরিফুল। বৃহস্পতিবার রাতেও তাকে স্বাভাবিক অবস্থায় দেখা যায়। শুক্রবার সকালে দীর্ঘ সময় তাকে না দেখে সহকর্মীরা খোঁজ শুরু করেন। এক পর্যায়ে পাশের একটি ওয়ার্কশপ কক্ষের দরজা ভেতর থেকে আটকানো দেখতে পেয়ে সন্দেহ হয়। পরে জানালা দিয়ে তাকিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় তাকে দেখা যায়। খবর পেয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
বগুড়ার পুলিশ সুপার মীর্জা সায়েম মাহমুদ বলেন, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে কোনো পারিবারিক কলহের তথ্য পাওয়া যায়নি। কি কারণে এ ঘটনা ঘটেছে তা তদন্ত করে জানা যাবে।
লোড হচ্ছে...