আন্তর্জাতিক
নেপালে সরকারবিরোধী আন্দোলন তীব্র, নিহত ২
NewsView5
.webp)
নিউজভিউ ডেস্ক
বেকারত্ব, অর্থনৈতিক সংকট এবং সরকারি নীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভে আবারও উত্তাল হয়ে উঠেছে নেপাল। তরুণদের নেতৃত্বে রাজধানী কাঠমান্ডুসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। আন্দোলনকারীরা প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহর পদত্যাগের দাবি তুলেছেন। আন্দোলন ঘিরে গত তিন দিনে দুজনের মৃত্যু হয়েছে এবং গুরুতর আহত অবস্থায় আরও একজন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সোমবার (১৩ জুলাই) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
জেন-জি নেপাল নামের সংগঠনের অভিযোগ, বালেন্দ্র শাহ সরকার জনবিরোধী ও স্বৈরাচারী নীতি অনুসরণ করছে। তাদের দাবি, সাম্প্রতিক বাজেট ও সরকারি নীতিতে তরুণদের কর্মসংস্থান, আয় বৃদ্ধি কিংবা অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের মতো কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই। ফলে যুবসমাজের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ বাড়ছে।
আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ২৫ বছর বয়সী রাইড-শেয়ারিং চালক গণেশ নেপালির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে। দ্য কাঠমান্ডু পোস্টের তথ্যমতে, গত বৃহস্পতিবার কাঠমান্ডুর একটি সড়কে যাত্রীর অপেক্ষায় থাকা অবস্থায় মহানগর পুলিশ তার মোটরসাইকেলের চাকায় লক লাগিয়ে দেয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, এর প্রতিবাদে তিনি নিজের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর শুক্রবার তার মৃত্যু হয়।
এই ঘটনার পর থেকেই সরকারের বিরুদ্ধে জনরোষ তীব্র আকার ধারণ করে। রোববার রাজধানীর সিংহদরবার সচিবালয়ের সামনে শত শত মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন। তাদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, "গরিবের ওপর নির্যাতন বন্ধ করো" এবং "মানবাধিকারকে সম্মান করো"। একই সঙ্গে তারা অবৈধ গ্রেপ্তার বন্ধ এবং উচ্ছেদ অভিযানে ক্ষতিগ্রস্ত বস্তিবাসীদের পুনর্বাসনের দাবিও জানান।
নেপালি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে বালেন্দ্র শাহ ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ফুটপাত, অনানুষ্ঠানিক বাজার এবং নদীতীরবর্তী বস্তি উচ্ছেদে মহানগর পুলিশের অভিযান জোরদার হয়। এসব অভিযানকে কেন্দ্র করে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রতি প্রশাসনের আচরণ নিয়ে সমালোচনা বেড়েছে।
আইন বিশেষজ্ঞদের উদ্ধৃত করে দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, স্থানীয় প্রশাসন সাংবিধানিক ক্ষমতার সীমা ছাড়িয়ে একটি সহায়ক নিয়ন্ত্রক সংস্থা থেকে কার্যত বলপ্রয়োগকারী বাহিনীর মতো আচরণ করছে, যা নাগরিক অধিকার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
জেন-জি নেপাল নামের সংগঠনের অভিযোগ, বালেন্দ্র শাহ সরকার জনবিরোধী ও স্বৈরাচারী নীতি অনুসরণ করছে। তাদের দাবি, সাম্প্রতিক বাজেট ও সরকারি নীতিতে তরুণদের কর্মসংস্থান, আয় বৃদ্ধি কিংবা অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের মতো কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই। ফলে যুবসমাজের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ বাড়ছে।
আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ২৫ বছর বয়সী রাইড-শেয়ারিং চালক গণেশ নেপালির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে। দ্য কাঠমান্ডু পোস্টের তথ্যমতে, গত বৃহস্পতিবার কাঠমান্ডুর একটি সড়কে যাত্রীর অপেক্ষায় থাকা অবস্থায় মহানগর পুলিশ তার মোটরসাইকেলের চাকায় লক লাগিয়ে দেয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, এর প্রতিবাদে তিনি নিজের শরীরে পেট্রোল ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর শুক্রবার তার মৃত্যু হয়।
এই ঘটনার পর থেকেই সরকারের বিরুদ্ধে জনরোষ তীব্র আকার ধারণ করে। রোববার রাজধানীর সিংহদরবার সচিবালয়ের সামনে শত শত মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন। তাদের হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল, "গরিবের ওপর নির্যাতন বন্ধ করো" এবং "মানবাধিকারকে সম্মান করো"। একই সঙ্গে তারা অবৈধ গ্রেপ্তার বন্ধ এবং উচ্ছেদ অভিযানে ক্ষতিগ্রস্ত বস্তিবাসীদের পুনর্বাসনের দাবিও জানান।
নেপালি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালে বালেন্দ্র শাহ ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ফুটপাত, অনানুষ্ঠানিক বাজার এবং নদীতীরবর্তী বস্তি উচ্ছেদে মহানগর পুলিশের অভিযান জোরদার হয়। এসব অভিযানকে কেন্দ্র করে একাধিকবার সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর প্রতি প্রশাসনের আচরণ নিয়ে সমালোচনা বেড়েছে।
আইন বিশেষজ্ঞদের উদ্ধৃত করে দ্য কাঠমান্ডু পোস্ট জানিয়েছে, স্থানীয় প্রশাসন সাংবিধানিক ক্ষমতার সীমা ছাড়িয়ে একটি সহায়ক নিয়ন্ত্রক সংস্থা থেকে কার্যত বলপ্রয়োগকারী বাহিনীর মতো আচরণ করছে, যা নাগরিক অধিকার নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।
লোড হচ্ছে...