নারায়ণগঞ্জসদর
নারায়ণগঞ্জের দুটি আসনে গিয়াসউদ্দিনের শক্তিশালী প্রত্যাবর্তন
NewsView

নিউজ ভিউ ডেস্ক
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে এক মহাবিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ-৩ এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তাঁর সমর্থিত নেতাকর্মীরা। একটি নয়, বরং জেলার দুটি আসনেই গিয়াসউদ্দিনের এই আকস্মিক ও শক্তিশালী উপস্থিতি নির্বাচনী ময়দানে এক বিশাল আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে সীমানা পুনর্নির্ধারণের পর সিদ্ধিরগঞ্জ-সোনারগাঁর এবং ফতুল্লার রাজনৈতিক মেরুকরণে গিয়াসউদ্দিন এখন এক ‘অপ্রতিরোধ্য’ নাম, যা দুই আসনের হেভিওয়েট প্রার্থীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে দিয়েছে।
সোমবার দুপুরে জেলা নির্বাচন কমিশনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়াসউদ্দিনের পক্ষে তাঁর প্রতিনিধি ও ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ এবং সোনারগাঁও বিএনপির শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এই মনোনয়নপত্র দুটি জমা দেন। যদিও তিনি ব্যক্তিগত কারণে সশরীরে উপস্থিত হতে পারেননি, তবে তাঁর এই দ্বৈত প্রার্থিতা নারায়ণগঞ্জের রাজনীতির ইতিহাসে এক বিরল ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গিয়াসউদ্দিন কেবল একটি আসনে সীমাবদ্ধ না থেকে দুটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন যে, পুরো জেলা জুড়েই তাঁর বিশাল ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা অটুট রয়েছে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন বলেন, "আমি সারাজীবন সাধারণ মেহনতি মানুষ ও অধিকারবঞ্চিত জনগণের পক্ষে কথা বলেছি। নারায়ণগঞ্জ-৩ ও ৪ আসনের প্রতিটি ধূলিকণার সাথে আমার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। ভোটাররা দীর্ঘ সময় ধরে তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। আজ মানুষের প্রবল আগ্রহ ও ভালোবাসার দাবিতেই আমি এই দুটি আসনে প্রার্থী হয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, মানুষ যদি নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারে, তবে তারা উন্নয়ন এবং সাহসিকতার পক্ষেই রায় দেবে। ইনশাআল্লাহ, দুই আসনেই ব্যালট বিপ্লব ঘটবে।"
গিয়াসউদ্দিনের প্রার্থিতা কেবল নারায়ণগঞ্জ-৩ নয়, বরং নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন এলাকার নির্বাচনী হিসাবকেও এলোমেলো করে দিয়েছে। সিদ্ধিরগঞ্জের এক বিশাল অংশ এখন সোনারগাঁর সাথে যুক্ত হওয়ায় সেখানেও গিয়াসউদ্দিনের আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা অন্য প্রার্থীদের জন্য বড় হুমকি। একইভাবে ফতুল্লায় তাঁর পুরনো ও বিশ্বস্ত কর্মী বাহিনীর সক্রিয়তা তাঁকে একজন 'শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী' হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তৃণমূলের মতে, তিনি যেখানেই দাঁড়ান না কেন, তাঁর ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি এবং ২০০১ সালের সেই ঐতিহাসিক জয়ের স্মৃতি ভোটারদের এখনো দারুণভাবে আন্দোলিত করে।
গিয়াসউদ্দিনের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় প্রাঙ্গণে উৎসুক জনতার ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। উপস্থিত নেতাকর্মীরা জানান, গিয়াসউদ্দিন সাহেব এই এলাকার মাটি ও মানুষের নেতা। রাজপথের প্রতিটি আন্দোলনে তিনি যেমন ঢাল হয়ে সামনে থেকেছেন, তেমনি এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়নে তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই। ফতুল্লা, সিদ্ধিরগঞ্জ সোনারগাঁয়ের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করতেই নেতাকর্মীরা একযোগে কাজ করার শপথ নিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী প্রার্থী একেএম শামীম ওসমনাকে বিপুল ভোটে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে গিয়াসউদ্দিন নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছিলেন। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও তাঁর এই শক্তিশালী প্রত্যাবর্তন নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। ১২ ফেব্রুয়ারির সেই মাহেন্দ্রক্ষণের দিকে এখন তাকিয়ে আছে সারা জেলার মানুষ, যেখানে গিয়াসউদ্দিনের এই দ্বিমুখী লড়াই নারায়ণগঞ্জের আগামীর রাজনৈতিক মানচিত্র নির্ধারণ করবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিনে নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে এক মহাবিস্ফোরণ ঘটিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ-৩ এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তাঁর সমর্থিত নেতাকর্মীরা। একটি নয়, বরং জেলার দুটি আসনেই গিয়াসউদ্দিনের এই আকস্মিক ও শক্তিশালী উপস্থিতি নির্বাচনী ময়দানে এক বিশাল আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে সীমানা পুনর্নির্ধারণের পর সিদ্ধিরগঞ্জ-সোনারগাঁর এবং ফতুল্লার রাজনৈতিক মেরুকরণে গিয়াসউদ্দিন এখন এক ‘অপ্রতিরোধ্য’ নাম, যা দুই আসনের হেভিওয়েট প্রার্থীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে দিয়েছে।
সোমবার দুপুরে জেলা নির্বাচন কমিশনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়াসউদ্দিনের পক্ষে তাঁর প্রতিনিধি ও ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ এবং সোনারগাঁও বিএনপির শীর্ষ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এই মনোনয়নপত্র দুটি জমা দেন। যদিও তিনি ব্যক্তিগত কারণে সশরীরে উপস্থিত হতে পারেননি, তবে তাঁর এই দ্বৈত প্রার্থিতা নারায়ণগঞ্জের রাজনীতির ইতিহাসে এক বিরল ঘটনা হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গিয়াসউদ্দিন কেবল একটি আসনে সীমাবদ্ধ না থেকে দুটি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার মাধ্যমে প্রমাণ করেছেন যে, পুরো জেলা জুড়েই তাঁর বিশাল ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা অটুট রয়েছে।
বীর মুক্তিযোদ্ধা মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন বলেন, "আমি সারাজীবন সাধারণ মেহনতি মানুষ ও অধিকারবঞ্চিত জনগণের পক্ষে কথা বলেছি। নারায়ণগঞ্জ-৩ ও ৪ আসনের প্রতিটি ধূলিকণার সাথে আমার দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক স্মৃতি জড়িয়ে আছে। ভোটাররা দীর্ঘ সময় ধরে তাদের ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিল। আজ মানুষের প্রবল আগ্রহ ও ভালোবাসার দাবিতেই আমি এই দুটি আসনে প্রার্থী হয়েছি। আমি বিশ্বাস করি, মানুষ যদি নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারে, তবে তারা উন্নয়ন এবং সাহসিকতার পক্ষেই রায় দেবে। ইনশাআল্লাহ, দুই আসনেই ব্যালট বিপ্লব ঘটবে।"
গিয়াসউদ্দিনের প্রার্থিতা কেবল নারায়ণগঞ্জ-৩ নয়, বরং নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন এলাকার নির্বাচনী হিসাবকেও এলোমেলো করে দিয়েছে। সিদ্ধিরগঞ্জের এক বিশাল অংশ এখন সোনারগাঁর সাথে যুক্ত হওয়ায় সেখানেও গিয়াসউদ্দিনের আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা অন্য প্রার্থীদের জন্য বড় হুমকি। একইভাবে ফতুল্লায় তাঁর পুরনো ও বিশ্বস্ত কর্মী বাহিনীর সক্রিয়তা তাঁকে একজন 'শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী' হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তৃণমূলের মতে, তিনি যেখানেই দাঁড়ান না কেন, তাঁর ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি এবং ২০০১ সালের সেই ঐতিহাসিক জয়ের স্মৃতি ভোটারদের এখনো দারুণভাবে আন্দোলিত করে।
গিয়াসউদ্দিনের পক্ষে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় প্রাঙ্গণে উৎসুক জনতার ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। উপস্থিত নেতাকর্মীরা জানান, গিয়াসউদ্দিন সাহেব এই এলাকার মাটি ও মানুষের নেতা। রাজপথের প্রতিটি আন্দোলনে তিনি যেমন ঢাল হয়ে সামনে থেকেছেন, তেমনি এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়নে তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই। ফতুল্লা, সিদ্ধিরগঞ্জ সোনারগাঁয়ের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ করতেই নেতাকর্মীরা একযোগে কাজ করার শপথ নিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ২০০১ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী প্রার্থী একেএম শামীম ওসমনাকে বিপুল ভোটে পরাজিত করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে গিয়াসউদ্দিন নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছিলেন। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও তাঁর এই শক্তিশালী প্রত্যাবর্তন নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। ১২ ফেব্রুয়ারির সেই মাহেন্দ্রক্ষণের দিকে এখন তাকিয়ে আছে সারা জেলার মানুষ, যেখানে গিয়াসউদ্দিনের এই দ্বিমুখী লড়াই নারায়ণগঞ্জের আগামীর রাজনৈতিক মানচিত্র নির্ধারণ করবে।
লোড হচ্ছে...