রাজনীতি
প্রশাসন মুখে মুখে বলছে সমান সুযোগ তৈরি করতে চায়, কিন্তু বাস্তবে নেই: আল আমিন
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে জামায়াত-এনসিপি জোট মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল আমিন অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনী মাঠে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ভূমিকা এখনও প্রশ্নবিদ্ধ। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ফতুল্লার এনায়েতনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রশাসনের ভূমিকার সমালোচনা করে আবদুল্লাহ আল আমিন বলেন, “প্রশাসন মুখে মুখে বলছে তারা সমান সুযোগ তৈরি করতে চায়, কিন্তু বাস্তবে তার প্রতিফলন নেই। অনেক প্রার্থী প্রকাশ্যেই নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে তোরণ নির্মাণ করছেন, ভোটারদের মধ্যে টাকা বিলি করছেন এবং কোথাও কোথাও হুমকি-ধমকির ঘটনাও ঘটছে। অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা চোখে পড়ছে না; যা করা হচ্ছে তা কেবলই লোক দেখানো।”
দীর্ঘদিন পর ভোটারদের মধ্যে নির্বাচনী আমেজ ফিরে এসেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “গত ১৬-১৭ বছর এদেশের মানুষ নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেনি। সেই অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে এবার ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষ চায় একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশ, যেখানে কেউ গায়ের জোরে বা সন্ত্রাস করে কেন্দ্র দখল করতে পারবে না। আমরা বিশ্বাস করি, ১২ তারিখ ব্যালটের মাধ্যমে ভোটাররা রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে এক বিশাল ‘ভোট বিপ্লব’ ঘটাবে।”
নিজস্ব প্রতীকের পাশাপাশি গণভোট নিয়েও কথা বলেন এই প্রার্থী। তিনি জানান, শুরুর দিকে সাধারণ মানুষের মাঝে গণভোট নিয়ে অস্পষ্টতা থাকলেও এখন তারা সচেতন। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের মানুষ জানে যে প্রতীকের পাশাপাশি ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিতে হবে। আবদুল্লাহ আল আমিন আশা প্রকাশ করেন, “ইনশাআল্লাহ ‘হ্যাঁ’ ভোট এবং শাপলা কলি প্রতীক—উভয়ই বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে।”
নির্বাচিত হলে অবহেলিত ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জকে একটি নিরাপদ, প্রগতিশীল এবং সমৃদ্ধ জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। গণসংযোগকালে জামায়াত ও এনসিপি জোটের স্থানীয় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী এবং সাধারণ সমর্থক তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন।
নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে জামায়াত-এনসিপি জোট মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহ আল আমিন অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনী মাঠে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ভূমিকা এখনও প্রশ্নবিদ্ধ। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) ফতুল্লার এনায়েতনগর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রশাসনের ভূমিকার সমালোচনা করে আবদুল্লাহ আল আমিন বলেন, “প্রশাসন মুখে মুখে বলছে তারা সমান সুযোগ তৈরি করতে চায়, কিন্তু বাস্তবে তার প্রতিফলন নেই। অনেক প্রার্থী প্রকাশ্যেই নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে তোরণ নির্মাণ করছেন, ভোটারদের মধ্যে টাকা বিলি করছেন এবং কোথাও কোথাও হুমকি-ধমকির ঘটনাও ঘটছে। অথচ প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা চোখে পড়ছে না; যা করা হচ্ছে তা কেবলই লোক দেখানো।”
দীর্ঘদিন পর ভোটারদের মধ্যে নির্বাচনী আমেজ ফিরে এসেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “গত ১৬-১৭ বছর এদেশের মানুষ নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারেনি। সেই অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে এবার ভোটারদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষ চায় একটি সুশৃঙ্খল পরিবেশ, যেখানে কেউ গায়ের জোরে বা সন্ত্রাস করে কেন্দ্র দখল করতে পারবে না। আমরা বিশ্বাস করি, ১২ তারিখ ব্যালটের মাধ্যমে ভোটাররা রাজনৈতিক দুর্বৃত্তায়নের বিরুদ্ধে এক বিশাল ‘ভোট বিপ্লব’ ঘটাবে।”
নিজস্ব প্রতীকের পাশাপাশি গণভোট নিয়েও কথা বলেন এই প্রার্থী। তিনি জানান, শুরুর দিকে সাধারণ মানুষের মাঝে গণভোট নিয়ে অস্পষ্টতা থাকলেও এখন তারা সচেতন। নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের মানুষ জানে যে প্রতীকের পাশাপাশি ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিতে হবে। আবদুল্লাহ আল আমিন আশা প্রকাশ করেন, “ইনশাআল্লাহ ‘হ্যাঁ’ ভোট এবং শাপলা কলি প্রতীক—উভয়ই বিপুল ভোটে বিজয়ী হবে।”
নির্বাচিত হলে অবহেলিত ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জকে একটি নিরাপদ, প্রগতিশীল এবং সমৃদ্ধ জনপদ হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। গণসংযোগকালে জামায়াত ও এনসিপি জোটের স্থানীয় বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী এবং সাধারণ সমর্থক তাঁর সাথে উপস্থিত ছিলেন।
লোড হচ্ছে...