জাতীয়
সংসদ ভবনের সামনে সমাবেশে বক্তারা
ত্বকী হত্যার বিচার না হওয়ায় রামিসা হত্যা
NewsView

নিউজভিউ
দেশব্যাপী ধর্ষণ, খুন ও বিচারহীনতার প্রতিবাদে সমাবেশ করেছে সন্ত্রাসবিরোধী ত্বকী মঞ্চ। এতে গান, কবিতা, নাটক ও আলোচনার মধ্য দিয়ে বিচারহীনতার অবসান দাবি করা হয়েছে সরকারের প্রতি।
শুক্রবার (২২ মে) বিকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন সংগঠন, বুদ্ধিজীবী ও শিল্পীরা এতে
অংশ নেন। তারা বলেন, বিগত ১৩ বছর ধরে ত্বকী হত্যার বিচার বন্ধ করে রাখা হয়েছে। এই বিচারহীনতা দেশব্যাপী ছড়িয়ে গেছে। বিচারবঞ্চিত মানুষ বিচার চান না বলেও এখন আওয়াজ তুলছেন। তাদের এমন বিশ্বাসকে অবজ্ঞা করা যায় না। বিচার ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা ভেঙে গেছে।
কিশোর তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী হত্যার বিচার ১৩ বছরেও না হওয়ায় সম্প্রতি শিশু রামিসা হত্যার ঘটনাও ঘটেছে বলে অনেক বক্তা মত দেন।

সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের আহ্বায়ক নিহত ত্বকীর বাবা রফিউর রাব্বি সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন।
অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে আমরা ত্বকী হত্যার বিচার চেয়ে আসছি। কিন্তু বিচার হচ্ছে না। এই বিচারহীনতাই আজ দেশে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। প্রতিদিন ধর্ষণ, নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। মানুষ বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থা হারিয়ে আইন নিজের হাতে তুলে নিচ্ছে। এটি রাষ্ট্রকাঠামোর ব্যর্থতার প্রমাণ। আমরা দ্রুত ত্বকী, সাগর-রুনি, তনু, রামিসাসহ সব হত্যার বিচার দাবি করছি।’
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের সদস্যসচিব কবি-সাংবাদিক হালিম আজাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সামিনা লুৎফা, শিল্পী অরূপ রাহী, গণঅধিকারকর্মী ইলোরা জামান, এনপিএর সদস্য কৌশিক আহমেদ ও সংস্কৃতিকর্মী জমশেদ আনোয়ার।
রফিউর রাব্বি বলেন, ‘দেশে সরকার আসে, সরকার যায়; কিন্তু বিচারব্যবস্থার কোনো পরিবর্তন হয় না। সব সরকারই আদালতকে নিজেদের ক্ষমতা নিরঙ্কুশ করার হাতিয়ার বানায়। ১৬৪ ধারায় ঘাতক হিসেবে নাম আসার পরও আজমেরী ওসমানকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। বরং প্রশাসনের সহায়তা নিয়ে সে তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে সারা শহরকে আতঙ্কিত করে রেখেছিল। গতকাল তার ছবি নিয়ে শহরে সন্ত্রাসীরা মিছিল করেছে, অথচ তাদের বিরুদ্ধেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয় না। সন্ত্রাসী-মাফিয়াদের পক্ষ নেওয়া প্রশাসনের চরিত্রে এখনো কোনো পরিবর্তন হয়নি। এরা জনগণের বিরুদ্ধে গিয়ে আওয়ামী লীগকে ফ্যাসিবাদী হতে সহায়তা করেছে। ৫ আগস্টের পর তারা দল বদলেছে, কিন্তু চরিত্র বদলায়নি। প্রশাসন ও সরকারি সংস্থার সহায়তা নিয়েই শামীম ওসমান সপরিবারে বিদেশে যেতে পেরেছে। আমরা সরকার ও প্রশাসনের কাছে বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় দায়িত্বশীল ভূমিকা আশা করি।’
সমাবেশে সংগীত পরিবেশন, ত্বকীর কবিতা ও ত্বকীকে নিয়ে লেখা কবিতা আবৃত্তি, নাটক, পারফর্মিং আর্ট পরিবেশন এবং ক্যানভাসে প্রতিবাদী চিত্রাঙ্কন করা হয়। এতে অংশগ্রহণ করে সমগীত, জিয়াউল ইসলাম কাজল, উদীচী, বটতলা, ওয়ার্দা আশরাফ, শর্মী হোসেন, আরমিন মুসা, আহমেদ বাবলু, কোরাস ও ওয়ার্দা।
মুক্ত ক্যানভাসে আঁকায় অংশ নেন শিল্পী জাহিদ মুস্তাফা, অশোক কর্মকার, মাসুদুল হক, সাহিদা আক্তার, শাহীনা ইসলাম, ফিরোজ আহমেদ, কাইয়ুমুল ইসলাম, কামরুজ্জামান রোমেল, সামছুল আলম আজাদ ও শহিদ হোসেন মিঠু।
শুক্রবার (২২ মে) বিকালে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন সংগঠন, বুদ্ধিজীবী ও শিল্পীরা এতে
অংশ নেন। তারা বলেন, বিগত ১৩ বছর ধরে ত্বকী হত্যার বিচার বন্ধ করে রাখা হয়েছে। এই বিচারহীনতা দেশব্যাপী ছড়িয়ে গেছে। বিচারবঞ্চিত মানুষ বিচার চান না বলেও এখন আওয়াজ তুলছেন। তাদের এমন বিশ্বাসকে অবজ্ঞা করা যায় না। বিচার ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা ভেঙে গেছে।কিশোর তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী হত্যার বিচার ১৩ বছরেও না হওয়ায় সম্প্রতি শিশু রামিসা হত্যার ঘটনাও ঘটেছে বলে অনেক বক্তা মত দেন।

সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের আহ্বায়ক নিহত ত্বকীর বাবা রফিউর রাব্বি সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন।
অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, ‘দীর্ঘ ১৩ বছর ধরে আমরা ত্বকী হত্যার বিচার চেয়ে আসছি। কিন্তু বিচার হচ্ছে না। এই বিচারহীনতাই আজ দেশে ভয়াবহ পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। প্রতিদিন ধর্ষণ, নির্যাতনের ঘটনা ঘটছে। মানুষ বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থা হারিয়ে আইন নিজের হাতে তুলে নিচ্ছে। এটি রাষ্ট্রকাঠামোর ব্যর্থতার প্রমাণ। আমরা দ্রুত ত্বকী, সাগর-রুনি, তনু, রামিসাসহ সব হত্যার বিচার দাবি করছি।’
সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন সন্ত্রাস নির্মূল ত্বকী মঞ্চের সদস্যসচিব কবি-সাংবাদিক হালিম আজাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সামিনা লুৎফা, শিল্পী অরূপ রাহী, গণঅধিকারকর্মী ইলোরা জামান, এনপিএর সদস্য কৌশিক আহমেদ ও সংস্কৃতিকর্মী জমশেদ আনোয়ার।
রফিউর রাব্বি বলেন, ‘দেশে সরকার আসে, সরকার যায়; কিন্তু বিচারব্যবস্থার কোনো পরিবর্তন হয় না। সব সরকারই আদালতকে নিজেদের ক্ষমতা নিরঙ্কুশ করার হাতিয়ার বানায়। ১৬৪ ধারায় ঘাতক হিসেবে নাম আসার পরও আজমেরী ওসমানকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। বরং প্রশাসনের সহায়তা নিয়ে সে তার সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে সারা শহরকে আতঙ্কিত করে রেখেছিল। গতকাল তার ছবি নিয়ে শহরে সন্ত্রাসীরা মিছিল করেছে, অথচ তাদের বিরুদ্ধেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নেয় না। সন্ত্রাসী-মাফিয়াদের পক্ষ নেওয়া প্রশাসনের চরিত্রে এখনো কোনো পরিবর্তন হয়নি। এরা জনগণের বিরুদ্ধে গিয়ে আওয়ামী লীগকে ফ্যাসিবাদী হতে সহায়তা করেছে। ৫ আগস্টের পর তারা দল বদলেছে, কিন্তু চরিত্র বদলায়নি। প্রশাসন ও সরকারি সংস্থার সহায়তা নিয়েই শামীম ওসমান সপরিবারে বিদেশে যেতে পেরেছে। আমরা সরকার ও প্রশাসনের কাছে বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় দায়িত্বশীল ভূমিকা আশা করি।’
সমাবেশে সংগীত পরিবেশন, ত্বকীর কবিতা ও ত্বকীকে নিয়ে লেখা কবিতা আবৃত্তি, নাটক, পারফর্মিং আর্ট পরিবেশন এবং ক্যানভাসে প্রতিবাদী চিত্রাঙ্কন করা হয়। এতে অংশগ্রহণ করে সমগীত, জিয়াউল ইসলাম কাজল, উদীচী, বটতলা, ওয়ার্দা আশরাফ, শর্মী হোসেন, আরমিন মুসা, আহমেদ বাবলু, কোরাস ও ওয়ার্দা।
মুক্ত ক্যানভাসে আঁকায় অংশ নেন শিল্পী জাহিদ মুস্তাফা, অশোক কর্মকার, মাসুদুল হক, সাহিদা আক্তার, শাহীনা ইসলাম, ফিরোজ আহমেদ, কাইয়ুমুল ইসলাম, কামরুজ্জামান রোমেল, সামছুল আলম আজাদ ও শহিদ হোসেন মিঠু।
লোড হচ্ছে...