নারায়ণগঞ্জবন্দর
৭০০ কোটি টাকার কদম-রসুল সেতুর টেস্ট পাইলিং কাজের উদ্বোধন
NewsView

নিউজ ভিউ, নারায়ণগঞ্জ: নারায়ণগঞ্জবাসীর এক দশকেরও বেশি সময়ের স্বপ্ন অবশেষে বাস্তবতার পথে এক ধাপ এগোল। শীতলক্ষ্যা নদীর ওপর নারায়ণগঞ্জ সদরকে বন্দরের সাথে সংযুক্তকারী বহুল প্রতীক্ষিত কদম-রসুল সেতুর নির্মাণ কাজের অংশ হিসেবে আজ টেস্ট পাইলিং কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (৩ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টায় শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ে আয়োজিত এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির এবং সিটি কর্পোরেশন প্রশাসক আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ যৌথভাবে এই কাজের উদ্বোধন করেন।
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক গৃহীত এই সেতু প্রকল্পটি দীর্ঘ সময় ধরে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আটকে ছিল। ২০১৭ সালে প্রথম এটির পরিকল্পনা করা হয় এবং ২০১৮ সালে প্রায় ৫৯০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ১ হাজার ৩৮৫ মিটার দীর্ঘ সেতুটির প্রকল্প অনুমোদিত হয়। যদিও বিভিন্ন কারণে নির্মাণ কাজ দীর্ঘায়িত হয়, তবে ২০২৩ সালে এটি সংশোধিত হয়ে প্রায় ৭০০ কোটি টাকার একটি বৃহৎ প্রকল্প হিসেবে একনেকে চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করে।
বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আহসানুরজ্জামান তার বক্তব্যে বলেন, "দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর অবশেষে সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। সে ব্রিজ নির্মাণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আজ আমরা টেস্ট পাইলিং কাজের উদ্বোধন আয়োজন করি।"
এলজিইডির জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আহসানুরজ্জামানের সভাপতিত্বে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নাসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নূর কুতুবুল আলম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আজগর হোসেন, এলজিইডি উপ-সহকারী প্রকৌশলী শাহীনুর আলম।
এছাড়াও রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলনের জেলা সমন্বয়কারী তরিকুল ইসলাম সুজন এবং মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম সজল।
এই সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ায় সদর ও বন্দর উপজেলার কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের যোগাযোগ দুর্ভোগ লাঘব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক গৃহীত এই সেতু প্রকল্পটি দীর্ঘ সময় ধরে আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় আটকে ছিল। ২০১৭ সালে প্রথম এটির পরিকল্পনা করা হয় এবং ২০১৮ সালে প্রায় ৫৯০ কোটি ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ১ হাজার ৩৮৫ মিটার দীর্ঘ সেতুটির প্রকল্প অনুমোদিত হয়। যদিও বিভিন্ন কারণে নির্মাণ কাজ দীর্ঘায়িত হয়, তবে ২০২৩ সালে এটি সংশোধিত হয়ে প্রায় ৭০০ কোটি টাকার একটি বৃহৎ প্রকল্প হিসেবে একনেকে চূড়ান্ত অনুমোদন লাভ করে।
বাস্তবায়নকারী প্রতিষ্ঠান স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আহসানুরজ্জামান তার বক্তব্যে বলেন, "দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর অবশেষে সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। সে ব্রিজ নির্মাণ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আজ আমরা টেস্ট পাইলিং কাজের উদ্বোধন আয়োজন করি।"
এলজিইডির জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আহসানুরজ্জামানের সভাপতিত্বে এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নাসিক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নূর কুতুবুল আলম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মো. আজগর হোসেন, এলজিইডি উপ-সহকারী প্রকৌশলী শাহীনুর আলম।
এছাড়াও রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলনের জেলা সমন্বয়কারী তরিকুল ইসলাম সুজন এবং মহানগর যুবদলের আহ্বায়ক মনিরুল ইসলাম সজল।
এই সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হওয়ায় সদর ও বন্দর উপজেলার কোটি মানুষের দীর্ঘদিনের যোগাযোগ দুর্ভোগ লাঘব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
লোড হচ্ছে...