নারায়ণগঞ্জ
রংপুরে সপরিবারে শিক্ষক হত্যার বিচার দাবিতে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের মানববন্ধন
NewsView5
.jpg)
নিউজভিউ
রংপুরে সাবেক স্কুলশিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী, ছেলে ও মেয়েকে হত্যার ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্ত এবং দ্রুত বিচারের দাবিতে নারায়ণগঞ্জে মানববন্ধন করেছে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোট।
শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। একই সঙ্গে দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ওপর হামলাকারী উগ্রবাদী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান বক্তারা।
সংগঠনের সভাপতি মনি সুপান্থের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সাধারণ সম্পাদক দিনা তাজরীন সঞ্চালনা করেন। এতে বক্তব্য দেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বি, কবি ও সাংবাদিক হালিম আজাদ, শিশু সংগঠক রথীন চক্রবর্তী, সিপিবির জেলা সভাপতি শিবনাথ চক্রবর্তী, সংগঠনের উপদেষ্টা ভবানী শংকর রায়, প্রদীপ ঘোষ বাবু, নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল হক দীপু, বাসদের জেলা সদস্যসচিব আবু নাঈম খান বিপ্লব, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা সভাপতি মাহমুদ হোসেন এবং শিল্পী অমল আকাশসহ অন্যরা।
বক্তারা বলেন, রংপুরের চার হত্যাকাণ্ড নিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্যে জনমনে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। গণপতি চক্রবর্তী হত্যার তদন্তে আগের মতোই কোনো সাজানো নাটক বা ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে কি না, সে বিষয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন তারা।
রফিউর রাব্বি বলেন, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের পরিবর্তে ঘটনাটিকে অন্যদিকে নেওয়ার চেষ্টা করা হলে তা সরকারের জন্যও ইতিবাচক হবে না। তাঁর অভিযোগ, ধর্ম রক্ষার নামে দেশের একটি উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর তৎপরতা বাড়ছে এবং তারা ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে সরকারের নীরবতা ও নিষ্ক্রিয়তা তাদের আরও উৎসাহিত করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বক্তারা আরও বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন। ওই বক্তব্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে যেন দেশের আলাদা কোনো ভূখণ্ড হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তারা। ইতিহাস ও সংস্কৃতিবিরোধী যেকোনো তৎপরতা বন্ধে সরকারকে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
কবি ও সাংবাদিক হালিম আজাদ বলেন, গত ছয় মাসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতা তাদের চোখে পড়েছে। এ সময়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বক্তারা গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যার ঘটনায় দ্রুত, নিরপেক্ষ ও সঠিক তদন্তের মাধ্যমে বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান। পাশাপাশি ধর্মীয় উগ্রবাদীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। একই সঙ্গে দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির ওপর হামলাকারী উগ্রবাদী গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান বক্তারা।
সংগঠনের সভাপতি মনি সুপান্থের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সাধারণ সম্পাদক দিনা তাজরীন সঞ্চালনা করেন। এতে বক্তব্য দেন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বি, কবি ও সাংবাদিক হালিম আজাদ, শিশু সংগঠক রথীন চক্রবর্তী, সিপিবির জেলা সভাপতি শিবনাথ চক্রবর্তী, সংগঠনের উপদেষ্টা ভবানী শংকর রায়, প্রদীপ ঘোষ বাবু, নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল হক দীপু, বাসদের জেলা সদস্যসচিব আবু নাঈম খান বিপ্লব, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা সভাপতি মাহমুদ হোসেন এবং শিল্পী অমল আকাশসহ অন্যরা।
বক্তারা বলেন, রংপুরের চার হত্যাকাণ্ড নিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে দেওয়া বিভিন্ন বক্তব্যে জনমনে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। গণপতি চক্রবর্তী হত্যার তদন্তে আগের মতোই কোনো সাজানো নাটক বা ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে কি না, সে বিষয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন তারা।
রফিউর রাব্বি বলেন, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের পরিবর্তে ঘটনাটিকে অন্যদিকে নেওয়ার চেষ্টা করা হলে তা সরকারের জন্যও ইতিবাচক হবে না। তাঁর অভিযোগ, ধর্ম রক্ষার নামে দেশের একটি উগ্রপন্থী গোষ্ঠীর তৎপরতা বাড়ছে এবং তারা ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির বিরুদ্ধে অবস্থান নিচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে সরকারের নীরবতা ও নিষ্ক্রিয়তা তাদের আরও উৎসাহিত করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
বক্তারা আরও বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এবং দায়িত্বজ্ঞানহীন। ওই বক্তব্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে যেন দেশের আলাদা কোনো ভূখণ্ড হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তারা। ইতিহাস ও সংস্কৃতিবিরোধী যেকোনো তৎপরতা বন্ধে সরকারকে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
কবি ও সাংবাদিক হালিম আজাদ বলেন, গত ছয় মাসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতা তাদের চোখে পড়েছে। এ সময়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া বক্তারা গণপতি চক্রবর্তী ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যার ঘটনায় দ্রুত, নিরপেক্ষ ও সঠিক তদন্তের মাধ্যমে বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানান। পাশাপাশি ধর্মীয় উগ্রবাদীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।
লোড হচ্ছে...