আন্তর্জাতিক
ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নতুন অস্ত্র ব্যবহার করছে লেবানন
NHP NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
যুদ্ধবিরতির মধ্যেই লেবাননে ইসরায়েলি হামলার জবাবে হিজবুল্লাহ তাদের রণকৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে। ইরান-সমর্থিত এই সশস্ত্র গোষ্ঠীটি এখন লড়াইয়ে ছোট আকারের ফাইবার অপটিক ড্রোন ব্যবহারের হার কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন প্রযুক্তির ড্রোনগুলো ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে অত্যন্ত কার্যকর ও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে।
প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এই ড্রোনগুলোর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এগুলো প্রথাগত সিগন্যাল জ্যামিং প্রযুক্তির মাধ্যমে অকেজো করা যায় না। কারণ এগুলো কোনো তারহীন সংকেত বা ওয়্যারলেস সিগন্যালের বদলে সরাসরি ফাইবার অপটিক ক্যাবল বা তারের মাধ্যমে অপারেটরের সঙ্গে যুক্ত থাকে। এতে একদিকে যেমন ড্রোন নিয়ন্ত্রণ করা নিখুঁত হয়, অন্যদিকে রাডার বা জ্যামার দিয়ে এগুলো শনাক্ত করাও অসম্ভব হয়ে পড়ে।
সিএনএনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই ড্রোনের তারের বিস্তৃতি প্রায় ১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এর ফলে হিজবুল্লাহর ড্রোনচালকেরা নিরাপদ দূরত্বে বসেই নিখুঁতভাবে লক্ষ্যে আঘাত হানতে সক্ষম হচ্ছে। এ ছাড়া গোষ্ঠীটি বর্তমানে এই ড্রোনগুলোতে অত্যন্ত শক্তিশালী বিস্ফোরক যুক্ত করছে বলে অন্য একটি সূত্রে জানা গেছে। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন যে, ফাইবার অপটিক ড্রোনের এই নতুন হুমকি মোকাবিলা করা তাদের জন্য বর্তমানে বড় একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং তারা এটি প্রতিরোধের কার্যকর পথ খুঁজছেন।
যুদ্ধবিরতির মধ্যেই লেবাননে ইসরায়েলি হামলার জবাবে হিজবুল্লাহ তাদের রণকৌশলে বড় ধরনের পরিবর্তন এনেছে। ইরান-সমর্থিত এই সশস্ত্র গোষ্ঠীটি এখন লড়াইয়ে ছোট আকারের ফাইবার অপটিক ড্রোন ব্যবহারের হার কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, এই নতুন প্রযুক্তির ড্রোনগুলো ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে অত্যন্ত কার্যকর ও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে।
প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, এই ড্রোনগুলোর সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো এগুলো প্রথাগত সিগন্যাল জ্যামিং প্রযুক্তির মাধ্যমে অকেজো করা যায় না। কারণ এগুলো কোনো তারহীন সংকেত বা ওয়্যারলেস সিগন্যালের বদলে সরাসরি ফাইবার অপটিক ক্যাবল বা তারের মাধ্যমে অপারেটরের সঙ্গে যুক্ত থাকে। এতে একদিকে যেমন ড্রোন নিয়ন্ত্রণ করা নিখুঁত হয়, অন্যদিকে রাডার বা জ্যামার দিয়ে এগুলো শনাক্ত করাও অসম্ভব হয়ে পড়ে।
সিএনএনের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, এই ড্রোনের তারের বিস্তৃতি প্রায় ১৫ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এর ফলে হিজবুল্লাহর ড্রোনচালকেরা নিরাপদ দূরত্বে বসেই নিখুঁতভাবে লক্ষ্যে আঘাত হানতে সক্ষম হচ্ছে। এ ছাড়া গোষ্ঠীটি বর্তমানে এই ড্রোনগুলোতে অত্যন্ত শক্তিশালী বিস্ফোরক যুক্ত করছে বলে অন্য একটি সূত্রে জানা গেছে। ইসরায়েলি কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন যে, ফাইবার অপটিক ড্রোনের এই নতুন হুমকি মোকাবিলা করা তাদের জন্য বর্তমানে বড় একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং তারা এটি প্রতিরোধের কার্যকর পথ খুঁজছেন।
লোড হচ্ছে...