স্বাস্থ্য
নারায়ণগঞ্জে বাড়ছে ডেঙ্গু আতঙ্ক, চব্বিশ ঘন্টায় ১জন আক্রান্ত
NHP NewsView

নিউজভিউ
বর্ষা মৌসুম পুরোপুরি শুরু হওয়ার আগেই নারায়ণগঞ্জে ডেঙ্গু জ্বরের সংক্রমণ শুরু হওয়ায় জনমনে উদ্বেগ বাড়ছে। সাধারণত বৃষ্টির দিনে এই রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়লেও এবার আগেভাগেই আক্রান্তের খবর পাওয়া যাচ্ছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ বর্তমান পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের রবিবার (১২ এপ্রিল) দৈনিক প্রতিবেদন অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর ফলে চলতি ২০২৬ সালে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ জনে। পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায় এপ্রিল মাসে এখন পর্যন্ত ১ জন রোগী শনাক্ত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। তবে স্বস্তির বিষয় হলো চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে জেলায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে গত বছর ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছিল যার ফলে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ অত্যন্ত সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। বর্ষার পানি জমার আগেই যদি মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করা না হয় তবে সামনের দিনগুলোতে সংক্রমণ আরও বাড়ার শঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে নির্মাণাধীন ভবন এবং বাসাবাড়ির ছাদ বা আঙিনায় জমে থাকা পানি পরিষ্কার রাখার জন্য নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে প্রতিটি সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু কর্নার সচল রাখা হয়েছে এবং আক্রান্তদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে। সাধারণ মানুষের প্রতি পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যে কোনো ধরনের জ্বর হলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে এবং ডেঙ্গু পরীক্ষা করাতে। আগামী দিনগুলোতে মশক নিধনে সিটি কর্পোরেশন ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত অভিযান আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বর্ষা মৌসুম পুরোপুরি শুরু হওয়ার আগেই নারায়ণগঞ্জে ডেঙ্গু জ্বরের সংক্রমণ শুরু হওয়ায় জনমনে উদ্বেগ বাড়ছে। সাধারণত বৃষ্টির দিনে এই রোগের প্রাদুর্ভাব বাড়লেও এবার আগেভাগেই আক্রান্তের খবর পাওয়া যাচ্ছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ বর্তমান পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে জনসচেতনতার ওপর গুরুত্বারোপ করেছে।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের রবিবার (১২ এপ্রিল) দৈনিক প্রতিবেদন অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। এর ফলে চলতি ২০২৬ সালে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ জনে। পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায় এপ্রিল মাসে এখন পর্যন্ত ১ জন রোগী শনাক্ত হওয়ার তথ্য নিশ্চিত করেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। তবে স্বস্তির বিষয় হলো চলতি বছরে এখন পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে জেলায় কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে গত বছর ডেঙ্গু পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছিল যার ফলে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ অত্যন্ত সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। বর্ষার পানি জমার আগেই যদি মশক নিধন কার্যক্রম জোরদার করা না হয় তবে সামনের দিনগুলোতে সংক্রমণ আরও বাড়ার শঙ্কা রয়েছে। বিশেষ করে নির্মাণাধীন ভবন এবং বাসাবাড়ির ছাদ বা আঙিনায় জমে থাকা পানি পরিষ্কার রাখার জন্য নাগরিকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
নারায়ণগঞ্জ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে প্রতিটি সরকারি হাসপাতালে ডেঙ্গু কর্নার সচল রাখা হয়েছে এবং আক্রান্তদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে। সাধারণ মানুষের প্রতি পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যে কোনো ধরনের জ্বর হলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে এবং ডেঙ্গু পরীক্ষা করাতে। আগামী দিনগুলোতে মশক নিধনে সিটি কর্পোরেশন ও স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বিত অভিযান আরও জোরদার হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
লোড হচ্ছে...