আন্তর্জাতিক
সরাসরি অনলাইন সম্প্রচার করবে নাসা
আজ চাঁদে রওনা করবে ওরিয়ন
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
মর্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা তাদের আর্টেমিস -২ মিশনের আওতায় ওরিয়ন মহাকাশযান উৎক্ষেপণ করছে পহেলা এপ্রিল, বুধবার। সংস্থাটি জানিয়েছে, "বুধবার ১ এপ্রিলের আগে নয়—এমন সময়ে পরীক্ষামূলক ফ্লাইট পরিচালনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে"। প্রিলঞ্চ, লঞ্চ ও পুরো মিশন পর্যায় অনলাইনে সরাসরি সম্প্রচারের ঘোষণা দিয়েছে নাসা।
লঞ্চের জন্য নির্ধারিত দুই ঘণ্টার উইন্ডো শুরু হবে সন্ধ্যা ৬:২৪ (EDT) থেকে অর্থাৎ বাংলাদেশ সময় ২ এপ্রিল ভোর ৪:২৪ মিনিটে। ইতোমধ্যে নাসা এর আনুষ্ঠানিক কাউন্টডাউন শুরু করেছে।
একটি লঞ্চ কাউন্টডাউনে “L Minus” এবং “T Minus” নামে দুটি সময়সূচি ব্যবহৃত হয়। “L Minus” নির্দেশ করে উৎক্ষেপণ পর্যন্ত অবশিষ্ট সময় (ঘণ্টা ও মিনিটে), আর “T Minus” হলো কাউন্টডাউনের নির্দিষ্ট ধাপ ও ঘটনাপ্রবাহের একটি ধারাবাহিকতা।
কাউন্টডাউনের মধ্যে পরিকল্পিত বিরতি বা “হোল্ড” রাখা হয়, যাতে নির্ভুল সময়সীমার মধ্যে উৎক্ষেপণ নিশ্চিত করা যায় এবং প্রয়োজনীয় বিভিন্ন প্রযুক্তিগত কাজ সম্পন্নের জন্য অতিরিক্ত সময় পাওয়া যায়। এসব বিরতির সময় কাউন্টডাউন ঘড়ি ইচ্ছাকৃতভাবে থামিয়ে রাখা হয় এবং “T Minus” সময়ও স্থগিত থাকে। তবে “L Minus” সময় স্বাভাবিকভাবেই চলতে থাকে।
আর্টেমিস কর্মসূচির অধীনে এটি নাসার প্রথম মানববাহী মিশন, যা ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ করা হবে। এই মিশনে অংশ নিচ্ছেন মহাকাশচারী রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কোক এবং কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সির জেরেমি হ্যানসেন । তারা প্রায় ১০ দিনের একটি যাত্রায় চাঁদের চারপাশে প্রদক্ষিণ করবেন।
মিশনের অন্যতম লক্ষ্য হলো প্রথমবারের মতো মানুষ সহ ওরিয়ন মহাকাশযানের লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম পরীক্ষা করা। একই সঙ্গে ভবিষ্যতের আরও জটিল মানববাহী চন্দ্র ও মঙ্গল মিশনের ভিত্তি স্থাপন করা হবে।
নাসা জানিয়েছে, সব ব্রিফিং, ইভেন্ট এবং ২৪ ঘণ্টার মিশন কভারেজ তাদের ইউটিউব চ্যানেলসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। প্রতিটি ইভেন্টের জন্য আলাদা লাইভ স্ট্রিম থাকবে।
প্রিলঞ্চ সূচি অনুযায়ী, ২৭ মার্চ থেকে শুরু হওয়া বিভিন্ন ইভেন্টে মহাকাশচারীদের আগমন, ভার্চুয়াল ব্রিফিং, লঞ্চ প্রস্তুতি সংক্রান্ত আপডেট এবং সংবাদ সম্মেলন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। লঞ্চের দিন সকালে স্পেস লঞ্চ সিস্টেম (SLS) রকেটে জ্বালানি ভরার কার্যক্রম দেখানো হবে এবং দুপুর থেকে শুরু হবে পূর্ণাঙ্গ লঞ্চ কভারেজ।
মিশন চলাকালে প্রতিদিন হিউস্টনের জনসন স্পেস সেন্টার থেকে ব্রিফিং দেওয়া হবে এবং ওরিয়ন মহাকাশযান থেকেও লাইভ ভিডিও সম্প্রচার করা হতে পারে।
সাধারণ মানুষও ভার্চুয়ালি এই ঐতিহাসিক উৎক্ষেপণে অংশ নিতে পারবেন। অনলাইনে নিবন্ধনের মাধ্যমে দর্শকরা বিশেষ আপডেট, তথ্য এবং ভার্চুয়াল অতিথি পাসপোর্ট সুবিধা পাবেন।
নাসা বলছে, “গোল্ডেন এজ অব ইনোভেশন অ্যান্ড এক্সপ্লোরেশন”-এর অংশ হিসেবে আর্টেমিস কর্মসূচির মাধ্যমে ধাপে ধাপে আরও জটিল চাঁদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। এর লক্ষ্য শুধু বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান নয়, ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি ও নিশ্চিত করা।
মানবজাতির চাঁদে ফেরার পথে আর্টেমিস-২ একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা ভবিষ্যতের গভীর মহাকাশ অভিযানের দ্বার খুলে দেবে।
তথ্যসুত্র: নাসার ওয়েবসাইট
মর্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা তাদের আর্টেমিস -২ মিশনের আওতায় ওরিয়ন মহাকাশযান উৎক্ষেপণ করছে পহেলা এপ্রিল, বুধবার। সংস্থাটি জানিয়েছে, "বুধবার ১ এপ্রিলের আগে নয়—এমন সময়ে পরীক্ষামূলক ফ্লাইট পরিচালনার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে"। প্রিলঞ্চ, লঞ্চ ও পুরো মিশন পর্যায় অনলাইনে সরাসরি সম্প্রচারের ঘোষণা দিয়েছে নাসা।
লঞ্চের জন্য নির্ধারিত দুই ঘণ্টার উইন্ডো শুরু হবে সন্ধ্যা ৬:২৪ (EDT) থেকে অর্থাৎ বাংলাদেশ সময় ২ এপ্রিল ভোর ৪:২৪ মিনিটে। ইতোমধ্যে নাসা এর আনুষ্ঠানিক কাউন্টডাউন শুরু করেছে।
একটি লঞ্চ কাউন্টডাউনে “L Minus” এবং “T Minus” নামে দুটি সময়সূচি ব্যবহৃত হয়। “L Minus” নির্দেশ করে উৎক্ষেপণ পর্যন্ত অবশিষ্ট সময় (ঘণ্টা ও মিনিটে), আর “T Minus” হলো কাউন্টডাউনের নির্দিষ্ট ধাপ ও ঘটনাপ্রবাহের একটি ধারাবাহিকতা।
কাউন্টডাউনের মধ্যে পরিকল্পিত বিরতি বা “হোল্ড” রাখা হয়, যাতে নির্ভুল সময়সীমার মধ্যে উৎক্ষেপণ নিশ্চিত করা যায় এবং প্রয়োজনীয় বিভিন্ন প্রযুক্তিগত কাজ সম্পন্নের জন্য অতিরিক্ত সময় পাওয়া যায়। এসব বিরতির সময় কাউন্টডাউন ঘড়ি ইচ্ছাকৃতভাবে থামিয়ে রাখা হয় এবং “T Minus” সময়ও স্থগিত থাকে। তবে “L Minus” সময় স্বাভাবিকভাবেই চলতে থাকে।
আর্টেমিস কর্মসূচির অধীনে এটি নাসার প্রথম মানববাহী মিশন, যা ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ করা হবে। এই মিশনে অংশ নিচ্ছেন মহাকাশচারী রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কোক এবং কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সির জেরেমি হ্যানসেন । তারা প্রায় ১০ দিনের একটি যাত্রায় চাঁদের চারপাশে প্রদক্ষিণ করবেন।
মিশনের অন্যতম লক্ষ্য হলো প্রথমবারের মতো মানুষ সহ ওরিয়ন মহাকাশযানের লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম পরীক্ষা করা। একই সঙ্গে ভবিষ্যতের আরও জটিল মানববাহী চন্দ্র ও মঙ্গল মিশনের ভিত্তি স্থাপন করা হবে।
নাসা জানিয়েছে, সব ব্রিফিং, ইভেন্ট এবং ২৪ ঘণ্টার মিশন কভারেজ তাদের ইউটিউব চ্যানেলসহ বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। প্রতিটি ইভেন্টের জন্য আলাদা লাইভ স্ট্রিম থাকবে।
প্রিলঞ্চ সূচি অনুযায়ী, ২৭ মার্চ থেকে শুরু হওয়া বিভিন্ন ইভেন্টে মহাকাশচারীদের আগমন, ভার্চুয়াল ব্রিফিং, লঞ্চ প্রস্তুতি সংক্রান্ত আপডেট এবং সংবাদ সম্মেলন অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। লঞ্চের দিন সকালে স্পেস লঞ্চ সিস্টেম (SLS) রকেটে জ্বালানি ভরার কার্যক্রম দেখানো হবে এবং দুপুর থেকে শুরু হবে পূর্ণাঙ্গ লঞ্চ কভারেজ।
মিশন চলাকালে প্রতিদিন হিউস্টনের জনসন স্পেস সেন্টার থেকে ব্রিফিং দেওয়া হবে এবং ওরিয়ন মহাকাশযান থেকেও লাইভ ভিডিও সম্প্রচার করা হতে পারে।
সাধারণ মানুষও ভার্চুয়ালি এই ঐতিহাসিক উৎক্ষেপণে অংশ নিতে পারবেন। অনলাইনে নিবন্ধনের মাধ্যমে দর্শকরা বিশেষ আপডেট, তথ্য এবং ভার্চুয়াল অতিথি পাসপোর্ট সুবিধা পাবেন।
নাসা বলছে, “গোল্ডেন এজ অব ইনোভেশন অ্যান্ড এক্সপ্লোরেশন”-এর অংশ হিসেবে আর্টেমিস কর্মসূচির মাধ্যমে ধাপে ধাপে আরও জটিল চাঁদ অভিযান পরিচালনা করা হবে। এর লক্ষ্য শুধু বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান নয়, ভবিষ্যতে মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি ও নিশ্চিত করা।
মানবজাতির চাঁদে ফেরার পথে আর্টেমিস-২ একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা ভবিষ্যতের গভীর মহাকাশ অভিযানের দ্বার খুলে দেবে।
তথ্যসুত্র: নাসার ওয়েবসাইট
লোড হচ্ছে...