নারায়ণগঞ্জরূপগঞ্জ
হাইওয়ের পাশে যুবকের ক্ষতবিক্ষত লাশের পরিচয় শনাক্ত
NHP NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এশিয়ান হাইওয়ে (গাজীপুর-চট্টগ্রাম বাইপাস) সড়কের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া সেই অজ্ঞাত যুবকের পরিচয় মিলেছে। সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে কালাদী এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া ওই যুবকের নাম গোবিন্দ কুমার মজুমদার (২৮)। তিনি ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা থানার কাঠিয়া কালিবাড়ী এলাকার আমরেশ মজুমদারের ছেলে।
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রযুক্তির সহায়তায় আঙুলের ছাপ (ফিংগার প্রিন্ট) সংগ্রহের মাধ্যমে নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করেছে। এর আগে সকালে পথচারীরা সড়কের পাশের খাদে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে ভোলাব তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। সুরতহাল প্রতিবেদনে নিহতের শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ঘাতকরা প্রথমে গোবিন্দকে বিষাক্ত কোনো দ্রব্য খাইয়ে অচেতন বা শারীরিকভাবে দুর্বল করে ফেলেছিল। এরপর নির্জন স্থানে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে মরদেহটি সড়কের পাশের খাদে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
ভোলাব তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফরহাদ হোসেন জানান, পরিচয় শনাক্তের পর নিহতের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ এবং এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে ইতিমধ্যে ছায়া তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
এদিকে, মহাসড়কের পাশে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে খুনিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এশিয়ান হাইওয়ে (গাজীপুর-চট্টগ্রাম বাইপাস) সড়কের পাশ থেকে উদ্ধার হওয়া সেই অজ্ঞাত যুবকের পরিচয় মিলেছে। সোমবার (৩০ মার্চ) সকালে কালাদী এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া ওই যুবকের নাম গোবিন্দ কুমার মজুমদার (২৮)। তিনি ফরিদপুর জেলার নগরকান্দা থানার কাঠিয়া কালিবাড়ী এলাকার আমরেশ মজুমদারের ছেলে।
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) প্রযুক্তির সহায়তায় আঙুলের ছাপ (ফিংগার প্রিন্ট) সংগ্রহের মাধ্যমে নিহতের পরিচয় নিশ্চিত করেছে। এর আগে সকালে পথচারীরা সড়কের পাশের খাদে মরদেহটি পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে ভোলাব তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশটি উদ্ধার করে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। সুরতহাল প্রতিবেদনে নিহতের শরীরে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, ঘাতকরা প্রথমে গোবিন্দকে বিষাক্ত কোনো দ্রব্য খাইয়ে অচেতন বা শারীরিকভাবে দুর্বল করে ফেলেছিল। এরপর নির্জন স্থানে নিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে মরদেহটি সড়কের পাশের খাদে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।
ভোলাব তদন্ত কেন্দ্রের উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফরহাদ হোসেন জানান, পরিচয় শনাক্তের পর নিহতের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। হত্যাকাণ্ডের মূল কারণ এবং এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে ইতিমধ্যে ছায়া তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
এদিকে, মহাসড়কের পাশে এমন নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে খুনিদের গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
লোড হচ্ছে...