আন্তর্জাতিক
যুক্তরাষ্ট্র–ইরান পারমাণবিক আলোচনা
চুক্তিই পছন্দ, তবে প্রস্তুত যুদ্ধও: ট্রাম্প
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
যুদ্ধের আশঙ্কা ঘনীভূত হওয়ার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান মঙ্গলবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় উচ্চঝুঁকিপূর্ণ পরোক্ষ পারমাণবিক আলোচনায় বসছে। কয়েক দশক ধরে চলমান পারমাণবিক বিরোধের সমাধানই এ আলোচনার মূল লক্ষ্য হলেও এখনো সমঝোতার কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বিশেষ দূত স্টিভ উইকফ ও জ্যারেড কুশনার অংশ নেবেন। আলোচনায় মধ্যস্থতা করছে ওমান। ইরানের পক্ষে উপস্থিত থাকবেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ।
ট্রাম্পের বার্তা: চুক্তিই পছন্দ, তবে প্রস্তুত যুদ্ধও
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি আলোচনায় “পরোক্ষভাবে” যুক্ত থাকবেন এবং তাঁর বিশ্বাস, তেহরান একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, চুক্তি না হলে তার পরিণতি গুরুতর হতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, একই সঙ্গে আলোচনার টেবিল ও সামরিক শক্তি প্রদর্শনের কৌশলেই এগোচ্ছে ওয়াশিংটন।
সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে
গত বছরের জুনে আলোচনার একটি প্রচেষ্টার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র ইসরাইল ইরানের ওপর বিমান হামলা চালায়। পরে মার্কিন বি-২ বোমারু বিমানও ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় আঘাত হানে। ওই ঘটনার পর ইরান জানায়, তারা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম স্থগিত করেছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে। একই সময়ে ইরান গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ হরমুজ প্রণালীতে সামরিক মহড়া শুরু করেছে, যা বৈশ্বিক তেল সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে বিপরীত অবস্থান
যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা মনে করে, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জনের পথে রয়েছে—যা বিশেষ করে ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য হুমকি। তবে ইরান বারবার দাবি করে আসছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ।
ওয়াশিংটন চায় আলোচনার পরিসর বাড়িয়ে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকেও অন্তর্ভুক্ত করতে। বিপরীতে, তেহরান জানিয়েছে—নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিনিময়ে তারা কেবল পারমাণবিক কর্মসূচির সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা করবে; ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে নয়।
বিশ্বজুড়ে নজর
এই আলোচনার ফলাফল শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্কেই নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক রাজনীতির ভারসাম্যের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। তাই জেনেভার এই আলোচনা ঘিরে বিশ্বজুড়ে কূটনৈতিক মহলের নজর তীব্র।
যুদ্ধের আশঙ্কা ঘনীভূত হওয়ার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান মঙ্গলবার সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় উচ্চঝুঁকিপূর্ণ পরোক্ষ পারমাণবিক আলোচনায় বসছে। কয়েক দশক ধরে চলমান পারমাণবিক বিরোধের সমাধানই এ আলোচনার মূল লক্ষ্য হলেও এখনো সমঝোতার কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি।
কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে, আলোচনায় যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বিশেষ দূত স্টিভ উইকফ ও জ্যারেড কুশনার অংশ নেবেন। আলোচনায় মধ্যস্থতা করছে ওমান। ইরানের পক্ষে উপস্থিত থাকবেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি ।
ট্রাম্পের বার্তা: চুক্তিই পছন্দ, তবে প্রস্তুত যুদ্ধও
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি আলোচনায় “পরোক্ষভাবে” যুক্ত থাকবেন এবং তাঁর বিশ্বাস, তেহরান একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, চুক্তি না হলে তার পরিণতি গুরুতর হতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, একই সঙ্গে আলোচনার টেবিল ও সামরিক শক্তি প্রদর্শনের কৌশলেই এগোচ্ছে ওয়াশিংটন।
সামরিক উত্তেজনা বাড়ছে
গত বছরের জুনে আলোচনার একটি প্রচেষ্টার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র ইসরাইল ইরানের ওপর বিমান হামলা চালায়। পরে মার্কিন বি-২ বোমারু বিমানও ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় আঘাত হানে। ওই ঘটনার পর ইরান জানায়, তারা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কার্যক্রম স্থগিত করেছে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানা গেছে। একই সময়ে ইরান গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক নৌপথ হরমুজ প্রণালীতে সামরিক মহড়া শুরু করেছে, যা বৈশ্বিক তেল সরবরাহের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে বিপরীত অবস্থান
যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা মনে করে, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জনের পথে রয়েছে—যা বিশেষ করে ইসরায়েলের নিরাপত্তার জন্য হুমকি। তবে ইরান বারবার দাবি করে আসছে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ।
ওয়াশিংটন চায় আলোচনার পরিসর বাড়িয়ে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচিকেও অন্তর্ভুক্ত করতে। বিপরীতে, তেহরান জানিয়েছে—নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের বিনিময়ে তারা কেবল পারমাণবিক কর্মসূচির সীমাবদ্ধতা নিয়ে আলোচনা করবে; ক্ষেপণাস্ত্র ইস্যুতে নয়।
বিশ্বজুড়ে নজর
এই আলোচনার ফলাফল শুধু যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সম্পর্কেই নয়, বরং মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি এবং বৈশ্বিক রাজনীতির ভারসাম্যের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। তাই জেনেভার এই আলোচনা ঘিরে বিশ্বজুড়ে কূটনৈতিক মহলের নজর তীব্র।
লোড হচ্ছে...