জাতীয়
তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে
সমুদ্রের পর বাংলাদেশের ভূখণ্ডে ব্লক বরাদ্দের উদ্যোগ
NewsView6

ছবি সংগৃহীত
নিউজভিউ ডেস্ক
তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে সমুদ্রে ব্লক বরাদ্দের ঘোষণার পর এবার বাংলাদেশের ভূখণ্ডে (অনশোরে) ব্লক বরাদ্দের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
জুলাইয়ের মধ্যে এই ব্লক বরাদ্দের প্রক্রিয়া হিসাবে ইতোমধ্যে মডেল উৎপাদন বণ্টনচুক্তি (পিএসসি-২০২৬) চূড়ান্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত সম্মতির জন্য আইন মন্ত্রণালয় এবং পরবর্তী সময়ে মন্ত্রিসভার অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত কমিটির কাছে পাঠানো হবে। সেখানে অনুমোদন হলেই বিদেশি কোম্পানিগুলোকে বরাদ্দ দিতে দরপত্র আহ্বান করবে পেট্রোবাংলা।
অন্যদিকে সমুদ্র এলাকায় (অফশোরে) ২৬টি ব্লক বরাদ্দের জন্য গতকালব সোমবার (১ জুন) থেকে আন্তর্জাতিক দরপত্র উন্মুক্ত করা হয়েছে। ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত এ দরপত্র জমা দেওয়া যাবে।
জ্বালানি সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, অনশোরে বিদেশি কোম্পানির কাছে ব্লক বরাদ্দ দিতে ১-২ মাসের মধ্যে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হবে। এ ব্যাপারে সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
জানা যায়, ১৯৯৭ সালের পর ভূখণ্ডে ব্লক বরাদ্দে কোনো আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়নি। বাংলাদেশের কোন কোন এলাকার তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে বিদেশি কোম্পানিকে ইজারা দেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি সরকার।
কর্মকর্তারা জানান, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্স এখন থেকেই দেশের সম্ভাবনাময় সব এলাকা নিজের কাছে রাখতে চায়। শুধু উত্তরবঙ্গ ও পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি এলাকা বিদেশি কোম্পানির কাছে দিতে চাইছেন সরকারের নীতিনির্ধারকরা। এ নিয়ে বিতর্ক চলছে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।
পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানান, সম্ভাবনাময় এলাকাসহ অন্যান্য এলাকা নিয়ে গঠিত ব্লকগুলো বরাদ্দ না দিলে কোনো বিদেশি কোম্পানি মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে এখানে আসবে না। বিষয়টি তারা সরকারকে জানিয়েছে।
পেট্রোবাংলার পরিচালক (পিএসসি) মোহাম্মদ শোয়েব বলেন, অনশোরে কতটি ব্লক বরাদ্দ দেওয়া হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। পরে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।
বর্তমান সরকারের ১৮০ দিনের মধ্যে অনশোরে ব্লক বরাদ্দ দিতে বিভিন্ন দপ্তরের অনুমোদনের প্রক্রিয়া শেষ করছে বলে জানা গেছে।
জ্বালানি বিভাগ ও পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানান, অনশোরের মডেল পিএসসিতে ব্র্যান্ড ক্রডের ৮ শতাংশ ধরে গ্যাসের মূল্য ধরা হয়েছে। তবে দেশের সব জায়গায় পেট্রোবাংলার নিজস্ব পাইপলাইন আছে। তাই আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানি-আইওসিগুলো পাইপলাইন নির্মাণ এবং তার থেকে হুইলিং চার্জ আদায়ের কোনো সুযোগ রাখা হয়নি। তবে অফশোরে কূপ খননের জন্য ৯ বছর সময় রাখা হলেও অনশোরে রাখা হয়েছে ৭ বছর। এর মধ্যে ৩ বছর রাখা হয়েছে ‘সাইসমিক জরিপ’-এর জন্য। বাকি ৪ বছরে সংশ্লিষ্ট আইওসিকে কূপ খননসহ অন্যান্য কাজ শেষ করতে হবে। অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সমুদ্রের ব্লক বরাদ্দের (অফশোর) পিএসসির মতোই রাখা হয়েছে।
কিন্তু ঝামেলা হচ্ছে কতটি ব্লক বরাদ্দ দেওয়া হবে, সে সিদ্ধান্ত নিয়ে। দেশের ভূখণ্ডে ব্লক আছে ২১টি। এর মধ্যে তিন পার্বত্য এলাকা নিয়ে গঠিত ব্লক বরাদ্দ দেবে না সরকার। কারণ, অন্তর্বর্তী সরকার আমলে চীনের একটি কোম্পানি ওই এলাকায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে পার্বত্য এলাকা বরাদ্দ চেয়েছিল। কিন্তু পার্বত্য মন্ত্রণালয় এ মুহূর্তে নিরাপত্তার কারণে সেখানে কোনো ধরনের অনুসন্ধানের অনুমতি দিতে রাজি হয়নি।
বাকি ২০টি ব্লকের মধ্যে মার্কিন কোম্পানি শেভরনের কাছে আছে ১২, ১৩ ও ১৪ নম্বর ব্লক। টাল্লোর কাছে আছে ৯ নম্বর ব্লক। সম্ভাবনাময় ৮ ও ১১ নম্বর ব্লক বাপেক্স বরাদ্দ নিতে চায়। এমনকি সিলেট গ্যাস ফিল্ড কোম্পানির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র ছাতকও বাপেক্সকে বরাদ্দ দেওয়া হতে পারে। এ নিয়ে সিলেট গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানির কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তারা জানান, গ্যাস পাওয়ার সম্ভবনাময় এলাকা হচ্ছে সুরমা বেসিন। ওই বেসিনের সব এলাকা চায় বাপেক্স।
সংশ্লিষ্টরা জানান, এখন শুধু পটুয়াখালী ও উত্তরবঙ্গ এলাকা অনশোর ব্লকের মধ্যে রাখতে বলা হয়েছে। সেই ব্লকগুলো হচ্ছে-১, ২বি, ৩বি, ৪এ, ৪বি, ৫, ৬এ এবং ২৩ নম্বর ব্লক। পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানান, ভৌগোলিক কারণে উত্তরবঙ্গে গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। সেখানে প্রচুর কয়লার মজুত আছে। তবে পটুয়াখালী এলাকায় গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে এখনো ত্রিমাত্রিক সাইসমিক জরিপ করা হয়নি। পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানান, উত্তরবঙ্গ ও পটুয়াখালী এলাকার কয়েকটি এলাকায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে কেউ আসবে না।
পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানান, অনশোরে সর্বশেষ বিডিং বা দরপত্র দেওয়া হয়েছিল ১৯৯৭ সালে। ওই বিডিং-এ টাল্লোকে ৯ নম্বর ব্লক দেওয়া হয়। এর আগে ১৯৯৩ সালে প্রথম অনশোর বিডিং ডাকা হয়েছিল।
দেশে এখন গ্যাসের চাহিদা দিনে ৪০০ কোটি ঘনফুটের মতো। কিন্তু সরবরাহ আছে ২৬০ থেকে ২৭০ কোটি ঘনফুট। এর মধ্যে আমদানি করা এলএনজি হচ্ছে ১০০ কোটি ঘনফুটের বেশি।
এদিকে গভীর-অগভীর সমুদ্রে ২৬টি ব্লক বরাদ্দের দরপত্র দ্বিতীয়বার দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে গভীর ১৫টি এবং অগভীর ১১টি ব্লক। গভীর সমুদ্রে ডিএস ব্লক-১১-এর কাছেই মিয়ানমার কমপক্ষে ১৫ বছর আগে ‘সোয়ে’ ফিল্ডে গ্যাস পেয়েছে। সেই গ্যাস তারা ব্যবহার করছে।
অন্যদিকে আইনি লড়াই শেষে ২০১২ সালে মিয়ানমার এবং ২০১৪ সালে ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা মীমাংসিত হয়। প্রতিবেশী দেশ ভারত গভীর সমুদ্র থেকে গ্যাস আবিষ্কার করলেও বাংলাদেশ এখনো গ্যাস পায়নি।
তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে সমুদ্রে ব্লক বরাদ্দের ঘোষণার পর এবার বাংলাদেশের ভূখণ্ডে (অনশোরে) ব্লক বরাদ্দের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
জুলাইয়ের মধ্যে এই ব্লক বরাদ্দের প্রক্রিয়া হিসাবে ইতোমধ্যে মডেল উৎপাদন বণ্টনচুক্তি (পিএসসি-২০২৬) চূড়ান্ত করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত সম্মতির জন্য আইন মন্ত্রণালয় এবং পরবর্তী সময়ে মন্ত্রিসভার অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত কমিটির কাছে পাঠানো হবে। সেখানে অনুমোদন হলেই বিদেশি কোম্পানিগুলোকে বরাদ্দ দিতে দরপত্র আহ্বান করবে পেট্রোবাংলা।
অন্যদিকে সমুদ্র এলাকায় (অফশোরে) ২৬টি ব্লক বরাদ্দের জন্য গতকালব সোমবার (১ জুন) থেকে আন্তর্জাতিক দরপত্র উন্মুক্ত করা হয়েছে। ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত এ দরপত্র জমা দেওয়া যাবে।
জ্বালানি সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, অনশোরে বিদেশি কোম্পানির কাছে ব্লক বরাদ্দ দিতে ১-২ মাসের মধ্যে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হবে। এ ব্যাপারে সরকার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
জানা যায়, ১৯৯৭ সালের পর ভূখণ্ডে ব্লক বরাদ্দে কোনো আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়নি। বাংলাদেশের কোন কোন এলাকার তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে বিদেশি কোম্পানিকে ইজারা দেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি সরকার।
কর্মকর্তারা জানান, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্স এখন থেকেই দেশের সম্ভাবনাময় সব এলাকা নিজের কাছে রাখতে চায়। শুধু উত্তরবঙ্গ ও পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি এলাকা বিদেশি কোম্পানির কাছে দিতে চাইছেন সরকারের নীতিনির্ধারকরা। এ নিয়ে বিতর্ক চলছে সংশ্লিষ্টদের মধ্যে।
পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানান, সম্ভাবনাময় এলাকাসহ অন্যান্য এলাকা নিয়ে গঠিত ব্লকগুলো বরাদ্দ না দিলে কোনো বিদেশি কোম্পানি মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করতে এখানে আসবে না। বিষয়টি তারা সরকারকে জানিয়েছে।
পেট্রোবাংলার পরিচালক (পিএসসি) মোহাম্মদ শোয়েব বলেন, অনশোরে কতটি ব্লক বরাদ্দ দেওয়া হবে, তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। পরে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।
বর্তমান সরকারের ১৮০ দিনের মধ্যে অনশোরে ব্লক বরাদ্দ দিতে বিভিন্ন দপ্তরের অনুমোদনের প্রক্রিয়া শেষ করছে বলে জানা গেছে।
জ্বালানি বিভাগ ও পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানান, অনশোরের মডেল পিএসসিতে ব্র্যান্ড ক্রডের ৮ শতাংশ ধরে গ্যাসের মূল্য ধরা হয়েছে। তবে দেশের সব জায়গায় পেট্রোবাংলার নিজস্ব পাইপলাইন আছে। তাই আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানি-আইওসিগুলো পাইপলাইন নির্মাণ এবং তার থেকে হুইলিং চার্জ আদায়ের কোনো সুযোগ রাখা হয়নি। তবে অফশোরে কূপ খননের জন্য ৯ বছর সময় রাখা হলেও অনশোরে রাখা হয়েছে ৭ বছর। এর মধ্যে ৩ বছর রাখা হয়েছে ‘সাইসমিক জরিপ’-এর জন্য। বাকি ৪ বছরে সংশ্লিষ্ট আইওসিকে কূপ খননসহ অন্যান্য কাজ শেষ করতে হবে। অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা সমুদ্রের ব্লক বরাদ্দের (অফশোর) পিএসসির মতোই রাখা হয়েছে।
কিন্তু ঝামেলা হচ্ছে কতটি ব্লক বরাদ্দ দেওয়া হবে, সে সিদ্ধান্ত নিয়ে। দেশের ভূখণ্ডে ব্লক আছে ২১টি। এর মধ্যে তিন পার্বত্য এলাকা নিয়ে গঠিত ব্লক বরাদ্দ দেবে না সরকার। কারণ, অন্তর্বর্তী সরকার আমলে চীনের একটি কোম্পানি ওই এলাকায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে পার্বত্য এলাকা বরাদ্দ চেয়েছিল। কিন্তু পার্বত্য মন্ত্রণালয় এ মুহূর্তে নিরাপত্তার কারণে সেখানে কোনো ধরনের অনুসন্ধানের অনুমতি দিতে রাজি হয়নি।
বাকি ২০টি ব্লকের মধ্যে মার্কিন কোম্পানি শেভরনের কাছে আছে ১২, ১৩ ও ১৪ নম্বর ব্লক। টাল্লোর কাছে আছে ৯ নম্বর ব্লক। সম্ভাবনাময় ৮ ও ১১ নম্বর ব্লক বাপেক্স বরাদ্দ নিতে চায়। এমনকি সিলেট গ্যাস ফিল্ড কোম্পানির সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র ছাতকও বাপেক্সকে বরাদ্দ দেওয়া হতে পারে। এ নিয়ে সিলেট গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানির কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তারা জানান, গ্যাস পাওয়ার সম্ভবনাময় এলাকা হচ্ছে সুরমা বেসিন। ওই বেসিনের সব এলাকা চায় বাপেক্স।
সংশ্লিষ্টরা জানান, এখন শুধু পটুয়াখালী ও উত্তরবঙ্গ এলাকা অনশোর ব্লকের মধ্যে রাখতে বলা হয়েছে। সেই ব্লকগুলো হচ্ছে-১, ২বি, ৩বি, ৪এ, ৪বি, ৫, ৬এ এবং ২৩ নম্বর ব্লক। পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানান, ভৌগোলিক কারণে উত্তরবঙ্গে গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। সেখানে প্রচুর কয়লার মজুত আছে। তবে পটুয়াখালী এলাকায় গ্যাস পাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে এখনো ত্রিমাত্রিক সাইসমিক জরিপ করা হয়নি। পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানান, উত্তরবঙ্গ ও পটুয়াখালী এলাকার কয়েকটি এলাকায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে কেউ আসবে না।
পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা জানান, অনশোরে সর্বশেষ বিডিং বা দরপত্র দেওয়া হয়েছিল ১৯৯৭ সালে। ওই বিডিং-এ টাল্লোকে ৯ নম্বর ব্লক দেওয়া হয়। এর আগে ১৯৯৩ সালে প্রথম অনশোর বিডিং ডাকা হয়েছিল।
দেশে এখন গ্যাসের চাহিদা দিনে ৪০০ কোটি ঘনফুটের মতো। কিন্তু সরবরাহ আছে ২৬০ থেকে ২৭০ কোটি ঘনফুট। এর মধ্যে আমদানি করা এলএনজি হচ্ছে ১০০ কোটি ঘনফুটের বেশি।
এদিকে গভীর-অগভীর সমুদ্রে ২৬টি ব্লক বরাদ্দের দরপত্র দ্বিতীয়বার দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে গভীর ১৫টি এবং অগভীর ১১টি ব্লক। গভীর সমুদ্রে ডিএস ব্লক-১১-এর কাছেই মিয়ানমার কমপক্ষে ১৫ বছর আগে ‘সোয়ে’ ফিল্ডে গ্যাস পেয়েছে। সেই গ্যাস তারা ব্যবহার করছে।
অন্যদিকে আইনি লড়াই শেষে ২০১২ সালে মিয়ানমার এবং ২০১৪ সালে ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা মীমাংসিত হয়। প্রতিবেশী দেশ ভারত গভীর সমুদ্র থেকে গ্যাস আবিষ্কার করলেও বাংলাদেশ এখনো গ্যাস পায়নি।
লোড হচ্ছে...