নারায়ণগঞ্জরূপগঞ্জ
প্রবাসী মাসুম হত্যার ঘটনায় শাকিল গ্রেপ্তার
NHP NewsView

নিউজভিউ
পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে মালয়েশিয়া প্রবাসী মাসুম মিয়াকে (২৫) কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িত অন্যতম মূল আসামি শাকিল মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর তুরাগ থানাধীন দিয়াবাড়ী মেট্রোরেল স্টেশন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। র্যাব-১১ এবং র্যাব-১-এর উত্তরা ক্যাম্পের একটি যৌথ আভিযানিক দল এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেপ্তারকৃত শাকিল মিয়া (৩০) রূপগঞ্জ উপজেলার ভোলাব এলাকার মো. মোস্তফার ছেলে। প্রবাসী মাসুম হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ৩০ মার্চ সোমবার সন্ধ্যায় রূপগঞ্জের টাওরা পশ্চিমপাড়া এলাকায় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত মাসুম মিয়া ওই এলাকার নূর মোহাম্মদের ছেলে। প্রবাসে থাকাকালে প্রতিবেশী রাজু নামের এক ব্যক্তির সাথে মাসুমের বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেন ছিল। মাসুম দেশে ফেরার পর সেই পাওনা টাকা দাবি করলে রাজু ও তার সহযোগীদের সাথে মাসুমের বিরোধ চরমে পৌঁছায়।
ঘটনার দিন মাসুম মোটরসাইকেলে করে পাঁচদোনা থেকে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে টাওরা মধ্যপাড়া সড়কে পৌঁছালে পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা রাজু ও শাকিলসহ একদল সন্ত্রাসী তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা মাসুমকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে রাস্তায় ফেলে রেখে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত সাড়ে ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের পর রূপগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। র্যাব-১১ জানিয়েছে, প্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শাকিলের অবস্থান নিশ্চিত করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য রূপগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামিসহ অন্যান্য পলাতকদের ধরতেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে মালয়েশিয়া প্রবাসী মাসুম মিয়াকে (২৫) কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় জড়িত অন্যতম মূল আসামি শাকিল মিয়াকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাজধানীর তুরাগ থানাধীন দিয়াবাড়ী মেট্রোরেল স্টেশন এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। র্যাব-১১ এবং র্যাব-১-এর উত্তরা ক্যাম্পের একটি যৌথ আভিযানিক দল এই বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
গ্রেপ্তারকৃত শাকিল মিয়া (৩০) রূপগঞ্জ উপজেলার ভোলাব এলাকার মো. মোস্তফার ছেলে। প্রবাসী মাসুম হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে ছিলেন।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ৩০ মার্চ সোমবার সন্ধ্যায় রূপগঞ্জের টাওরা পশ্চিমপাড়া এলাকায় এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত মাসুম মিয়া ওই এলাকার নূর মোহাম্মদের ছেলে। প্রবাসে থাকাকালে প্রতিবেশী রাজু নামের এক ব্যক্তির সাথে মাসুমের বড় অঙ্কের আর্থিক লেনদেন ছিল। মাসুম দেশে ফেরার পর সেই পাওনা টাকা দাবি করলে রাজু ও তার সহযোগীদের সাথে মাসুমের বিরোধ চরমে পৌঁছায়।
ঘটনার দিন মাসুম মোটরসাইকেলে করে পাঁচদোনা থেকে নিজ বাড়িতে ফিরছিলেন। পথিমধ্যে টাওরা মধ্যপাড়া সড়কে পৌঁছালে পূর্ব থেকে ওত পেতে থাকা রাজু ও শাকিলসহ একদল সন্ত্রাসী তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। তারা মাসুমকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করে রাস্তায় ফেলে রেখে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রাত সাড়ে ৭টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
এই চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ডের পর রূপগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। র্যাব-১১ জানিয়েছে, প্রযুক্তির সহায়তায় ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শাকিলের অবস্থান নিশ্চিত করে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রমের জন্য রূপগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামিসহ অন্যান্য পলাতকদের ধরতেও অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
লোড হচ্ছে...