আন্তর্জাতিক
গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার মাত্রা আরও তীব্র হচ্ছে
NewsView4

নিউজভিউ
গাজা সিটির পূর্বাঞ্চলে ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে তিন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম। একই সময়ে দখলকৃত পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের ক্রমবর্ধমান সহিংসতায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ। ফিলিস্তিনি সূত্রের দাবি, গাজার উত্তরাঞ্চলেও নতুন করে গোলাবর্ষণের শব্দে আতঙ্ক ছড়িয়েছে গাজা জুড়ে ।গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, গত ৪৮ ঘণ্টায় অন্তত একজনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন আরও ১০ জন। ১১ অক্টোবর যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬১২ জনে এবং আহত ১,৬৪০ জন। আর ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর সংঘাত শুরুর পর থেকে গাজায় নিহতের মোট সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭২,০৭০ জন, আহত হয়েছেন ১,৭১,৭৩৮ জন যা মানবিক বিপর্যয়ের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরছে।
অন্যদিকে পশ্চিম তীরেও চলছে দমন পীড়নের ভয়াবহ চিত্র। জেরুজালেমের উত্তর-পূর্বে আনাতা শহরে ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানে একাধিক যানবাহন জব্দ করা হয়েছে। রামাল্লা জেলার আল-মুগাইয়্যির এলাকায় অভিযানের সময় বাড়িঘরের দিকে কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আল-খলিলের দক্ষিণে মাসাফের ইয়াত্তায় দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে রামাল্লার পূর্বে রুম্মোন ও দেইর দিবওয়ানের মধ্যবর্তী এলাকায় বসতি স্থাপনকারীরা ফিলিস্তিনিদের বসতবাড়ি ও কৃষি স্থাপনায় আগুন ধরিয়ে দেয়, ছাই হয়ে যায় জীবিকা ও স্বপ্ন।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের হামলা ও চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধের ফলে প্রায় ৮৮০টি ফিলিস্তিনি পরিবার অর্থাৎ ৪,৭০০ জনেরও বেশি মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে বাস্তুচ্যুত হতে বাধ্য হয়েছে। প্রতিদিনের এই সহিংসতা ও উৎখাত মানবিক সংকটকে আরও গভীর করে তুলছে।
অন্যদিকে পশ্চিম তীরেও চলছে দমন পীড়নের ভয়াবহ চিত্র। জেরুজালেমের উত্তর-পূর্বে আনাতা শহরে ইসরায়েলি বাহিনীর অভিযানে একাধিক যানবাহন জব্দ করা হয়েছে। রামাল্লা জেলার আল-মুগাইয়্যির এলাকায় অভিযানের সময় বাড়িঘরের দিকে কাঁদানে গ্যাস ছোড়া হলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আল-খলিলের দক্ষিণে মাসাফের ইয়াত্তায় দুই ভাইকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে রামাল্লার পূর্বে রুম্মোন ও দেইর দিবওয়ানের মধ্যবর্তী এলাকায় বসতি স্থাপনকারীরা ফিলিস্তিনিদের বসতবাড়ি ও কৃষি স্থাপনায় আগুন ধরিয়ে দেয়, ছাই হয়ে যায় জীবিকা ও স্বপ্ন।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপনকারীদের হামলা ও চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধের ফলে প্রায় ৮৮০টি ফিলিস্তিনি পরিবার অর্থাৎ ৪,৭০০ জনেরও বেশি মানুষ নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে বাস্তুচ্যুত হতে বাধ্য হয়েছে। প্রতিদিনের এই সহিংসতা ও উৎখাত মানবিক সংকটকে আরও গভীর করে তুলছে।
লোড হচ্ছে...