জাতীয়
স্বাধীনতার পর প্রথমবার মন্ত্রিসভায় প্রতিনিধিহীন নোয়াখালী
NewsView

নিউজভিউ ডেস্ক
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ঘটনার সাক্ষী হলো নোয়াখালী জেলা। ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এই প্রথমবারের মতো দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের অত্যন্ত প্রভাবশালী এই জেলাটি রাষ্ট্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে সম্পূর্ণভাবে বাদ পড়ল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত নবগঠিত মন্ত্রিসভায় নোয়াখালীর কোনো নির্বাচিত প্রতিনিধি স্থান না পাওয়ায় জেলার সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও তাদের মিত্রদের ভূমিধস বিজয়ের পর মঙ্গলবার রাতে এই নতুন মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টন করা হয়।
সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে নোয়াখালীর ৬টি আসনের মধ্যে ৫টিতেই ধানের শীষের প্রার্থীরা বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছিলেন। সারা দেশে বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে এই জেলার ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। তবে এমন শক্তিশালী রাজনৈতিক অবস্থান থাকা সত্ত্বেও ঘোষিত ৪৯ সদস্যের বিশাল মন্ত্রিসভায় জেলার কোনো নেতার জায়গা হয়নি। বিশেষ করে ছয়বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য জাইনুল আবদিন ফারুক এবং পাঁচবারের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা মো. শাহজাহানের মতো হেভিওয়েট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের মন্ত্রিসভার বাইরে রাখা নিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক বিস্ময় দেখা দিয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ইতিহাসবিদরা এই বিষয়টিকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন। কারণ স্বাধীনতার পর থেকে প্রতিটি সরকারের আমলেই নোয়াখালী ছিল মন্ত্রীত্বের অন্যতম প্রধান ঘাঁটি। শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলে আবদুল মালেক উকিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। পরবর্তীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলেও এই জেলা থেকে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদের মতো প্রভাবশালী নেতারা উপ-প্রধানমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। এমনকি গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ওবায়দুল কাদের মন্ত্রিসভার অন্যতম ক্ষমতাধর সদস্য এবং দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে এই অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
দীর্ঘ পাঁচ দশক ধরে চলা এই ঐতিহ্যের ব্যত্যয় ঘটিয়ে তারেক রহমানের নতুন সরকারে নোয়াখালীর কোনো জনপ্রতিনিধি না থাকায় জেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও রাজনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখা নিয়ে চ্যালেঞ্জের সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে কেন এই প্রভাবশালী অঞ্চলটিকে মন্ত্রিসভার বাইরে রাখা হলো, তা নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ঘটনার সাক্ষী হলো নোয়াখালী জেলা। ১৯৭১ সালে দেশ স্বাধীন হওয়ার পর এই প্রথমবারের মতো দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের অত্যন্ত প্রভাবশালী এই জেলাটি রাষ্ট্রীয় মন্ত্রিসভা থেকে সম্পূর্ণভাবে বাদ পড়ল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত নবগঠিত মন্ত্রিসভায় নোয়াখালীর কোনো নির্বাচিত প্রতিনিধি স্থান না পাওয়ায় জেলার সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোচনা ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ও তাদের মিত্রদের ভূমিধস বিজয়ের পর মঙ্গলবার রাতে এই নতুন মন্ত্রিসভার দপ্তর বণ্টন করা হয়।
সদ্য সমাপ্ত নির্বাচনে নোয়াখালীর ৬টি আসনের মধ্যে ৫টিতেই ধানের শীষের প্রার্থীরা বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছিলেন। সারা দেশে বিএনপির দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনে এই জেলার ভূমিকা ছিল অনস্বীকার্য। তবে এমন শক্তিশালী রাজনৈতিক অবস্থান থাকা সত্ত্বেও ঘোষিত ৪৯ সদস্যের বিশাল মন্ত্রিসভায় জেলার কোনো নেতার জায়গা হয়নি। বিশেষ করে ছয়বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য জাইনুল আবদিন ফারুক এবং পাঁচবারের সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা মো. শাহজাহানের মতো হেভিওয়েট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের মন্ত্রিসভার বাইরে রাখা নিয়ে স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক বিস্ময় দেখা দিয়েছে।
রাজনৈতিক বিশ্লেষক ও ইতিহাসবিদরা এই বিষয়টিকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন। কারণ স্বাধীনতার পর থেকে প্রতিটি সরকারের আমলেই নোয়াখালী ছিল মন্ত্রীত্বের অন্যতম প্রধান ঘাঁটি। শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলে আবদুল মালেক উকিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছিলেন। পরবর্তীতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলেও এই জেলা থেকে ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদের মতো প্রভাবশালী নেতারা উপ-প্রধানমন্ত্রী ও আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। এমনকি গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ওবায়দুল কাদের মন্ত্রিসভার অন্যতম ক্ষমতাধর সদস্য এবং দলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে এই অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।
দীর্ঘ পাঁচ দশক ধরে চলা এই ঐতিহ্যের ব্যত্যয় ঘটিয়ে তারেক রহমানের নতুন সরকারে নোয়াখালীর কোনো জনপ্রতিনিধি না থাকায় জেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও রাজনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখা নিয়ে চ্যালেঞ্জের সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তবে কেন এই প্রভাবশালী অঞ্চলটিকে মন্ত্রিসভার বাইরে রাখা হলো, তা নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
লোড হচ্ছে...