রাজনীতি
আমি আপনাদের এমপি হতে আসিনি, এসেছি সেবক হতে: আবুল কালাম
NewsView

নিউজভিউ
বিশ বছর আগের সেই হারানো সখ্য আর সম্প্রীতির আবহ যেন আবারও ফিরে এলো নারায়ণগঞ্জের নিতাইগঞ্জে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষার দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যের স্মৃতিচারণ করে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম বলেছেন, “আপনাদের দাবি বা সমস্যা নিয়ে আসার জন্য কোনো আনুষ্ঠানিকতার প্রয়োজন নেই; আমার দরজা সবসময় আপনাদের জন্য খোলা। আপনারা শুধু কাজ দেখিয়ে দিবেন, আমি আপনাদের সেবকের মতো সেই সেবা নিশ্চিত করব।”
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে শহরের নিতাইগঞ্জে ‘নারায়ণগঞ্জ সম্মিলিত সনাতনী মঞ্চ’ আয়োজিত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সাবেক এই সংসদ সদস্য আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, “২০ বছর আগে আপনাদের পাশে ছিলাম, আর এই বিশটি বছর আমি অপেক্ষা করেছি আজকের এই দিনটির জন্য। তৎকালীন হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা রণবীর রায় চৌধুরী আমার ছায়াসঙ্গী হয়ে মনোনয়ন পত্র জমা দিতেন। তিনি ছিলেন আপনাদের সম্মিলিত আস্থার প্রতীক। আমি বিশ্বাস করি, সেই পুরনো বন্ধন আজও অটুট আছে।”
সভায় প্রয়াত নেতা রণবীর রায় চৌধুরীর ছেলে আলোকচিত্রী জয় কে রায় চৌধুরী অতীতের তথ্য তুলে ধরে বলেন, “২০০১ সালে রমনা কালী মন্দিরে পুনরায় দুর্গাপূজা চালুর নেপথ্যে নারায়ণগঞ্জের এই সম্প্রীতির বড় অবদান ছিল। সে সময় হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে সারা বাংলাদেশে সর্বোচ্চ পরিমাণ অনুদান বরাদ্দ হয়েছিল শুধু অ্যাডভোকেট আবুল কালাম এবং আমার বাবার যৌথ স্বাক্ষরে। কালাম কাকা সেই সময় যে উদারতা দেখিয়েছেন, তা আজও দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।”
হিন্দু ধর্মীয় ট্রাস্টের সাবেক ট্রাস্টি পরিতোষ কান্তি সাহার সভাপতিত্বে এবং জয় কে রায় চৌধুরীর সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু, প্রবীর কুমার সাহা, লিটন পাল, নিতাইগঞ্জ মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রবাস সাহা এবং চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক বিকাশ সাহাসহ সনাতনী সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
বক্তারা বলেন, নারায়ণগঞ্জ সবসময়ই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির শহর হিসেবে পরিচিত। আগামীর নির্বাচনে এই সম্প্রীতি বজায় রেখে কাজ করার অঙ্গীকার করেন উপস্থিত সকলেই।
বিশ বছর আগের সেই হারানো সখ্য আর সম্প্রীতির আবহ যেন আবারও ফিরে এলো নারায়ণগঞ্জের নিতাইগঞ্জে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অধিকার ও মর্যাদা রক্ষার দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যের স্মৃতিচারণ করে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবুল কালাম বলেছেন, “আপনাদের দাবি বা সমস্যা নিয়ে আসার জন্য কোনো আনুষ্ঠানিকতার প্রয়োজন নেই; আমার দরজা সবসময় আপনাদের জন্য খোলা। আপনারা শুধু কাজ দেখিয়ে দিবেন, আমি আপনাদের সেবকের মতো সেই সেবা নিশ্চিত করব।”
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে শহরের নিতাইগঞ্জে ‘নারায়ণগঞ্জ সম্মিলিত সনাতনী মঞ্চ’ আয়োজিত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
সাবেক এই সংসদ সদস্য আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, “২০ বছর আগে আপনাদের পাশে ছিলাম, আর এই বিশটি বছর আমি অপেক্ষা করেছি আজকের এই দিনটির জন্য। তৎকালীন হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতা রণবীর রায় চৌধুরী আমার ছায়াসঙ্গী হয়ে মনোনয়ন পত্র জমা দিতেন। তিনি ছিলেন আপনাদের সম্মিলিত আস্থার প্রতীক। আমি বিশ্বাস করি, সেই পুরনো বন্ধন আজও অটুট আছে।”
সভায় প্রয়াত নেতা রণবীর রায় চৌধুরীর ছেলে আলোকচিত্রী জয় কে রায় চৌধুরী অতীতের তথ্য তুলে ধরে বলেন, “২০০১ সালে রমনা কালী মন্দিরে পুনরায় দুর্গাপূজা চালুর নেপথ্যে নারায়ণগঞ্জের এই সম্প্রীতির বড় অবদান ছিল। সে সময় হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্ট থেকে সারা বাংলাদেশে সর্বোচ্চ পরিমাণ অনুদান বরাদ্দ হয়েছিল শুধু অ্যাডভোকেট আবুল কালাম এবং আমার বাবার যৌথ স্বাক্ষরে। কালাম কাকা সেই সময় যে উদারতা দেখিয়েছেন, তা আজও দৃষ্টান্ত হয়ে আছে।”
হিন্দু ধর্মীয় ট্রাস্টের সাবেক ট্রাস্টি পরিতোষ কান্তি সাহার সভাপতিত্বে এবং জয় কে রায় চৌধুরীর সঞ্চালনায় সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, সদস্য সচিব আবু আল ইউসুফ খান টিপু, প্রবীর কুমার সাহা, লিটন পাল, নিতাইগঞ্জ মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক প্রবাস সাহা এবং চেম্বার অব কমার্সের পরিচালক বিকাশ সাহাসহ সনাতনী সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
বক্তারা বলেন, নারায়ণগঞ্জ সবসময়ই সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির শহর হিসেবে পরিচিত। আগামীর নির্বাচনে এই সম্প্রীতি বজায় রেখে কাজ করার অঙ্গীকার করেন উপস্থিত সকলেই।
লোড হচ্ছে...