বিশেষ
ঈদে পর্যটক বরণে প্রস্তুত জাফলং-বিছানাকান্দি
NewsView6

নয়নাভিরাম জাফলং
নিউজভিউ ডেস্ক
নদী, পাহাড়, চা বাগান আর পাহাড়ি ঝর্ণার সমন্বয়ে অপূর্ব রূপলাবণ্যে ভরা গোয়াইনঘাটের পর্যটন কেন্দ্রগুলো। নয়নাভিরাম এসব সৌন্দর্য অবলোকন করতে ঈদের ছুটিতে ভ্রমণ পিপাসুরা ছুটে আসেন নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি সিলেটের প্রকৃতিকন্যা জাফলং, পান্তুমাই ঝর্ণা, সোয়াম ফরেস্ট, রাতারগুল ও জল-পাথরের বিছনাকান্দিতে।
ঈদ-পরবর্তী ছুটির দিনগুলোতে লাখো পর্যটকের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে এসব পর্যটন কেন্দ্র। তাই প্রকৃতির আপন মহিমায় গড়ে ওঠা এই পর্যটন কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রয়েছে আগত পর্যটকদের বরণ করে নিতে। ঈদকে সামনে রেখে পর্যটন কেন্দ্রের আবাসিক হোটেল, রেস্টুরেন্টসহ বিভিন্ন কসমেটিকস ও উপহার সামগ্রীর দোকানগুলো সাজানো হয়েছে ভিন্ন ভিন্ন আমেজে।
জাফলংয়ের সারিবদ্ধ চা-বাগান, উঁচু-নিচু পাহাড়-টিলা, গহিন অরণ্য আর ভারত থেকে প্রবাহিত পাহাড়ি ঝর্ণার কলকল ধ্বনি; সব মিলিয়ে সিলেটের প্রতিটি স্পট যেন প্রকৃতির তুলিতে আঁকা এক জীবন্ত ক্যানভাস। স্বচ্ছ জলের বুকে ছড়িয়ে থাকা হরেক রকমের নুড়ি পাথর, দূর আকাশে মেঘে ঢাকা পাহাড়ী চূড়া দেখলে মন জুড়িয়ে যায় যে কারো।
যান্ত্রিক নগরজীবনের কোলাহল থেকে একটু প্রশান্তির ছোঁয়া খুঁজতে ঈদে অনেকেই বেছে নেন সিলেটের ভোলাগঞ্জ, জাফলং, বিছনাকান্দি ও রাতারগুলকে। পাশেই রয়েছে জাফলংয়ের মায়াবী ঝর্ণা। ঝর্ণা ছুয়ে প্রবাহিত স্বচ্ছ জ্বলে শরীর ভিজালে পর্যটকদের দেয় রোমাঞ্চকর এক অনন্য অনুভূতি।
সিলেটের সীমান্তবর্তী এই পর্যটনকেন্দ্রের ওপারেই ভারতের ডাউকি শহর। পাহাড় বেয়ে নেমে আসা ডাউকি নদী, এখান দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে পিয়াইন নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে। পিয়াইন নদীর অববাহিকায় গড়ে ওঠা জাফলংয়ের প্রকৃতি বৈচিত্র্যময় ও জীবন্ত।
জৈন্তাপুরের লালাখাল, ডিবিরহাওর, গোয়াইনঘাটের সোয়াম্প ফরেস্ট রাতারগুল, প্রকৃতির অপ্সরাখ্যাত বিছনাকান্দি, পান্তুমাই ঝর্ণাধারা; প্রতিটি জায়গাই নিজস্ব সৌন্দর্যে ভরপুর, যা ভ্রমণকে করে তোলে আরও সমৃদ্ধ ও রোমাঞ্চকর।
যেভাবে যাবেন
প্রকৃতির এই অনন্য সৌন্দর্য উপভোগ করতে আপনাকে প্রথমেই যেতে হবে সিলেটে। সিলেট শহর থেকে কদমতলী বাসস্ট্যান্ড কিংবা সোবহানীঘাট থেকে সরাসরি গেইটলক বাসে করে আসতে পারেন জাফলংয়ে। এতে গেইটলকের ভাড়া নেবে জনপ্রতি ১৫০ টাকা করে। এছাড়াও সিএনজি কিংবা মাইক্রো ভাড়া করে সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায় জাফলং।
কোথায় থাকবেন
সিলেট শহরের পাশাপাশি পর্যটন এলাকা জাফলংয়েও রয়েছে উন্নতমানের বহু হোটেল ও রিসোর্ট। স্বল্প বাজেটের আবাসনের ব্যবস্থাও আছে। পর্যটকদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে স্থানীয় হাওর বাওরের মাছ, দেশীয় সকল ধরণের মাংসসহ নানাবিধ খাবারের ভরপুর ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়াও যাতায়াতের জন্য রয়েছে কাঠ দিয়ে তৈরি পৃথক পৃথক নৌ-ব্যবস্থা। প্রকৃতির অকৃপণ সৌন্দর্য, পাহাড়ি হাওয়া আর নদীর স্বচ্ছ জলে পা ভিজিয়ে কাটানো কিছু নির্ভার মুহুর্ত-সব মিলিয়ে সিলেট হতে পারে ভ্রমণের সেরা ঠিকানা।
গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মনিরুজ্জামান জানান, ঈদুল আজহার দীর্ঘ ছুটিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত পর্যটকদের স্বার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য গোয়াইনঘাট থানা পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ। এ লক্ষ্য পুলিশের ফুড পেট্রোল, পেট্রোল টিম, টুরিস্ট পুলিশ ছাড়াও সাদা পোশাকে পুলিশ দ্বায়িত্ব পালন করবে। যে কোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা কিংবা অপরাধ ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে থানা পুলিশ কঠোর অবস্থানে থাকবে। জাফলংসহ গোয়াইনঘাটের সকল পর্যটন স্পট নির্বিঘ্নে ঘুরে দেখতে থানা পুলিশের পক্ষ থেকে সবধরণের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। পর্যটকদের কোন প্রকার ভোগান্তি ছাড়াই প্রাকৃতির নয়নাভিরাম দৃশ্য অবলোকনে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তিনি।
নদী, পাহাড়, চা বাগান আর পাহাড়ি ঝর্ণার সমন্বয়ে অপূর্ব রূপলাবণ্যে ভরা গোয়াইনঘাটের পর্যটন কেন্দ্রগুলো। নয়নাভিরাম এসব সৌন্দর্য অবলোকন করতে ঈদের ছুটিতে ভ্রমণ পিপাসুরা ছুটে আসেন নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি সিলেটের প্রকৃতিকন্যা জাফলং, পান্তুমাই ঝর্ণা, সোয়াম ফরেস্ট, রাতারগুল ও জল-পাথরের বিছনাকান্দিতে।
ঈদ-পরবর্তী ছুটির দিনগুলোতে লাখো পর্যটকের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে এসব পর্যটন কেন্দ্র। তাই প্রকৃতির আপন মহিমায় গড়ে ওঠা এই পর্যটন কেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রয়েছে আগত পর্যটকদের বরণ করে নিতে। ঈদকে সামনে রেখে পর্যটন কেন্দ্রের আবাসিক হোটেল, রেস্টুরেন্টসহ বিভিন্ন কসমেটিকস ও উপহার সামগ্রীর দোকানগুলো সাজানো হয়েছে ভিন্ন ভিন্ন আমেজে।
জাফলংয়ের সারিবদ্ধ চা-বাগান, উঁচু-নিচু পাহাড়-টিলা, গহিন অরণ্য আর ভারত থেকে প্রবাহিত পাহাড়ি ঝর্ণার কলকল ধ্বনি; সব মিলিয়ে সিলেটের প্রতিটি স্পট যেন প্রকৃতির তুলিতে আঁকা এক জীবন্ত ক্যানভাস। স্বচ্ছ জলের বুকে ছড়িয়ে থাকা হরেক রকমের নুড়ি পাথর, দূর আকাশে মেঘে ঢাকা পাহাড়ী চূড়া দেখলে মন জুড়িয়ে যায় যে কারো।
যান্ত্রিক নগরজীবনের কোলাহল থেকে একটু প্রশান্তির ছোঁয়া খুঁজতে ঈদে অনেকেই বেছে নেন সিলেটের ভোলাগঞ্জ, জাফলং, বিছনাকান্দি ও রাতারগুলকে। পাশেই রয়েছে জাফলংয়ের মায়াবী ঝর্ণা। ঝর্ণা ছুয়ে প্রবাহিত স্বচ্ছ জ্বলে শরীর ভিজালে পর্যটকদের দেয় রোমাঞ্চকর এক অনন্য অনুভূতি।
সিলেটের সীমান্তবর্তী এই পর্যটনকেন্দ্রের ওপারেই ভারতের ডাউকি শহর। পাহাড় বেয়ে নেমে আসা ডাউকি নদী, এখান দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে পিয়াইন নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে। পিয়াইন নদীর অববাহিকায় গড়ে ওঠা জাফলংয়ের প্রকৃতি বৈচিত্র্যময় ও জীবন্ত।
জৈন্তাপুরের লালাখাল, ডিবিরহাওর, গোয়াইনঘাটের সোয়াম্প ফরেস্ট রাতারগুল, প্রকৃতির অপ্সরাখ্যাত বিছনাকান্দি, পান্তুমাই ঝর্ণাধারা; প্রতিটি জায়গাই নিজস্ব সৌন্দর্যে ভরপুর, যা ভ্রমণকে করে তোলে আরও সমৃদ্ধ ও রোমাঞ্চকর।
যেভাবে যাবেন
প্রকৃতির এই অনন্য সৌন্দর্য উপভোগ করতে আপনাকে প্রথমেই যেতে হবে সিলেটে। সিলেট শহর থেকে কদমতলী বাসস্ট্যান্ড কিংবা সোবহানীঘাট থেকে সরাসরি গেইটলক বাসে করে আসতে পারেন জাফলংয়ে। এতে গেইটলকের ভাড়া নেবে জনপ্রতি ১৫০ টাকা করে। এছাড়াও সিএনজি কিংবা মাইক্রো ভাড়া করে সহজেই পৌঁছে যাওয়া যায় জাফলং।
কোথায় থাকবেন
সিলেট শহরের পাশাপাশি পর্যটন এলাকা জাফলংয়েও রয়েছে উন্নতমানের বহু হোটেল ও রিসোর্ট। স্বল্প বাজেটের আবাসনের ব্যবস্থাও আছে। পর্যটকদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে স্থানীয় হাওর বাওরের মাছ, দেশীয় সকল ধরণের মাংসসহ নানাবিধ খাবারের ভরপুর ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়াও যাতায়াতের জন্য রয়েছে কাঠ দিয়ে তৈরি পৃথক পৃথক নৌ-ব্যবস্থা। প্রকৃতির অকৃপণ সৌন্দর্য, পাহাড়ি হাওয়া আর নদীর স্বচ্ছ জলে পা ভিজিয়ে কাটানো কিছু নির্ভার মুহুর্ত-সব মিলিয়ে সিলেট হতে পারে ভ্রমণের সেরা ঠিকানা।
গোয়াইনঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মনিরুজ্জামান জানান, ঈদুল আজহার দীর্ঘ ছুটিতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত পর্যটকদের স্বার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য গোয়াইনঘাট থানা পুলিশের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে নানা উদ্যোগ। এ লক্ষ্য পুলিশের ফুড পেট্রোল, পেট্রোল টিম, টুরিস্ট পুলিশ ছাড়াও সাদা পোশাকে পুলিশ দ্বায়িত্ব পালন করবে। যে কোন ধরণের অপ্রীতিকর ঘটনা কিংবা অপরাধ ও অপরাধীদের বিরুদ্ধে থানা পুলিশ কঠোর অবস্থানে থাকবে। জাফলংসহ গোয়াইনঘাটের সকল পর্যটন স্পট নির্বিঘ্নে ঘুরে দেখতে থানা পুলিশের পক্ষ থেকে সবধরণের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। পর্যটকদের কোন প্রকার ভোগান্তি ছাড়াই প্রাকৃতির নয়নাভিরাম দৃশ্য অবলোকনে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তিনি।
লোড হচ্ছে...