জাতীয়
নির্বাচনে সীমিত হচ্ছে মোবাইল ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং
NewsView

নিউজভিউ
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও ঐতিহাসিক গণভোটকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের আর্থিক কড়াকড়ি আরোপ করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনে কালো টাকার অবৈধ প্রভাব এবং পেশিশক্তির ব্যবহার ঠেকাতে ভোটগ্রহণের সময় মোবাইল ব্যাংকিং ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা সীমিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব জানান, নির্বাচনের কয়েক দিন আগে থেকে ভোটগ্রহণের দিন পর্যন্ত সারা দেশে মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ, নগদ, রকেট ইত্যাদি) এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের ওপর নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতা থাকবে।
তিনি বলেন, “ভোটের সময় কালো টাকার ছড়াছড়ি এবং ভোটারদের প্রভাবিত করার অপচেষ্টা বন্ধ করতে আমরা লেনদেন সীমিত করার পরিকল্পনা নিয়েছি। তবে জনস্বার্থের কথা বিবেচনা করে সেবাগুলো একেবারে বন্ধ করা হবে না; কেবল একটি নির্দিষ্ট সীমার বেশি লেনদেন করা যাবে না।”
আখতার আহমেদ আরও বলেন, নির্বাচনকালীন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুতই এ সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশিকা জারি করা হবে। অবৈধ অর্থের লেনদেন শনাক্ত করতে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও সক্রিয় থাকবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই জোড়া ভোটকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক কড়াকড়ি আরোপ করছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও নির্বাচন কমিশন।
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও ঐতিহাসিক গণভোটকে কেন্দ্র করে বড় ধরনের আর্থিক কড়াকড়ি আরোপ করতে যাচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনে কালো টাকার অবৈধ প্রভাব এবং পেশিশক্তির ব্যবহার ঠেকাতে ভোটগ্রহণের সময় মোবাইল ব্যাংকিং ও ইন্টারনেট ব্যাংকিং সেবা সীমিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
সংবাদ সম্মেলনে ইসি সচিব জানান, নির্বাচনের কয়েক দিন আগে থেকে ভোটগ্রহণের দিন পর্যন্ত সারা দেশে মোবাইল ব্যাংকিং (বিকাশ, নগদ, রকেট ইত্যাদি) এবং ইন্টারনেট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনের ওপর নির্দিষ্ট সীমাবদ্ধতা থাকবে।
তিনি বলেন, “ভোটের সময় কালো টাকার ছড়াছড়ি এবং ভোটারদের প্রভাবিত করার অপচেষ্টা বন্ধ করতে আমরা লেনদেন সীমিত করার পরিকল্পনা নিয়েছি। তবে জনস্বার্থের কথা বিবেচনা করে সেবাগুলো একেবারে বন্ধ করা হবে না; কেবল একটি নির্দিষ্ট সীমার বেশি লেনদেন করা যাবে না।”
আখতার আহমেদ আরও বলেন, নির্বাচনকালীন পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং স্বচ্ছতা বজায় রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুতই এ সংক্রান্ত বিস্তারিত নির্দেশিকা জারি করা হবে। অবৈধ অর্থের লেনদেন শনাক্ত করতে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও সক্রিয় থাকবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং সংবিধান সংস্কার সংক্রান্ত ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই জোড়া ভোটকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং প্রশাসনিক কড়াকড়ি আরোপ করছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও নির্বাচন কমিশন।
লোড হচ্ছে...