আন্তর্জাতিক
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ
হরমুজ প্রণালি ফের বন্ধ করে দিল ইরান
NHP NewsView

নিউজভিউ
বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান। এই ঘোষণার পর ওই পথ দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা একটি বিশাল তেলবাহী জাহাজকে মাঝপথ থেকে ফিরে যেতে বাধ্য করেছে দেশটির নৌবাহিনী। ইরানের সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। লারাক দ্বীপ ও ওমানের মুসান্দাম উপদ্বীপের মধ্যবর্তী অত্যন্ত সংবেদনশীল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
সামুদ্রিক ট্র্যাকিং তথ্যের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, ‘অরোরা’ নামের একটি তেলবাহী ট্যাংকার প্রণালি পার হওয়ার চেষ্টা করছিল। তবে হঠাৎ করেই জাহাজটি দিক পরিবর্তন করে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে পুনরায় পারস্য উপসাগরের ভেতরের দিকে ফিরে যেতে বাধ্য হয়। আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমায় এই ধরনের ঘটনা বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করেছে।
এদিকে ইরানের প্রভাবশালী নেতা মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ এই উত্তেজনার জন্য সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, কোনো আলোচনা শুরুর আগেই ওয়াশিংটন তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। গালিবাফের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনো প্রকার যুদ্ধবিরতি আলোচনা সম্পূর্ণ অর্থহীন হয়ে পড়েছে। ইসরায়েল কর্তৃক লেবাননে সাম্প্রতিক হামলার পর থেকেই ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বন্ধের হুমকি দিয়ে আসছিল।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-পঞ্চমাংশ পরিবহনের একমাত্র পথ। এই পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক লাফে কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ওমান উপকূলের কাছে অবস্থানরত জাহাজগুলো এখন বিকল্প পথের খোঁজে গভীর উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে। শাফাক নিউজ সূত্রে প্রাপ্ত এই খবরটি এখন আন্তর্জাতিক মহলে টক অফ দ্য টাউন।
বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রুট হরমুজ প্রণালি বন্ধ ঘোষণা করেছে ইরান। এই ঘোষণার পর ওই পথ দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা একটি বিশাল তেলবাহী জাহাজকে মাঝপথ থেকে ফিরে যেতে বাধ্য করেছে দেশটির নৌবাহিনী। ইরানের সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। লারাক দ্বীপ ও ওমানের মুসান্দাম উপদ্বীপের মধ্যবর্তী অত্যন্ত সংবেদনশীল এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
সামুদ্রিক ট্র্যাকিং তথ্যের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, ‘অরোরা’ নামের একটি তেলবাহী ট্যাংকার প্রণালি পার হওয়ার চেষ্টা করছিল। তবে হঠাৎ করেই জাহাজটি দিক পরিবর্তন করে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে পুনরায় পারস্য উপসাগরের ভেতরের দিকে ফিরে যেতে বাধ্য হয়। আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমায় এই ধরনের ঘটনা বিশ্বজুড়ে তেলের বাজারে নতুন করে অস্থিরতা তৈরি করেছে।
এদিকে ইরানের প্রভাবশালী নেতা মোহাম্মদ বাকের গালিবাফ এই উত্তেজনার জন্য সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, কোনো আলোচনা শুরুর আগেই ওয়াশিংটন তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। গালিবাফের মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনো প্রকার যুদ্ধবিরতি আলোচনা সম্পূর্ণ অর্থহীন হয়ে পড়েছে। ইসরায়েল কর্তৃক লেবাননে সাম্প্রতিক হামলার পর থেকেই ইরান এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ বন্ধের হুমকি দিয়ে আসছিল।
বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালি বিশ্বের মোট জ্বালানি তেলের এক-পঞ্চমাংশ পরিবহনের একমাত্র পথ। এই পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক লাফে কয়েক গুণ বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। ওমান উপকূলের কাছে অবস্থানরত জাহাজগুলো এখন বিকল্প পথের খোঁজে গভীর উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে। শাফাক নিউজ সূত্রে প্রাপ্ত এই খবরটি এখন আন্তর্জাতিক মহলে টক অফ দ্য টাউন।
লোড হচ্ছে...