নারায়ণগঞ্জসদর
পেশার আড়ালে প্রতারণা: ‘সাংবাদিক’ পরিচয়ে চাঁদাবাজির সময় আটক ২
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা নামসর্বস্ব অনলাইন পোর্টাল ও ভুঁইফোড় কিছু টিভি চ্যানেলের নাম ভাঙিয়ে একদল অসাধু ব্যক্তি ‘সাংবাদিক’ পরিচয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। সাংবাদিকতার নূন্যতম জ্ঞান বা শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকলেও কেবল একটি গলার কার্ড ঝুলিয়েই এরা ক্ষমতার অপব্যবহার করছে। এদের মধ্যে অনেকেই এমনকি মাধ্যমিকের গণ্ডিও পার হয়নি, অথচ পকেটে থাকে ‘সম্পাদক’ বা ‘প্রতিনিধি’র কার্ড। মহান এই পেশাকে পুঁজি করে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করা, চায়ের দোকান ও ফুটপাতে দোকান বসানো, অটোরিক্সা থেকে অর্থ আদায় এবং সরকারি অফিসগুলোতে দালালি ও চাঁদাবাজিই হয়ে দাঁড়িয়েছে এদের আয়ের প্রধান উৎস। এই তথাকথিত সাংবাদিকদের দাপটে প্রকৃত গণমাধ্যমকর্মীরা যেমন বিব্রত হচ্ছেন, তেমনি সাধারণ মানুষও প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছে। এমনই এক প্রতারণার ঘটনায় এবার ধরা খেলেন দুই ‘কথিত’ সাংবাদিক।
নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে সাংবাদিক পরিচয়ে দালালি ও চাঁদাবাজি করার সময় দুই ভুয়া সাংবাদিককে হাতেনাতে ধরেছে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুনিম সোহানা এই অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, মনিরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি নিজেকে ‘এসএ টিভি’র সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে পাসপোর্ট অফিসে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছিলেন। তিনি তিন ব্যক্তির কাছ থেকে ৩৯ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে তাঁদের আত্মীয় পরিচয় দিয়ে পাসপোর্ট করিয়ে দেওয়ার দালালি করছিলেন। পাসপোর্ট অফিসের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ শামীম বিষয়টি টের পেয়ে জেলা প্রশাসনকে অবহিত করলে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে আটক করে। দোষ স্বীকার করায় আদালত মনিরুলকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা জরিমানা প্রদান করে।
একই সময়ে ‘বাংলা সংবাদ’ নামক একটি ভুঁইফোড় পোর্টালের সম্পাদক পরিচয় দিয়ে মিয়া মোহাম্মদ মুরাদ হোসেন নামের আরেক ব্যক্তি পাসপোর্ট অফিসে এসে কর্মকর্তাদের কাছে চাঁদা দাবি করেন। অফিস কক্ষে থাকা গোপন ক্যামেরায় তাঁর চাঁদাবাজির দৃশ্য ধরা পড়লে ম্যাজিস্ট্রেট তাঁকে জেরা করেন। তবে পরে সে যাত্রায় মুচলেকা দিয়ে কোনোমতে ছাড় পান এই কথিত সম্পাদক।
পাসপোর্ট অফিসের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ শামীম জানান, দালাল ও ভুয়া সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্য বন্ধে তাঁরা কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। সাংবাদিকতার আড়ালে যারা সাধারণ মানুষকে প্রতারণা করছে, তাঁদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া অব্যাহত থাকবে।
নারায়ণগঞ্জের সচেতন মহল মনে করছেন, যত্রতত্র সাংবাদিকের কার্ড বিলি করা এসব প্রতিষ্ঠানের লাগাম টেনে না ধরলে পেশাদার সাংবাদিকতা আরও হুমকির মুখে পড়বে।
নারায়ণগঞ্জে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা নামসর্বস্ব অনলাইন পোর্টাল ও ভুঁইফোড় কিছু টিভি চ্যানেলের নাম ভাঙিয়ে একদল অসাধু ব্যক্তি ‘সাংবাদিক’ পরিচয়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। সাংবাদিকতার নূন্যতম জ্ঞান বা শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকলেও কেবল একটি গলার কার্ড ঝুলিয়েই এরা ক্ষমতার অপব্যবহার করছে। এদের মধ্যে অনেকেই এমনকি মাধ্যমিকের গণ্ডিও পার হয়নি, অথচ পকেটে থাকে ‘সম্পাদক’ বা ‘প্রতিনিধি’র কার্ড। মহান এই পেশাকে পুঁজি করে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করা, চায়ের দোকান ও ফুটপাতে দোকান বসানো, অটোরিক্সা থেকে অর্থ আদায় এবং সরকারি অফিসগুলোতে দালালি ও চাঁদাবাজিই হয়ে দাঁড়িয়েছে এদের আয়ের প্রধান উৎস। এই তথাকথিত সাংবাদিকদের দাপটে প্রকৃত গণমাধ্যমকর্মীরা যেমন বিব্রত হচ্ছেন, তেমনি সাধারণ মানুষও প্রতিনিয়ত প্রতারিত হচ্ছে। এমনই এক প্রতারণার ঘটনায় এবার ধরা খেলেন দুই ‘কথিত’ সাংবাদিক।
নারায়ণগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে সাংবাদিক পরিচয়ে দালালি ও চাঁদাবাজি করার সময় দুই ভুয়া সাংবাদিককে হাতেনাতে ধরেছে জেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সুনিম সোহানা এই অভিযান পরিচালনা করেন।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, মনিরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি নিজেকে ‘এসএ টিভি’র সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে পাসপোর্ট অফিসে প্রভাব খাটানোর চেষ্টা করছিলেন। তিনি তিন ব্যক্তির কাছ থেকে ৩৯ হাজার টাকা হাতিয়ে নিয়ে তাঁদের আত্মীয় পরিচয় দিয়ে পাসপোর্ট করিয়ে দেওয়ার দালালি করছিলেন। পাসপোর্ট অফিসের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ শামীম বিষয়টি টের পেয়ে জেলা প্রশাসনকে অবহিত করলে ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে আটক করে। দোষ স্বীকার করায় আদালত মনিরুলকে সাত দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা জরিমানা প্রদান করে।
একই সময়ে ‘বাংলা সংবাদ’ নামক একটি ভুঁইফোড় পোর্টালের সম্পাদক পরিচয় দিয়ে মিয়া মোহাম্মদ মুরাদ হোসেন নামের আরেক ব্যক্তি পাসপোর্ট অফিসে এসে কর্মকর্তাদের কাছে চাঁদা দাবি করেন। অফিস কক্ষে থাকা গোপন ক্যামেরায় তাঁর চাঁদাবাজির দৃশ্য ধরা পড়লে ম্যাজিস্ট্রেট তাঁকে জেরা করেন। তবে পরে সে যাত্রায় মুচলেকা দিয়ে কোনোমতে ছাড় পান এই কথিত সম্পাদক।
পাসপোর্ট অফিসের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ শামীম জানান, দালাল ও ভুয়া সাংবাদিকদের দৌরাত্ম্য বন্ধে তাঁরা কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। সাংবাদিকতার আড়ালে যারা সাধারণ মানুষকে প্রতারণা করছে, তাঁদের চিহ্নিত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া অব্যাহত থাকবে।
নারায়ণগঞ্জের সচেতন মহল মনে করছেন, যত্রতত্র সাংবাদিকের কার্ড বিলি করা এসব প্রতিষ্ঠানের লাগাম টেনে না ধরলে পেশাদার সাংবাদিকতা আরও হুমকির মুখে পড়বে।
লোড হচ্ছে...