নারায়ণগঞ্জসদর
পরকীয়া সন্দেহে নববধুকে হত্যা, স্বামী গ্রেপ্তার
NHP NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গৃহবধূ সাবিনা বেগম ওরফে চম্পা (২২) হত্যার রহস্য মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই উদঘাটন করেছে পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন)। পরকীয়া সন্দেহে ক্ষুব্ধ হয়ে স্বামী হামিদুল ইসলাম ওরফে রনি নিজেই তার স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছেন বলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি ১৬৪ ধারায় নিজের দোষ স্বীকার করে এই জবানবন্দি প্রদান করেন। এর আগে বুধবার রাতে ফতুল্লার আলীগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখা।
পিবিআই জানায়, গত ২০ ফেব্রুয়ারি পারিবারিকভাবে চম্পা ও রনির বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই রনি সন্দেহ করতেন যে চম্পার পূর্বের কোনো প্রেমিকের সাথে সম্পর্ক এখনো বিদ্যমান। রনি কাজে বাইরে গেলে চম্পা বাসা তালা দিয়ে বাইরে যেতেন এবং মাঝে মাঝে রনিকে ঘরের ভেতর আটকে রেখেও তিনি বাইরে চলে যেতেন বলে রনি দাবি করেন। এই বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো।
গত ১৭ মার্চ রাত সাড়ে ৯টায় রনি কাজ শেষে বাসায় ফেরেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে পরকীয়া নিয়ে পুনরায় তর্কে লিপ্ত হলে রনি ক্ষিপ্ত হয়ে চম্পার গালে সজোরে থাপ্পড় মারেন এবং গলা চিপে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করেন। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর লাশটি বাড়ির উত্তর-পূর্ব পাশে বাথরুম সংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত রুমে ফেলে রেখে তিনি স্বাভাবিক থাকার নাটক করেন।
১৮ মার্চ সকালে পরিত্যক্ত ঘর থেকে লাশ উদ্ধারের পর পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলার ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার মো. মোস্তফা কামাল রাশেদের নির্দেশনায় ছায়া তদন্ত শুরু হয়। এসআই মো. জাহিদ হোসেন রায়হানের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিশ্চিত হয় যে স্বামী রনিই এই হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা। পরে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে তাকে আলীগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এই ঘটনায় নিহতের ভাই রুবেল কাজী বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় একটি হত্যা মামলা (মামলা নং-৫৫) দায়ের করেছেন। পিবিআই জানিয়েছে এই হত্যাকাণ্ডে আর কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় গৃহবধূ সাবিনা বেগম ওরফে চম্পা (২২) হত্যার রহস্য মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই উদঘাটন করেছে পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন)। পরকীয়া সন্দেহে ক্ষুব্ধ হয়ে স্বামী হামিদুল ইসলাম ওরফে রনি নিজেই তার স্ত্রীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছেন বলে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুরে গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হলে তিনি ১৬৪ ধারায় নিজের দোষ স্বীকার করে এই জবানবন্দি প্রদান করেন। এর আগে বুধবার রাতে ফতুল্লার আলীগঞ্জ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখা।
পিবিআই জানায়, গত ২০ ফেব্রুয়ারি পারিবারিকভাবে চম্পা ও রনির বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই রনি সন্দেহ করতেন যে চম্পার পূর্বের কোনো প্রেমিকের সাথে সম্পর্ক এখনো বিদ্যমান। রনি কাজে বাইরে গেলে চম্পা বাসা তালা দিয়ে বাইরে যেতেন এবং মাঝে মাঝে রনিকে ঘরের ভেতর আটকে রেখেও তিনি বাইরে চলে যেতেন বলে রনি দাবি করেন। এই বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো।
গত ১৭ মার্চ রাত সাড়ে ৯টায় রনি কাজ শেষে বাসায় ফেরেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে পরকীয়া নিয়ে পুনরায় তর্কে লিপ্ত হলে রনি ক্ষিপ্ত হয়ে চম্পার গালে সজোরে থাপ্পড় মারেন এবং গলা চিপে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করেন। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর লাশটি বাড়ির উত্তর-পূর্ব পাশে বাথরুম সংলগ্ন একটি পরিত্যক্ত রুমে ফেলে রেখে তিনি স্বাভাবিক থাকার নাটক করেন।
১৮ মার্চ সকালে পরিত্যক্ত ঘর থেকে লাশ উদ্ধারের পর পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলার ইউনিট ইনচার্জ পুলিশ সুপার মো. মোস্তফা কামাল রাশেদের নির্দেশনায় ছায়া তদন্ত শুরু হয়। এসআই মো. জাহিদ হোসেন রায়হানের নেতৃত্বে একটি আভিযানিক দল তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিশ্চিত হয় যে স্বামী রনিই এই হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা। পরে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে তাকে আলীগঞ্জ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এই ঘটনায় নিহতের ভাই রুবেল কাজী বাদী হয়ে ফতুল্লা থানায় একটি হত্যা মামলা (মামলা নং-৫৫) দায়ের করেছেন। পিবিআই জানিয়েছে এই হত্যাকাণ্ডে আর কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
লোড হচ্ছে...