সারা দেশ
তিস্তাপাড়ে বন্যার আশঙ্কা
NewsView5

ছবি : বাসস
নিউজভিউ ডেস্ক
টানা বৃষ্টি ও উজানের পাহাড়ি ঢলে দ্রুত বাড়ছে তিস্তা নদীর পানি। লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার দোয়ানী তিস্তা ব্যারাজ পয়েন্টে শনিবার সকাল ৯টায় পানির স্তর রেকর্ড করা হয়েছে ৫২ দশমিক ০২ মিটার, যা বিপৎসীমার মাত্র ১৩ সেন্টিমিটার নিচে। এ অবস্থায় রোববার সকাল নাগাদ পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করে তিস্তাপাড়ে বন্যা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় তিস্তার পানি ৩৮ সেন্টিমিটার বেড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে। ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের ২০টি গেট খুলে দেওয়ায় উজানের পানি দ্রুত নেমে আসছে, ফলে নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে।
নদীর পানি বাড়তে থাকায় লালমনিরহাট, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, রংপুর ও গাইবান্ধার তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে অনেক আবাদি জমি প্লাবিত হয়েছে। পানি আরও বাড়লে চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার বলেন, উজান থেকে পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় তিস্তার পানি আরও বাড়তে পারে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
এদিকে চরাঞ্চলের কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। অনেকের আমনের বীজতলা, বাদাম ও সবজির ক্ষেত ইতোমধ্যে পানিতে তলিয়ে গেছে। পানি দীর্ঘস্থায়ী হলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা।
রংপুর বিভাগীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবিব জানান, আপাতত ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, দুধকুমার, গঙ্গাধর, জিঞ্জিরাম ও ঘাঘট নদীতে বন্যার আশঙ্কা না থাকলেও তিস্তা নদী তীরবর্তী এলাকায় বন্যার ঝুঁকি রয়েছে। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় তিস্তার পানি ৩৮ সেন্টিমিটার বেড়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি জলকপাট খুলে রাখা হয়েছে। ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের ২০টি গেট খুলে দেওয়ায় উজানের পানি দ্রুত নেমে আসছে, ফলে নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছেছে।
নদীর পানি বাড়তে থাকায় লালমনিরহাট, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম, রংপুর ও গাইবান্ধার তিস্তা তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলে পানি ঢুকতে শুরু করেছে। ইতোমধ্যে অনেক আবাদি জমি প্লাবিত হয়েছে। পানি আরও বাড়লে চরাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
লালমনিরহাট পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শুনীল কুমার বলেন, উজান থেকে পাহাড়ি ঢল অব্যাহত থাকায় তিস্তার পানি আরও বাড়তে পারে। পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
এদিকে চরাঞ্চলের কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ বেড়েছে। অনেকের আমনের বীজতলা, বাদাম ও সবজির ক্ষেত ইতোমধ্যে পানিতে তলিয়ে গেছে। পানি দীর্ঘস্থায়ী হলে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা।
রংপুর বিভাগীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবিব জানান, আপাতত ব্রহ্মপুত্র, ধরলা, দুধকুমার, গঙ্গাধর, জিঞ্জিরাম ও ঘাঘট নদীতে বন্যার আশঙ্কা না থাকলেও তিস্তা নদী তীরবর্তী এলাকায় বন্যার ঝুঁকি রয়েছে। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
লোড হচ্ছে...