নারায়ণগঞ্জবন্দর
মজা থেকে মারামারি, প্রাণ গেল মাছ ব্যবসায়ীর
NewsView

নিউজভিউ
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে বন্ধুদের মাঝে এক তুচ্ছ ‘থাপ্পড়’ দেওয়ার ঘটনা শেষ পর্যন্ত রূপ নিলো হত্যাকাণ্ডে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার কেওঢালা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম মো. দুলাল মিয়া (৫৬), যিনি পেশায় একজন মাছ ব্যবসায়ী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার শুরু হয় ইব্রাহিম মিয়ার বাড়ির ছাদে। সেখানে মোহাম্মদ ওসমান ও তাঁর বন্ধু সাজিদ আড্ডার ছলে একে অপরকে থাপ্পড় মারেন। এই দুষ্টামি দ্রুত হাতাহাতিতে রূপ নিলে বাড়ির মালিক বিষয়টি মীমাংসা করে দেন। কিন্তু সাজিদ বিষয়টি সহজভাবে নেননি। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে প্রথম ঘটনার প্রতিশোধ নিতে সাজিদ ও তাঁর ৫-৬ জন আত্মীয় লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ওসমানের ভাড়া বাসায় হামলা চালায়। হামলাকারীরা ওসমানকে রক্ষায় আসা তাঁর বাবা দুলাল মিয়া এবং মা পারুল বেগমকেও এলোপাতাড়ি মারধর করে। আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর আহত দুলাল মিয়া স্থানীয়দের নিয়ে কামতাল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ জানাতে যান। অভিযোগ দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে রাত সাড়ে ৭টার দিকে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। দ্রুত তাঁকে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তৌহিদুল ইসলাম জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। হামলার সময় মাথায় বা শরীরে গুরুতর আঘাতের কারণে নাকি অতিরিক্ত উত্তেজনায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
বর্তমানে ঘটনার সাথে জড়িত সাজিদ ও তাঁর সহযোগীরা পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে বন্ধুদের মাঝে এক তুচ্ছ ‘থাপ্পড়’ দেওয়ার ঘটনা শেষ পর্যন্ত রূপ নিলো হত্যাকাণ্ডে। মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার কেওঢালা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম মো. দুলাল মিয়া (৫৬), যিনি পেশায় একজন মাছ ব্যবসায়ী ছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার শুরু হয় ইব্রাহিম মিয়ার বাড়ির ছাদে। সেখানে মোহাম্মদ ওসমান ও তাঁর বন্ধু সাজিদ আড্ডার ছলে একে অপরকে থাপ্পড় মারেন। এই দুষ্টামি দ্রুত হাতাহাতিতে রূপ নিলে বাড়ির মালিক বিষয়টি মীমাংসা করে দেন। কিন্তু সাজিদ বিষয়টি সহজভাবে নেননি। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে প্রথম ঘটনার প্রতিশোধ নিতে সাজিদ ও তাঁর ৫-৬ জন আত্মীয় লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ওসমানের ভাড়া বাসায় হামলা চালায়। হামলাকারীরা ওসমানকে রক্ষায় আসা তাঁর বাবা দুলাল মিয়া এবং মা পারুল বেগমকেও এলোপাতাড়ি মারধর করে। আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর আহত দুলাল মিয়া স্থানীয়দের নিয়ে কামতাল পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে লিখিত অভিযোগ জানাতে যান। অভিযোগ দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে রাত সাড়ে ৭টার দিকে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। দ্রুত তাঁকে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক জানান, হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তৌহিদুল ইসলাম জানান, মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। হামলার সময় মাথায় বা শরীরে গুরুতর আঘাতের কারণে নাকি অতিরিক্ত উত্তেজনায় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
বর্তমানে ঘটনার সাথে জড়িত সাজিদ ও তাঁর সহযোগীরা পলাতক রয়েছে। তাদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং এ ঘটনায় একটি হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।
লোড হচ্ছে...