আন্তর্জাতিক
ভয়াবহ ভূমিধসে নিহত ১০, নিখোঁজ অন্তত ৮০
NewsView

নিউজভিউ
ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভা প্রদেশে প্রবল বর্ষণের ফলে সৃষ্ট ভয়াবহ ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ৮০ জন। রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকালে নতুন করে উদ্ধার অভিযান শুরু হওয়ার পর এই তথ্য নিশ্চিত করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ভোরে পশ্চিম জাভার পশ্চিম বান্দুং জেলার একাধিক গ্রামে এই মর্মান্তিক দুর্যোগ ঘটে। পাহাড়ি এলাকা থেকে নেমে আসা কাদা ও মাটির স্রোতে বহু ঘরবাড়ি পুরোপুরি ধসে পড়েছে। দুর্যোগের সময় বেশিরভাগ মানুষ ঘুমিয়ে থাকায় হতাহতের সংখ্যা বেশি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বৈরী আবহাওয়া ও অন্ধকারের কারণে শনিবার রাতে উদ্ধার কাজ সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হলেও রোববার সকালে তা পুনরায় শুরু হয়।
উদ্ধার অভিযানের সমন্বয়কারী আদে দিয়ান পারমানা জানিয়েছেন, রোববার সকাল থেকে বৃষ্টি কমায় এবং আবহাওয়া কিছুটা অনুকূলে আসায় নিখোঁজদের সন্ধানে ড্রোন ও প্রশিক্ষিত কুকুর মোতায়েন করা হয়েছে। তবে পাহাড়ি অঞ্চলের কর্দমাক্ত মাটি ও ধ্বংসস্তূপের কারণে উদ্ধারকর্মীদের চরম বেগ পেতে হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত ১০টি মরদেহের মধ্যে ৭ জনকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।
এই ভূমিধসের প্রভাবে পশ্চিম জাভার বিভিন্ন এলাকায় বন্যা ও জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। রাজধানী জাকার্তাসহ নিচু এলাকাগুলোর বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনিয়ন্ত্রিত বন উজাড় এবং পাহাড়ের ঢালে অপরিকল্পিত কৃষিকাজের কারণে এই ধরনের দুর্যোগের তীব্রতা ও ক্ষয়ক্ষতি বহুগুণ বেড়ে গেছে। সুমাত্রার বন্যার পর পরিবেশ বিপর্যয়ের দায়ে ইতিমধ্যে ছয়টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ২০ কোটি ডলারের বেশি ক্ষতিপূরণ দাবি করে মামলা করেছে সরকার।
ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভা প্রদেশে প্রবল বর্ষণের ফলে সৃষ্ট ভয়াবহ ভূমিধসে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১০ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অন্তত ৮০ জন। রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকালে নতুন করে উদ্ধার অভিযান শুরু হওয়ার পর এই তথ্য নিশ্চিত করেছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি) ভোরে পশ্চিম জাভার পশ্চিম বান্দুং জেলার একাধিক গ্রামে এই মর্মান্তিক দুর্যোগ ঘটে। পাহাড়ি এলাকা থেকে নেমে আসা কাদা ও মাটির স্রোতে বহু ঘরবাড়ি পুরোপুরি ধসে পড়েছে। দুর্যোগের সময় বেশিরভাগ মানুষ ঘুমিয়ে থাকায় হতাহতের সংখ্যা বেশি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বৈরী আবহাওয়া ও অন্ধকারের কারণে শনিবার রাতে উদ্ধার কাজ সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হলেও রোববার সকালে তা পুনরায় শুরু হয়।
উদ্ধার অভিযানের সমন্বয়কারী আদে দিয়ান পারমানা জানিয়েছেন, রোববার সকাল থেকে বৃষ্টি কমায় এবং আবহাওয়া কিছুটা অনুকূলে আসায় নিখোঁজদের সন্ধানে ড্রোন ও প্রশিক্ষিত কুকুর মোতায়েন করা হয়েছে। তবে পাহাড়ি অঞ্চলের কর্দমাক্ত মাটি ও ধ্বংসস্তূপের কারণে উদ্ধারকর্মীদের চরম বেগ পেতে হচ্ছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উদ্ধারকৃত ১০টি মরদেহের মধ্যে ৭ জনকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে।
এই ভূমিধসের প্রভাবে পশ্চিম জাভার বিভিন্ন এলাকায় বন্যা ও জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। রাজধানী জাকার্তাসহ নিচু এলাকাগুলোর বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অনিয়ন্ত্রিত বন উজাড় এবং পাহাড়ের ঢালে অপরিকল্পিত কৃষিকাজের কারণে এই ধরনের দুর্যোগের তীব্রতা ও ক্ষয়ক্ষতি বহুগুণ বেড়ে গেছে। সুমাত্রার বন্যার পর পরিবেশ বিপর্যয়ের দায়ে ইতিমধ্যে ছয়টি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ২০ কোটি ডলারের বেশি ক্ষতিপূরণ দাবি করে মামলা করেছে সরকার।
লোড হচ্ছে...