জাতীয়
গোয়াল ঘরে স্বর্ণের খনি
NewsView

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
গবাদি পশুর খোয়াড়ে সোনা পাওয়ার খবরে দক্ষিণ আফ্রিকার একটি বস্তিতে নতুন করে খোঁড়াখুড়ির হিড়িক পড়েছে। দেশটির বাণিজ্যিক শহর জোহানেসবার্গের পূর্বাঞ্চলে সাবেক খনিশহর স্প্রিংসের ঘটনা এটি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, স্প্রিংসের একটি দরিদ্র এলাকার এক বাসিন্দা গরু বাঁধার একটি স্থানে মাটি খুঁড়তে গিয়ে কয়েকটি সোনার ঢেলা পাওয়ার দাবি করেন। খবরটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে ডজনের বেশি মানুষ সেখানে জড়ো হয়ে কোদাল ও বেলচা দিয়ে মাটি খুঁড়তে শুরু করে।
শতাব্দীরও বেশি আগে দক্ষিণ আফ্রিকার অর্থনৈতিক উত্থানে যে সোনার জ্বর ভূমিকা রেখেছিল, বর্তমান পরিস্থিতি অনেকটাই সেই সময়ের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। একসময় স্প্রিংস ছিল সমৃদ্ধ সোনার খনির শহর। তবে খনিগুলোর গভীরতা বেড়ে যাওয়ায় লাভজনক না থাকায় কয়েক বছর আগে সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।
বর্তমানে শহরটির চারপাশে গড়ে উঠেছে একাধিক বসতি, যেখানে বসবাসকারী অনেকেই প্রতিবেশী দেশ লেসোথো থেকে আসা অভিবাসী।
দক্ষিণ আফ্রিকার খনিজ সম্পদ বিভাগ স্প্রিংসের গুগুলেথু নামের বসতিতে চলমান এই খনন কার্যক্রমকে অবৈধ ঘোষণা করেছে। সংস্থাটি সতর্ক করে জানায়, নিয়ন্ত্রণহীন খননের ফলে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে এবং মাটি ধসে পড়ার ঝুঁকি বাড়ছে।
এলাকায় খননে জড়িত কয়েকজন জানান, তারা সোনা পেয়েছেন এবং কালোবাজারে তা বিক্রি করেছেন। আকরিক থেকে সোনা আলাদা করতে পারদ ও সোডিয়াম সায়ানাইডের মতো বিপজ্জনক রাসায়নিক ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও জানা গেছে।
খননকারীদের একজন বলেন, ‘আমরা জানি এটি অবৈধ। কিন্তু পরিবারের ভরণপোষণ ও সন্তানদের পড়াশোনার জন্য আমাদের আয়ের কোনো বিকল্প নেই।’ আরেকজন বলেন, ‘এই কাজ আমাদের অনেককে সহিংস অপরাধ থেকে দূরে রেখেছে।’
বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি গ্রাম সোনার দাম প্রায় ১০০ মার্কিন ডলার, যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকায় মাসিক ন্যূনতম মজুরি প্রায় ৩৬৮ ডলার।
স্থানীয় সময় দুপুরের পর স্কুল ছুটি শেষে শিশুদেরও খননস্থলে আসতে দেখা গেছে। তারা স্কুলের পোশাক বদলে বাবা-মায়ের সঙ্গে সোনা খোঁজায় অংশ নিচ্ছে, যা শিশু নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।
এদিকে প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা সম্প্রতি অবৈধ খনন ও অপরাধ দমনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের ঘোষণা দিলেও, স্প্রিংসের ঘটনায় সংগঠিত অপরাধ চক্র জড়িত থাকার কোনো সরকারি প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।
গবাদি পশুর খোয়াড়ে সোনা পাওয়ার খবরে দক্ষিণ আফ্রিকার একটি বস্তিতে নতুন করে খোঁড়াখুড়ির হিড়িক পড়েছে। দেশটির বাণিজ্যিক শহর জোহানেসবার্গের পূর্বাঞ্চলে সাবেক খনিশহর স্প্রিংসের ঘটনা এটি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, স্প্রিংসের একটি দরিদ্র এলাকার এক বাসিন্দা গরু বাঁধার একটি স্থানে মাটি খুঁড়তে গিয়ে কয়েকটি সোনার ঢেলা পাওয়ার দাবি করেন। খবরটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে ডজনের বেশি মানুষ সেখানে জড়ো হয়ে কোদাল ও বেলচা দিয়ে মাটি খুঁড়তে শুরু করে।
শতাব্দীরও বেশি আগে দক্ষিণ আফ্রিকার অর্থনৈতিক উত্থানে যে সোনার জ্বর ভূমিকা রেখেছিল, বর্তমান পরিস্থিতি অনেকটাই সেই সময়ের কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে। একসময় স্প্রিংস ছিল সমৃদ্ধ সোনার খনির শহর। তবে খনিগুলোর গভীরতা বেড়ে যাওয়ায় লাভজনক না থাকায় কয়েক বছর আগে সেগুলো বন্ধ করে দেওয়া হয়।
বর্তমানে শহরটির চারপাশে গড়ে উঠেছে একাধিক বসতি, যেখানে বসবাসকারী অনেকেই প্রতিবেশী দেশ লেসোথো থেকে আসা অভিবাসী।
দক্ষিণ আফ্রিকার খনিজ সম্পদ বিভাগ স্প্রিংসের গুগুলেথু নামের বসতিতে চলমান এই খনন কার্যক্রমকে অবৈধ ঘোষণা করেছে। সংস্থাটি সতর্ক করে জানায়, নিয়ন্ত্রণহীন খননের ফলে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে এবং মাটি ধসে পড়ার ঝুঁকি বাড়ছে।
এলাকায় খননে জড়িত কয়েকজন জানান, তারা সোনা পেয়েছেন এবং কালোবাজারে তা বিক্রি করেছেন। আকরিক থেকে সোনা আলাদা করতে পারদ ও সোডিয়াম সায়ানাইডের মতো বিপজ্জনক রাসায়নিক ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও জানা গেছে।
খননকারীদের একজন বলেন, ‘আমরা জানি এটি অবৈধ। কিন্তু পরিবারের ভরণপোষণ ও সন্তানদের পড়াশোনার জন্য আমাদের আয়ের কোনো বিকল্প নেই।’ আরেকজন বলেন, ‘এই কাজ আমাদের অনেককে সহিংস অপরাধ থেকে দূরে রেখেছে।’
বর্তমানে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি গ্রাম সোনার দাম প্রায় ১০০ মার্কিন ডলার, যেখানে দক্ষিণ আফ্রিকায় মাসিক ন্যূনতম মজুরি প্রায় ৩৬৮ ডলার।
স্থানীয় সময় দুপুরের পর স্কুল ছুটি শেষে শিশুদেরও খননস্থলে আসতে দেখা গেছে। তারা স্কুলের পোশাক বদলে বাবা-মায়ের সঙ্গে সোনা খোঁজায় অংশ নিচ্ছে, যা শিশু নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে।
এদিকে প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা সম্প্রতি অবৈধ খনন ও অপরাধ দমনে সেনাবাহিনী মোতায়েনের ঘোষণা দিলেও, স্প্রিংসের ঘটনায় সংগঠিত অপরাধ চক্র জড়িত থাকার কোনো সরকারি প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি।
লোড হচ্ছে...