রাজনীতিসদর
দুঃখ-দুর্দশা শোনার সময় যাদের নেই, তারা ক্ষমতায় গেলে জনগণকে ভুলে যাবে: তারিকুল সুজন
NewsView

নিউজভিউ
নির্বাচন মানে কেবল পোস্টার-ব্যানার আর টাকার খেলা নয়, বরং মানুষের অন্তরে জায়গা করে নেওয়া। যারা ভোটের মৌসুমেও সাধারণ মানুষের দুয়ারে যায় না, তারা নির্বাচিত হওয়ার পর জনগণের কোনো উপকারে আসবে না বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে ‘মাথাল’ প্রতীকের প্রার্থী তারিকুল ইসলাম সুজন। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ শহরের তল্লা এলাকায় নির্বাচনি গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।
গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত এই প্রার্থী বলেন, “আমরা দেখছি অনেক প্রার্থী ভোটের সময়ও মানুষের কাছে যেতে কুণ্ঠাবোধ করেন। জনগণের দুঃখ-দুর্দশা শোনার সময় যাদের নেই, তারা ক্ষমতায় গেলে জনগণকে আরও বেশি ভুলে যাবে। আমি ক্ষমতার ভাগ-বাটোয়ারার রাজনীতি করতে আসিনি। আমি এসেছি মানুষের পাশে দাঁড়াতে, শহর-বন্দরকে নিরাপদ ও মানবিক হিসেবে গড়ে তুলতে।”
তারিকুল ইসলাম সুজন বলেন, ‘মাথাল’ প্রতীক কোনো বিলাসবহুল প্রতীক নয়, এটি সাধারণ মানুষের মেহনতের প্রতীক। এই প্রতীক মানেই মানুষের অধিকার ও মর্যাদার লড়াই। গণসংযোগকালে তিনি তল্লা এলাকার বাসিন্দাদের সাথে দীর্ঘ সময় কথা বলেন এবং তাদের নাগরিক সেবার অভাব, বেহাল ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও কর্মসংস্থানের সংকটের কথা শোনেন।
তল্লাবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আপনারা যদি এমন একজন প্রতিনিধি চান যিনি সব সময় আপনাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকবেন, তবে আগামীর লড়াইয়ে মাথাল প্রতীকে ভোট দিন। আমি নির্বাচিত হলে আপনাদের প্রতিটি সমস্যার কথা জাতীয় সংসদে জোরালোভাবে তুলে ধরব।”
এদিন বিকেলে ‘মাথাল’ মার্কার পক্ষে তল্লা এলাকায় এক বিশাল মিছিল ও প্রচারপত্র বিলি করা হয়।
নির্বাচন মানে কেবল পোস্টার-ব্যানার আর টাকার খেলা নয়, বরং মানুষের অন্তরে জায়গা করে নেওয়া। যারা ভোটের মৌসুমেও সাধারণ মানুষের দুয়ারে যায় না, তারা নির্বাচিত হওয়ার পর জনগণের কোনো উপকারে আসবে না বলে মন্তব্য করেছেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে ‘মাথাল’ প্রতীকের প্রার্থী তারিকুল ইসলাম সুজন। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ শহরের তল্লা এলাকায় নির্বাচনি গণসংযোগকালে তিনি এসব কথা বলেন।
গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত এই প্রার্থী বলেন, “আমরা দেখছি অনেক প্রার্থী ভোটের সময়ও মানুষের কাছে যেতে কুণ্ঠাবোধ করেন। জনগণের দুঃখ-দুর্দশা শোনার সময় যাদের নেই, তারা ক্ষমতায় গেলে জনগণকে আরও বেশি ভুলে যাবে। আমি ক্ষমতার ভাগ-বাটোয়ারার রাজনীতি করতে আসিনি। আমি এসেছি মানুষের পাশে দাঁড়াতে, শহর-বন্দরকে নিরাপদ ও মানবিক হিসেবে গড়ে তুলতে।”
তারিকুল ইসলাম সুজন বলেন, ‘মাথাল’ প্রতীক কোনো বিলাসবহুল প্রতীক নয়, এটি সাধারণ মানুষের মেহনতের প্রতীক। এই প্রতীক মানেই মানুষের অধিকার ও মর্যাদার লড়াই। গণসংযোগকালে তিনি তল্লা এলাকার বাসিন্দাদের সাথে দীর্ঘ সময় কথা বলেন এবং তাদের নাগরিক সেবার অভাব, বেহাল ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও কর্মসংস্থানের সংকটের কথা শোনেন।
তল্লাবাসীর উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আপনারা যদি এমন একজন প্রতিনিধি চান যিনি সব সময় আপনাদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকবেন, তবে আগামীর লড়াইয়ে মাথাল প্রতীকে ভোট দিন। আমি নির্বাচিত হলে আপনাদের প্রতিটি সমস্যার কথা জাতীয় সংসদে জোরালোভাবে তুলে ধরব।”
এদিন বিকেলে ‘মাথাল’ মার্কার পক্ষে তল্লা এলাকায় এক বিশাল মিছিল ও প্রচারপত্র বিলি করা হয়।
লোড হচ্ছে...