রাজনীতিবন্দর
আবুল কালামকে ভোট দেওয়া মানে তারেক রহমান ও জিয়া পরিবারকে ভোট দেওয়া: টিপু
NewsView

নিউজভিউ
আসন্ন নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে দলীয় প্রার্থী মনোনীত হওয়া অ্যাডভোকেট আবুল কালাম ও তাঁর পরিবার ডাকুক বা না ডাকুক, ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ে নেতাকর্মীদের নিয়ে জানপ্রাণ দিয়ে লড়ার ঘোষণা দিয়েছেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু। সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে বন্দরের ফরাজিকান্দায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত দোয়া অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
টিপু বলেন, “এই আসনে অনেকেই মনোনয়ন চেয়েছিলেন, কিন্তু দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাবেক এমপি আবুল কালাম সাহেবকে বেছে নিয়েছেন। কালাম সাহেব ও তাঁর পরিবার আমাদের ডাকুক আর না ডাকুক, আমি মহানগর বিএনপির দায়িত্বশীল পদে আছি। প্রতিটি নেতাকর্মীকে নিয়ে এই আসনের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত পর্যন্ত ধানের শীষের পক্ষে কাজ করবো। এটি তারেক রহমানের আমানত।”
বন্দর এলাকায় নির্বাচন পরিচালনার বিষয়ে তিনি স্পষ্ট ঘোষণা দিয়ে বলেন, “যে যত বড় ষড়যন্ত্রই করুক, শাহেন শার নেতৃত্বে বন্দর থানা নির্বাচন পরিচালনা হবে। কেউ করুক বা না করুক, আমি শাহেন শাহকে দিয়েই নির্বাচন করাবো। মহানগর বিএনপির নেতৃত্বে আবুল কালামের নির্বাচন পরিচালনা হবে এবং দায়িত্বপ্রাপ্তরা কেউ আমানতের খেয়ানত করবে না।”
২০১৪ সালের নির্বাচনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে টিপু বলেন, “সেদিন যারা ধানের শীষের পোলিং এজেন্টদের লাঠি দিয়ে কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়েছিল, তাদের কাছে এবার কোনো দায়িত্ব দেওয়া যাবে না। তারা আমানতের খেয়ানতকারী।”
টিপু ভোটারদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, “আবুল কালামকে ভোট দেওয়া মানে তারেক রহমান ও জিয়া পরিবারকে ভোট দেওয়া। আপনারা যদি তাঁকে নির্বাচিত করেন এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হন, তবে বন্দরের উন্নয়নের সব কাজ আমরা টেনে আনবো। কালাম সাহেব না পারলেও মহানগর বিএনপি তারেক রহমানের হাত ধরে উন্নয়ন কাজ নিশ্চিত করবে।”
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে আবেগপ্লুত হয়ে টিপু বলেন, “তাঁকে মরহুম বলতে আজো খুব কষ্ট হয়। মনে হয় তিনি হাসপাতালে আছেন, সুস্থ হয়ে আবার বাড়ি ফিরে আসবেন।”
আসন্ন নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনে দলীয় প্রার্থী মনোনীত হওয়া অ্যাডভোকেট আবুল কালাম ও তাঁর পরিবার ডাকুক বা না ডাকুক, ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে মাঠ পর্যায়ে নেতাকর্মীদের নিয়ে জানপ্রাণ দিয়ে লড়ার ঘোষণা দিয়েছেন মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব অ্যাডভোকেট আবু আল ইউসুফ খান টিপু। সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে বন্দরের ফরাজিকান্দায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত দোয়া অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
টিপু বলেন, “এই আসনে অনেকেই মনোনয়ন চেয়েছিলেন, কিন্তু দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সাবেক এমপি আবুল কালাম সাহেবকে বেছে নিয়েছেন। কালাম সাহেব ও তাঁর পরিবার আমাদের ডাকুক আর না ডাকুক, আমি মহানগর বিএনপির দায়িত্বশীল পদে আছি। প্রতিটি নেতাকর্মীকে নিয়ে এই আসনের এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত পর্যন্ত ধানের শীষের পক্ষে কাজ করবো। এটি তারেক রহমানের আমানত।”
বন্দর এলাকায় নির্বাচন পরিচালনার বিষয়ে তিনি স্পষ্ট ঘোষণা দিয়ে বলেন, “যে যত বড় ষড়যন্ত্রই করুক, শাহেন শার নেতৃত্বে বন্দর থানা নির্বাচন পরিচালনা হবে। কেউ করুক বা না করুক, আমি শাহেন শাহকে দিয়েই নির্বাচন করাবো। মহানগর বিএনপির নেতৃত্বে আবুল কালামের নির্বাচন পরিচালনা হবে এবং দায়িত্বপ্রাপ্তরা কেউ আমানতের খেয়ানত করবে না।”
২০১৪ সালের নির্বাচনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে টিপু বলেন, “সেদিন যারা ধানের শীষের পোলিং এজেন্টদের লাঠি দিয়ে কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়েছিল, তাদের কাছে এবার কোনো দায়িত্ব দেওয়া যাবে না। তারা আমানতের খেয়ানতকারী।”
টিপু ভোটারদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলেন, “আবুল কালামকে ভোট দেওয়া মানে তারেক রহমান ও জিয়া পরিবারকে ভোট দেওয়া। আপনারা যদি তাঁকে নির্বাচিত করেন এবং তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হন, তবে বন্দরের উন্নয়নের সব কাজ আমরা টেনে আনবো। কালাম সাহেব না পারলেও মহানগর বিএনপি তারেক রহমানের হাত ধরে উন্নয়ন কাজ নিশ্চিত করবে।”
বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে আবেগপ্লুত হয়ে টিপু বলেন, “তাঁকে মরহুম বলতে আজো খুব কষ্ট হয়। মনে হয় তিনি হাসপাতালে আছেন, সুস্থ হয়ে আবার বাড়ি ফিরে আসবেন।”
লোড হচ্ছে...