আন্তর্জাতিক
ইরান থেকে কর্মীদের সরিয়ে নিতে প্রস্তুত রাশিয়া
NewsView

নিউজভিউ
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক করপোরেশন 'রোসাটম' এক জরুরি সতর্কবার্তা জারি করেছে। ইরানের বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে কর্মরত রুশ কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে তাদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে মস্কো।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি ২০২৬) রোসাটমের প্রধান আলেক্সেই লিখাচেভ এই ঘোষণা দেন। তিনি জানান, পরিস্থিতি বর্তমানে অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং রাশিয়া নিবিড়ভাবে সবকিছু পর্যবেক্ষণ করছে।
আলেক্সেই লিখাচেভ এক কঠোর সতর্কবার্তায় জানান, বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে কোনো ধরনের হামলা হলে তা ১৯৮৬ সালের ইউক্রেনের চেরনোবিল দুর্ঘটনার মতো ভয়াবহ পরিবেশগত ও মানবিক বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে গত বছরের জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার সময় বুশেহর কেন্দ্রটি লক্ষ্যবস্তু ছিল না এবং ভ্লাদিমির পুতিনের তথ্য অনুযায়ী সেখানে কয়েকশ রুশ বিশেষজ্ঞ বর্তমানে কাজ করছেন। রোসাটম প্রধান জোর দিয়ে বলেন যে রাশিয়া পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে এবং বিপদের সংকেত পাওয়া মাত্রই কর্মীদের সরিয়ে নেওয়া হবে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ‘ম্যাসিভ আর্মাডা’ বা বিশাল নৌবহর মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় মোতায়েনের প্রতিক্রিয়ায় ইরান তাদের সেনাবাহিনীতে ১০০০টি নতুন উন্নত মানের ‘স্ট্র্যাটেজিক ড্রোন’ যুক্ত করেছে। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে ইরানের সেনাবাহিনী প্রধান মেজর জেনারেল আমির হাতামি যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ‘কঠোর ও ধ্বংসাত্মক’ জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
তিনি বলেন, “আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো যেকোনো মুহূর্তের যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকা। আমরা যে ধরণের হুমকির মুখে আছি, তার আলোকে দ্রুত যুদ্ধক্ষমতা বজায় রাখা এবং আগ্রাসনের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়াই আমাদের অগ্রাধিকার।” ইরানের এই নতুন ড্রোন বহর আক্রমণাত্মক, গোয়েন্দা নজরদারি এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধের সক্ষমতা সম্পন্ন বলে জানা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি এবং পারমাণবিক চুক্তিতে আসার জন্য দেওয়া আলটিমেটামের পর থেকে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনসহ বিশাল নৌবহরটি বর্তমানে ইরানের কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্রকে ঘিরে রাশিয়ার এই উদ্বেগ বিশ্বব্যাপী নতুন করে পারমাণবিক যুদ্ধের শঙ্কা জাগিয়ে তুলছে।
মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক করপোরেশন 'রোসাটম' এক জরুরি সতর্কবার্তা জারি করেছে। ইরানের বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে কর্মরত রুশ কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে তাদের দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে মস্কো।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি ২০২৬) রোসাটমের প্রধান আলেক্সেই লিখাচেভ এই ঘোষণা দেন। তিনি জানান, পরিস্থিতি বর্তমানে অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং রাশিয়া নিবিড়ভাবে সবকিছু পর্যবেক্ষণ করছে।
আলেক্সেই লিখাচেভ এক কঠোর সতর্কবার্তায় জানান, বুশেহর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে কোনো ধরনের হামলা হলে তা ১৯৮৬ সালের ইউক্রেনের চেরনোবিল দুর্ঘটনার মতো ভয়াবহ পরিবেশগত ও মানবিক বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে গত বছরের জুনে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলার সময় বুশেহর কেন্দ্রটি লক্ষ্যবস্তু ছিল না এবং ভ্লাদিমির পুতিনের তথ্য অনুযায়ী সেখানে কয়েকশ রুশ বিশেষজ্ঞ বর্তমানে কাজ করছেন। রোসাটম প্রধান জোর দিয়ে বলেন যে রাশিয়া পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে এবং বিপদের সংকেত পাওয়া মাত্রই কর্মীদের সরিয়ে নেওয়া হবে।
এদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের ‘ম্যাসিভ আর্মাডা’ বা বিশাল নৌবহর মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় মোতায়েনের প্রতিক্রিয়ায় ইরান তাদের সেনাবাহিনীতে ১০০০টি নতুন উন্নত মানের ‘স্ট্র্যাটেজিক ড্রোন’ যুক্ত করেছে। বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে ইরানের সেনাবাহিনী প্রধান মেজর জেনারেল আমির হাতামি যেকোনো আগ্রাসনের বিরুদ্ধে ‘কঠোর ও ধ্বংসাত্মক’ জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
তিনি বলেন, “আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো যেকোনো মুহূর্তের যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকা। আমরা যে ধরণের হুমকির মুখে আছি, তার আলোকে দ্রুত যুদ্ধক্ষমতা বজায় রাখা এবং আগ্রাসনের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়াই আমাদের অগ্রাধিকার।” ইরানের এই নতুন ড্রোন বহর আক্রমণাত্মক, গোয়েন্দা নজরদারি এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধের সক্ষমতা সম্পন্ন বলে জানা গেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি এবং পারমাণবিক চুক্তিতে আসার জন্য দেওয়া আলটিমেটামের পর থেকে তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনা এখন তুঙ্গে। মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনসহ বিশাল নৌবহরটি বর্তমানে ইরানের কাছাকাছি অবস্থানে রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্রকে ঘিরে রাশিয়ার এই উদ্বেগ বিশ্বব্যাপী নতুন করে পারমাণবিক যুদ্ধের শঙ্কা জাগিয়ে তুলছে।
লোড হচ্ছে...