রাজনীতিসোনারগাঁও
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট নির্ধারণের আহবান অঞ্জন দাসের
NewsView

# রাষ্ট্রকে আর দলীয় স্বার্থ ও ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির হাতে ছেড়ে দেওয়া যাবে না: অঞ্জন দাস
নিউজভিউ
রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদানের আহ্বানে, সোনারগাঁয়ে বিশাল পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকালে গণসংহতি আন্দোলন সোনারগাঁও উপজেলা কমিটির উদ্যোগে বারুদী থেকে মোগড়াপাড়া পর্যন্ত এই পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।
পদযাত্রায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের প্রার্থী, গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপ্রধান এবং গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার নির্বাহী সমন্বয়কারী অঞ্জন দাস।
অঞ্জন দাস বলেন, "রাষ্ট্রকে আর দলীয় স্বার্থ ও ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির হাতে ছেড়ে দেওয়া যাবে না। আজ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সংকট হলো জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্রের ধ্বংস। এই সংকট থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ হচ্ছে জনগণের সরাসরি মতামতের ভিত্তিতে রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা। সেই কারণেই আগামী নির্বাচনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া রাষ্ট্র রক্ষার প্রশ্নে অপরিহার্য।"
তিনি আরও বলেন, "ক্ষমতাসীন ও ক্ষমতালোভী রাজনৈতিক শক্তিগুলো বারবার নির্বাচন ব্যবস্থাকে প্রহসনে পরিণত করেছে। গণভোটে জনগণের ‘হ্যাঁ’ ভোট রাষ্ট্র পরিচালনার কাঠামো বদলের পথ খুলে দেবে এবং সংবিধানকে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলনে রূপান্তর করবে।"
পদযাত্রায় সভাপতিত্ব করেন গণসংহতি আন্দোলন সোনারগাঁও উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক মোমেন হাসান প্রান্ত এবং সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব মোবাশ্বির হোসাইন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ মহানগরের নির্বাহী সমন্বয়কারী পপি রাণী সরকার, নারী সংহতি জেলার আহ্বায়ক নাজমা বেগম, গণসংহতি আন্দোলন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার আহ্বায়ক জিয়াউর রহমান, সদস্য সচিব মোহাম্মদ সোহাগ, ১২নং ওয়ার্ডের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম বাবু, গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির জেলা দপ্তর সম্পাদক রনি শেখ, ছাত্র ফেডারেশন জেলা সভাপতি সাইদুর রহমান এবং যুব ফেডারেশনের সদস্য সানজীদা ইসলাম ইলমাসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
অঞ্জন দাস তাঁর বক্তব্যের শেষে বলেন, "শ্রমজীবী মানুষ, কৃষক, নারী ও তরুণ সমাজের স্বার্থ উপেক্ষা করে প্রকৃত গণতন্ত্র সম্ভব নয়। গণসংহতি আন্দোলন ক্ষমতার ভাগ চায় না, বরং জনগণের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার রাজনীতি করে। ভয় ও দমননীতি উপেক্ষা করে সচেতন সিদ্ধান্তের মাধ্যমেই জনগণ তাদের অধিকার আদায় করবে।"
রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট প্রদানের আহ্বানে, সোনারগাঁয়ে বিশাল পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকালে গণসংহতি আন্দোলন সোনারগাঁও উপজেলা কমিটির উদ্যোগে বারুদী থেকে মোগড়াপাড়া পর্যন্ত এই পদযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়।
পদযাত্রায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলন মনোনীত নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের প্রার্থী, গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপ্রধান এবং গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার নির্বাহী সমন্বয়কারী অঞ্জন দাস।
অঞ্জন দাস বলেন, "রাষ্ট্রকে আর দলীয় স্বার্থ ও ক্ষমতাকেন্দ্রিক রাজনীতির হাতে ছেড়ে দেওয়া যাবে না। আজ বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সংকট হলো জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্রের ধ্বংস। এই সংকট থেকে উত্তরণের একমাত্র পথ হচ্ছে জনগণের সরাসরি মতামতের ভিত্তিতে রাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা। সেই কারণেই আগামী নির্বাচনে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া রাষ্ট্র রক্ষার প্রশ্নে অপরিহার্য।"
তিনি আরও বলেন, "ক্ষমতাসীন ও ক্ষমতালোভী রাজনৈতিক শক্তিগুলো বারবার নির্বাচন ব্যবস্থাকে প্রহসনে পরিণত করেছে। গণভোটে জনগণের ‘হ্যাঁ’ ভোট রাষ্ট্র পরিচালনার কাঠামো বদলের পথ খুলে দেবে এবং সংবিধানকে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলনে রূপান্তর করবে।"
পদযাত্রায় সভাপতিত্ব করেন গণসংহতি আন্দোলন সোনারগাঁও উপজেলা কমিটির আহ্বায়ক মোমেন হাসান প্রান্ত এবং সঞ্চালনা করেন সদস্য সচিব মোবাশ্বির হোসাইন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ মহানগরের নির্বাহী সমন্বয়কারী পপি রাণী সরকার, নারী সংহতি জেলার আহ্বায়ক নাজমা বেগম, গণসংহতি আন্দোলন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার আহ্বায়ক জিয়াউর রহমান, সদস্য সচিব মোহাম্মদ সোহাগ, ১২নং ওয়ার্ডের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম বাবু, গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতির জেলা দপ্তর সম্পাদক রনি শেখ, ছাত্র ফেডারেশন জেলা সভাপতি সাইদুর রহমান এবং যুব ফেডারেশনের সদস্য সানজীদা ইসলাম ইলমাসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।
অঞ্জন দাস তাঁর বক্তব্যের শেষে বলেন, "শ্রমজীবী মানুষ, কৃষক, নারী ও তরুণ সমাজের স্বার্থ উপেক্ষা করে প্রকৃত গণতন্ত্র সম্ভব নয়। গণসংহতি আন্দোলন ক্ষমতার ভাগ চায় না, বরং জনগণের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার রাজনীতি করে। ভয় ও দমননীতি উপেক্ষা করে সচেতন সিদ্ধান্তের মাধ্যমেই জনগণ তাদের অধিকার আদায় করবে।"
লোড হচ্ছে...