নারায়ণগঞ্জসদর
ভোটের আগে ফতুল্লায় ৫টি সিসিটিভি ক্যামেরা চুরি
NewsView

নিউজভিউ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিতে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরা চুরির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে কুতুবপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রামারবাগ প্রাইমারি স্কুলের পাশের এলাকা থেকে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা অন্তত পাঁচটি ক্যামেরা ভেঙে নিয়ে যায়।
রামারবাগ এলাকায় ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও নজরদারির জন্য সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো বসানো হয়েছিল। স্থানীয় একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, গভীর রাতে কয়েকজন যুবক ওই এলাকায় ঘোরাঘুরি করছে এবং সুকৌশলে ক্যামেরাগুলো ভেঙে নিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে নজরদারি এড়াতেই কেন্দ্রের আশপাশের অন্তত পাঁচটি ক্যামেরা সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
ভোটের মাত্র একদিন আগে এই চুরির ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। তারা মনে করছেন, নির্বাচনের দিন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর পথ সুগম করতেই দুর্বৃত্তরা এই কাজ করেছে।
বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার এস.এম ফয়েজ উদ্দিন জানান, ক্যামেরা চুরির বিষয়টি তিনি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানেন না। তবে তিনি দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, সত্যতা পাওয়া গেলে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজন হলে ওই স্থানগুলোতে পুনরায় ক্যামেরা বসানো হবে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিতে স্থাপিত সিসিটিভি ক্যামেরা চুরির ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে কুতুবপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের রামারবাগ প্রাইমারি স্কুলের পাশের এলাকা থেকে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা অন্তত পাঁচটি ক্যামেরা ভেঙে নিয়ে যায়।
রামারবাগ এলাকায় ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা ও নজরদারির জন্য সিসিটিভি ক্যামেরাগুলো বসানো হয়েছিল। স্থানীয় একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, গভীর রাতে কয়েকজন যুবক ওই এলাকায় ঘোরাঘুরি করছে এবং সুকৌশলে ক্যামেরাগুলো ভেঙে নিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পরিকল্পিতভাবে নজরদারি এড়াতেই কেন্দ্রের আশপাশের অন্তত পাঁচটি ক্যামেরা সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
ভোটের মাত্র একদিন আগে এই চুরির ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। তারা মনে করছেন, নির্বাচনের দিন কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটানোর পথ সুগম করতেই দুর্বৃত্তরা এই কাজ করেছে।
বিষয়টি সম্পর্কে জানতে চাইলে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার এস.এম ফয়েজ উদ্দিন জানান, ক্যামেরা চুরির বিষয়টি তিনি এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানেন না। তবে তিনি দ্রুত তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, সত্যতা পাওয়া গেলে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রয়োজন হলে ওই স্থানগুলোতে পুনরায় ক্যামেরা বসানো হবে।
লোড হচ্ছে...