নারায়ণগঞ্জ
নারায়ণগঞ্জে ডেঙ্গুর ভয়াবহতা: ১৩ দিনে ৩১০ আক্রান্ত
NewsView

নারায়ণগঞ্জ জেলায় ডেঙ্গু জ্বরের তাণ্ডব এখন আর কেবল একটি বার্ষিক সংক্রমণ নয়, এটি জনস্বাস্থ্যে চরম বিপর্যয় ডেকে এনেছে। বর্ষা বিদায় নিলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে স্থানীয় প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ কার্যত ব্যর্থ হওয়ায় জেলা জুড়ে উদ্বেগ ক্রমশ বাড়ছে। অনিয়ন্ত্রিত এই দাপটে জেলাবাসী দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। এর মধ্যেই জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ চলতি বছরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে প্রথম মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও গুরুতর করে তুলেছে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগকে রীতিমতো কাঁপিয়ে দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত) জেলায় রেকর্ড সংখ্যক ১৬ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এক দিনের এই বিস্ফোরণের ফলে চলতি বছরে মোট আক্রান্তের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে উদ্বেগজনক ১ হাজার ২০৫৮ জনে।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দৈনিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি নভেম্বর মাসেই এখন পর্যন্ত মোট ৩১০ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। যদিও গত চব্বিশ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন কোনো মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেনি স্বাস্থ্য বিভাগ, তবে মোট মৃতের সংখ্যা জনমনে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, মশা নিধন কার্যক্রমের দুর্বলতা এবং শুষ্ক মৌসুমেও রোগের এই ঊর্ধ্বগতি চরম বিপদের ইঙ্গিত দিচ্ছে। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে মশার উপদ্রব অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। মশা নিধনে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা এখন জেলাবাসীর জীবন বিপন্ন করে তুলেছে।
নতুন শনাক্ত হওয়া রোগীরা নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতাল, সদর জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালসহ বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। হাসপাতালে রোগীর চাপ ক্রমশ বাড়ছে। স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন, ফলে মোট সুস্থ হওয়া রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬ জন, তবুও বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক।
স্বাস্থ্য বিভাগ সতর্ক করে জানিয়েছে, দ্রুত সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে যেকোনো মুহূর্তে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। মশা নিধন কার্যক্রমে জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ এবং জনসচেতনতা বাড়ানোর উপর গুরুত্বারোপ করা না হলে নারায়ণগঞ্জকে সামনে এক ভয়াবহ স্বাস্থ্য সংকটের সম্মুখীন হতে হবে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগকে রীতিমতো কাঁপিয়ে দিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় (বৃহস্পতিবার, ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত) জেলায় রেকর্ড সংখ্যক ১৬ জন নতুন ডেঙ্গু রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এক দিনের এই বিস্ফোরণের ফলে চলতি বছরে মোট আক্রান্তের সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে উদ্বেগজনক ১ হাজার ২০৫৮ জনে।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দৈনিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি নভেম্বর মাসেই এখন পর্যন্ত মোট ৩১০ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। যদিও গত চব্বিশ ঘণ্টায় ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে নতুন কোনো মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেনি স্বাস্থ্য বিভাগ, তবে মোট মৃতের সংখ্যা জনমনে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।
বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, মশা নিধন কার্যক্রমের দুর্বলতা এবং শুষ্ক মৌসুমেও রোগের এই ঊর্ধ্বগতি চরম বিপদের ইঙ্গিত দিচ্ছে। শহরের বিভিন্ন প্রান্তে মশার উপদ্রব অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। মশা নিধনে স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ব্যর্থতা এখন জেলাবাসীর জীবন বিপন্ন করে তুলেছে।
নতুন শনাক্ত হওয়া রোগীরা নারায়ণগঞ্জ ৩০০ শয্যা হাসপাতাল, সদর জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালসহ বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন। হাসপাতালে রোগীর চাপ ক্রমশ বাড়ছে। স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, যদিও গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫ জন রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন, ফলে মোট সুস্থ হওয়া রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬ জন, তবুও বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক।
স্বাস্থ্য বিভাগ সতর্ক করে জানিয়েছে, দ্রুত সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে যেকোনো মুহূর্তে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। মশা নিধন কার্যক্রমে জরুরি ভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ এবং জনসচেতনতা বাড়ানোর উপর গুরুত্বারোপ করা না হলে নারায়ণগঞ্জকে সামনে এক ভয়াবহ স্বাস্থ্য সংকটের সম্মুখীন হতে হবে।
লোড হচ্ছে...