আন্তর্জাতিক
ইরানী মনোবিজ্ঞানীদের খোলা চিঠি, ট্রাম্পের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে প্রশ্ন
NHP NewsView

নিউজভিউ
ইরানের একদল মনোবিজ্ঞানী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তাদের আমেরিকান সহকর্মীদের উদ্দেশ্যে একটি খোলা চিঠি প্রকাশ করেছেন। চিঠিতে তারা বলেন, ট্রাম্পের আচরণে আত্মমুগ্ধতা, বিভ্রমমূলক চিন্তা এবং সমাজবিরোধী বৈশিষ্ট্যের মতো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, যা গুরুতর মানসিক ও ব্যক্তিত্বজনিত সমস্যার ইঙ্গিত দেয়।
চিঠিটি ‘ইরানিয়ান সাইকোলজিক্যাল সোসাইটি’-র পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হয়, যেখানে বৈজ্ঞানিক ও পেশাগত আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি মূল্যায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে। তারা প্রশ্ন তুলেছেন—যুক্তরাষ্ট্রে কি এমন কোনো নির্দিষ্ট ব্যবস্থা রয়েছে, যার মাধ্যমে একজন প্রেসিডেন্টের মানসিক স্বাস্থ্য ও স্থিতিশীলতা যাচাই করা হয়।
মনোবিজ্ঞানীরা আরও উল্লেখ করেন, বিশ্ব নেতাদের মানসিক স্থিতিশীলতা সরাসরি বৈশ্বিক সিদ্ধান্ত, নাগরিকদের মানসিক স্বাস্থ্য এবং আন্তর্জাতিক শান্তির ওপর প্রভাব ফেলে। তাই এই বিষয়টি শুধু একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়, বরং আন্তর্জাতিক গুরুত্ব বহন করে।
চিঠিতে ট্রাম্পের বক্তব্য ও আচরণ—যেমন আক্রমণাত্মক ভাষা, পরস্পর বিরোধী বক্তব্য, সহানুভূতির অভাব, বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্নতা এবং অন্য দেশের প্রতি হুমকি—নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এসব আচরণ বৈশ্বিক শান্তির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্পের “এক রাতে একটি সভ্যতাকে মুছে ফেলা”র মতো কঠোর হুঁশিয়ারি এবং সামরিক পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
মনোবিজ্ঞানীরা আশা প্রকাশ করেছেন, এই চিঠির মাধ্যমে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞদের মধ্যে একটি গঠনমূলক আলোচনা শুরু হবে, যা বৈশ্বিক মানসিক স্বাস্থ্য ও শান্তি রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
সম্পূর্ণ চিঠিটির হুবহু অনুবাদ:
পরম করুণাময় আল্লাহর নামে
ইরানি মনোবিজ্ঞানীদের পক্ষ থেকে আমেরিকান সহকর্মীদের উদ্দেশ্যে খোলা চিঠি
প্রিয় সহকর্মীবৃন্দ,
আমরা, একদল ইরানি মনোবিজ্ঞানী, বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি বিনিময় এবং পেশাগত সহযোগিতা জোরদার করার আশায় এই চিঠি প্রস্তুত করেছি, যাতে বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক মনোবিজ্ঞানী সম্প্রদায়ের সামাজিক ও পেশাগত দায়িত্ব নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করা যায়।
বর্তমান যুগে, যখন বিশ্ব বিস্ময়কর পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং গণমাধ্যম জাতির মধ্যে সরাসরি সেতুবন্ধন তৈরি করেছে, তখন মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত হিসেবে আমাদের দায়িত্ব নতুন মাত্রা পেয়েছে।
ইরানের মনোবিজ্ঞানী সমাজ, যারা তাদের পেশাগত মূলনীতির প্রতি গভীরভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় মনোবিজ্ঞানের ভূমিকা সম্পর্কে তাদের ভাবনা ও উদ্বেগ আপনাদের সঙ্গে ভাগ করতে চায়।
আমরা বিশ্বাস করি, মানব আচরণ, প্রেরণা এবং মানসিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে গভীর বোঝাপড়ার মাধ্যমে মনোবিজ্ঞান সংকট প্রতিরোধ এবং সংঘাতজনিত ক্ষত নিরাময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বহু গবেষণায় দেখা গেছে যে, নেতাদের মানসিক স্থিতিশীলতা বড় সিদ্ধান্তগুলোর ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে এবং এর ফলে নাগরিকদের মানসিক স্বাস্থ্য ও বৈশ্বিক শান্তি প্রভাবিত হয়।
বিজ্ঞান উৎপাদনে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এবং অন্যান্য দেশের সামাজিক-রাজনৈতিক বিষয়ে আমেরিকান নেতাদের অবৈধ হস্তক্ষেপ বিবেচনায় নিয়ে, আমরা জানতে চাই—যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের মানসিক স্থিতিশীলতা ও মানসিক স্বাস্থ্য মূল্যায়নের জন্য কোনো নির্দিষ্ট ব্যবস্থা রয়েছে কি না।
বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্য ও আচরণ—যেমন আক্রমণাত্মক ভাষা, অতিরিক্ত মনোযোগ আকর্ষণের প্রবণতা, সহানুভূতির অভাব, আত্মমুগ্ধতা, আবেগপ্রবণতা, বিভ্রমমূলক চিন্তা, বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্নতা, অন্যের অধিকার উপেক্ষা, অন্যান্য জাতিকে হুমকি ও অপমান, পরস্পর বিরোধী বক্তব্য এবং সমাজবিরোধী ও অমানবিক আচরণ—তার সম্ভাব্য মানসিক ও ব্যক্তিত্বজনিত ব্যাধি (যেমন আত্মমুগ্ধতা, হিস্ট্রিওনিক ও বিভ্রমমূলক ব্যক্তিত্ব) নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করে। “মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন”-এর নামে এসব আচরণ অন্যান্য দেশের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছে এবং বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ভয়, উদ্বেগ ও বিরূপ মনোভাব বাড়িয়েছে।
তিনি (ডোনাল্ড ট্রাম্প) কোনো নিয়মের মধ্যে আবদ্ধ নন এবং এক ধরনের সাইকোপ্যাথের মতো আচরণ করে বিশ্বকে আগুন ও ধ্বংসের গভীরে ঠেলে দিয়েছেন। পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে ধারাবাহিক বোমাবর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র এক নতুন ধরনের মানসিক আঘাতের সৃষ্টি করেছে, যার দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক ও মানসিক প্রভাব থাকবে। ইরাকে আমেরিকার গণহত্যার কারণে সৃষ্ট মানসিক যন্ত্রণা থেকে জনগণ এখনও পুরোপুরি সেরে উঠতে পারেনি, আর এখন এসব কর্মকাণ্ড ইরানেও ঘটছে। গত এক মাসে আমাদের দেশের ওপর চাপিয়ে দেওয়া আগ্রাসন—যার মধ্যে ১৬৮ জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর শাহাদাত এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতার হত্যাকাণ্ড অন্তর্ভুক্ত তা জনগণের ওপর ব্যাপক কষ্ট ও চাপ সৃষ্টি করেছে, যা বৈশ্বিক মনোবিজ্ঞানী সমাজের আদর্শের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
আমরা বিশ্বাস করি, ভৌগোলিক সীমানা নির্বিশেষে মানবজাতির মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষা এবং বৈশ্বিক শান্তি ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় আমাদের একটি যৌথ দায়িত্ব রয়েছে।
আমরা আশা করি, এই চিঠি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মনোবিজ্ঞানীদের মধ্যে একটি গঠনমূলক আলোচনা শুরু করবে। আমরা বিশ্বাস করি, এসব আচরণগত ধরণ বৈজ্ঞানিকভাবে বিশ্লেষণ করলে এ ধরনের ধ্বংসাত্মক আচরণের প্রভাব সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হবে এবং বৈশ্বিক মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর এর প্রভাব তুলে ধরা সম্ভব হবে।
শ্রদ্ধাসহ,
ইরানিয়ান সাইকোলজিক্যাল সোসাইটি।
ইরানের একদল মনোবিজ্ঞানী মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তাদের আমেরিকান সহকর্মীদের উদ্দেশ্যে একটি খোলা চিঠি প্রকাশ করেছেন। চিঠিতে তারা বলেন, ট্রাম্পের আচরণে আত্মমুগ্ধতা, বিভ্রমমূলক চিন্তা এবং সমাজবিরোধী বৈশিষ্ট্যের মতো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে, যা গুরুতর মানসিক ও ব্যক্তিত্বজনিত সমস্যার ইঙ্গিত দেয়।
চিঠিটি ‘ইরানিয়ান সাইকোলজিক্যাল সোসাইটি’-র পক্ষ থেকে প্রকাশ করা হয়, যেখানে বৈজ্ঞানিক ও পেশাগত আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি মূল্যায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে। তারা প্রশ্ন তুলেছেন—যুক্তরাষ্ট্রে কি এমন কোনো নির্দিষ্ট ব্যবস্থা রয়েছে, যার মাধ্যমে একজন প্রেসিডেন্টের মানসিক স্বাস্থ্য ও স্থিতিশীলতা যাচাই করা হয়।
মনোবিজ্ঞানীরা আরও উল্লেখ করেন, বিশ্ব নেতাদের মানসিক স্থিতিশীলতা সরাসরি বৈশ্বিক সিদ্ধান্ত, নাগরিকদের মানসিক স্বাস্থ্য এবং আন্তর্জাতিক শান্তির ওপর প্রভাব ফেলে। তাই এই বিষয়টি শুধু একটি দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় নয়, বরং আন্তর্জাতিক গুরুত্ব বহন করে।
চিঠিতে ট্রাম্পের বক্তব্য ও আচরণ—যেমন আক্রমণাত্মক ভাষা, পরস্পর বিরোধী বক্তব্য, সহানুভূতির অভাব, বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্নতা এবং অন্য দেশের প্রতি হুমকি—নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এসব আচরণ বৈশ্বিক শান্তির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে উল্লেখ করা হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে ট্রাম্পের “এক রাতে একটি সভ্যতাকে মুছে ফেলা”র মতো কঠোর হুঁশিয়ারি এবং সামরিক পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
মনোবিজ্ঞানীরা আশা প্রকাশ করেছেন, এই চিঠির মাধ্যমে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞদের মধ্যে একটি গঠনমূলক আলোচনা শুরু হবে, যা বৈশ্বিক মানসিক স্বাস্থ্য ও শান্তি রক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
সম্পূর্ণ চিঠিটির হুবহু অনুবাদ:
পরম করুণাময় আল্লাহর নামে
ইরানি মনোবিজ্ঞানীদের পক্ষ থেকে আমেরিকান সহকর্মীদের উদ্দেশ্যে খোলা চিঠি
প্রিয় সহকর্মীবৃন্দ,
আমরা, একদল ইরানি মনোবিজ্ঞানী, বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিভঙ্গি বিনিময় এবং পেশাগত সহযোগিতা জোরদার করার আশায় এই চিঠি প্রস্তুত করেছি, যাতে বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক মনোবিজ্ঞানী সম্প্রদায়ের সামাজিক ও পেশাগত দায়িত্ব নিয়ে চিন্তা-ভাবনা করা যায়।
বর্তমান যুগে, যখন বিশ্ব বিস্ময়কর পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং গণমাধ্যম জাতির মধ্যে সরাসরি সেতুবন্ধন তৈরি করেছে, তখন মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত হিসেবে আমাদের দায়িত্ব নতুন মাত্রা পেয়েছে।
ইরানের মনোবিজ্ঞানী সমাজ, যারা তাদের পেশাগত মূলনীতির প্রতি গভীরভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় মনোবিজ্ঞানের ভূমিকা সম্পর্কে তাদের ভাবনা ও উদ্বেগ আপনাদের সঙ্গে ভাগ করতে চায়।
আমরা বিশ্বাস করি, মানব আচরণ, প্রেরণা এবং মানসিক প্রক্রিয়া সম্পর্কে গভীর বোঝাপড়ার মাধ্যমে মনোবিজ্ঞান সংকট প্রতিরোধ এবং সংঘাতজনিত ক্ষত নিরাময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বহু গবেষণায় দেখা গেছে যে, নেতাদের মানসিক স্থিতিশীলতা বড় সিদ্ধান্তগুলোর ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে এবং এর ফলে নাগরিকদের মানসিক স্বাস্থ্য ও বৈশ্বিক শান্তি প্রভাবিত হয়।
বিজ্ঞান উৎপাদনে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা এবং অন্যান্য দেশের সামাজিক-রাজনৈতিক বিষয়ে আমেরিকান নেতাদের অবৈধ হস্তক্ষেপ বিবেচনায় নিয়ে, আমরা জানতে চাই—যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের মানসিক স্থিতিশীলতা ও মানসিক স্বাস্থ্য মূল্যায়নের জন্য কোনো নির্দিষ্ট ব্যবস্থা রয়েছে কি না।
বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্য ও আচরণ—যেমন আক্রমণাত্মক ভাষা, অতিরিক্ত মনোযোগ আকর্ষণের প্রবণতা, সহানুভূতির অভাব, আত্মমুগ্ধতা, আবেগপ্রবণতা, বিভ্রমমূলক চিন্তা, বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্নতা, অন্যের অধিকার উপেক্ষা, অন্যান্য জাতিকে হুমকি ও অপমান, পরস্পর বিরোধী বক্তব্য এবং সমাজবিরোধী ও অমানবিক আচরণ—তার সম্ভাব্য মানসিক ও ব্যক্তিত্বজনিত ব্যাধি (যেমন আত্মমুগ্ধতা, হিস্ট্রিওনিক ও বিভ্রমমূলক ব্যক্তিত্ব) নিয়ে গুরুতর উদ্বেগ সৃষ্টি করে। “মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন”-এর নামে এসব আচরণ অন্যান্য দেশের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করেছে এবং বিশ্বে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি ভয়, উদ্বেগ ও বিরূপ মনোভাব বাড়িয়েছে।
তিনি (ডোনাল্ড ট্রাম্প) কোনো নিয়মের মধ্যে আবদ্ধ নন এবং এক ধরনের সাইকোপ্যাথের মতো আচরণ করে বিশ্বকে আগুন ও ধ্বংসের গভীরে ঠেলে দিয়েছেন। পশ্চিম এশিয়া অঞ্চলে ধারাবাহিক বোমাবর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র এক নতুন ধরনের মানসিক আঘাতের সৃষ্টি করেছে, যার দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক ও মানসিক প্রভাব থাকবে। ইরাকে আমেরিকার গণহত্যার কারণে সৃষ্ট মানসিক যন্ত্রণা থেকে জনগণ এখনও পুরোপুরি সেরে উঠতে পারেনি, আর এখন এসব কর্মকাণ্ড ইরানেও ঘটছে। গত এক মাসে আমাদের দেশের ওপর চাপিয়ে দেওয়া আগ্রাসন—যার মধ্যে ১৬৮ জন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর শাহাদাত এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতার হত্যাকাণ্ড অন্তর্ভুক্ত তা জনগণের ওপর ব্যাপক কষ্ট ও চাপ সৃষ্টি করেছে, যা বৈশ্বিক মনোবিজ্ঞানী সমাজের আদর্শের সম্পূর্ণ পরিপন্থী।
আমরা বিশ্বাস করি, ভৌগোলিক সীমানা নির্বিশেষে মানবজাতির মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষা এবং বৈশ্বিক শান্তি ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় আমাদের একটি যৌথ দায়িত্ব রয়েছে।
আমরা আশা করি, এই চিঠি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মনোবিজ্ঞানীদের মধ্যে একটি গঠনমূলক আলোচনা শুরু করবে। আমরা বিশ্বাস করি, এসব আচরণগত ধরণ বৈজ্ঞানিকভাবে বিশ্লেষণ করলে এ ধরনের ধ্বংসাত্মক আচরণের প্রভাব সম্পর্কে গভীর উপলব্ধি তৈরি হবে এবং বৈশ্বিক মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর এর প্রভাব তুলে ধরা সম্ভব হবে।
শ্রদ্ধাসহ,
ইরানিয়ান সাইকোলজিক্যাল সোসাইটি।
লোড হচ্ছে...